শিরোনাম
◈ প্রথম সফরে মালয়েশিয়া কেন বেছে নিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান? : ইন্ডিয়া টুডের প্রতিবেদন ◈ শত্রু দেশ যুক্তরা‌স্ট্রে খেলা ইরা‌নের, দেশের মানুষের মুখে হাসি ফোটা‌তে মনপ্রাণ উজাড় ক‌রে খেল‌বেন ইরানি ফুটবলাররা ◈ বিদেশি ফ্রাঞ্চাইজি লি‌গে খেলার জন‌্য অবসর নেয়া বন্ধ কর‌তে কড়া নিয়ম আনার পথে বিসিসিআই ◈ গভর্নর মোস্তাকুর রহমানের ১০০ দিন: স্থিতিশীলতা, সংস্কার ও প্রবৃদ্ধির নতুন সমীকরণ ◈ ভূমি কর্মকর্তাদের ২৫ জুনের মধ্যে সম্পদের হিসাব দেওয়ার নির্দেশ ভূমি মন্ত্রণালয়ের ◈ দ. এশিয়ার স্থিতিশীলতা ও শান্তির জন্য বাংলাদেশ ‘কৌশলগত গুরুত্বপূর্ণ’ দেশ: তুরস্ক ◈ ইউরোপের মাটিতে ইতিহাস, সান মারিনোর বিপক্ষে বাংলাদেশের জয় ◈ স্বর্ণের দামে বড় পতন বিশ্ববাজারে ◈ ডিপফেক-মিথ্যা তথ্য রোধে এআই নীতিমালা আনছে সরকার ◈ গুলশানে দুটি স্পা সেন্টারে পুলিশের অভিযান, ২৮ জন আটক

প্রকাশিত : ০৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ০১:২২ রাত
আপডেট : ২৪ মে, ২০২৬, ০৭:০০ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

তারেক রহমানকে নির্বাচনী বিতর্কে অংশ নেওয়ার আহ্বান জামায়াত আমিরের

বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে উন্মুক্ত মঞ্চে নির্বাচনী বিতর্কে অংশ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান।

শুক্রবার রাত আটটার দিকে তাঁর ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে ইংরেজিতে দেওয়া এক পোস্টে শফিকুর রহমান এ আমন্ত্রণ জানান।

তারেক রহমানের সম্প্রতি ঘোষিত রাজনৈতিক পরিকল্পনার প্রসঙ্গ টেনে শফিকুর রহমান তাঁকে একটি উন্মুক্ত মঞ্চে সরাসরি আলোচনায় অংশ নেওয়ার আহ্বান জানান।

শফিকুর রহমান প্রস্তাব দেন, ওই আলোচনায় দুজন নেতা জাতির সামনে নিজ নিজ ইশতেহার উপস্থাপন করবেন এবং সিদ্ধান্ত নেওয়ার ভার জনগণের ওপর ছেড়ে দেবেন।


শফিকুর রহমান বলেন, বাংলাদেশের জন্য একটি নতুন অধ্যায়ের সূচনা প্রয়োজন, যেখানে সব রাজনৈতিক শক্তি জনগণের রায় ও ইচ্ছাকে সম্মান করার অঙ্গীকার করবে।

ফেসবুক পোস্টে জামায়াত আমির বলেন, অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের মাধ্যমেই কেবল রাজনৈতিক বৈধতা অর্জন হতে পারে। জন আস্থা ও ন্যায্যতা অর্জন ছাড়া কোনো নির্বাচনী ফল জনগণের আস্থা অর্জন করতে পারে না।

শফিকুর রহমান জুলাই বিপ্লব–পরবর্তী রাজনৈতিক বাস্তবতার কথা উল্লেখ করে বলেন, দেশের তরুণ প্রজন্মের কাছে রাজনৈতিক নেতৃত্বের দায় রয়েছে। তাঁর ভাষায়, রাজনীতি যে ভদ্র, শালীন ও সংঘাতমুক্ত হতে পারে, তা প্রমাণ করার সময় এসেছে।

শফিকুর রহমান বলেন, ভবিষ্যৎ শাসনব্যবস্থার মানদণ্ড হওয়া উচিত এমন, যা গণমাধ্যম ও জনগণের সরাসরি নজরদারির মধ্যে থাকবে, সমালোচনার জন্য উন্মুক্ত হবে এবং যেখানে জবাবদিহি ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা হবে। উৎস: প্রথম আলো।

 

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়