শিরোনাম
◈ গভর্নর মোস্তাকুর রহমানের ১০০ দিন: স্থিতিশীলতা, সংস্কার ও প্রবৃদ্ধির নতুন সমীকরণ ◈ ভূমি কর্মকর্তাদের ২৫ জুনের মধ্যে সম্পদের হিসাব দেওয়ার নির্দেশ ভূমি মন্ত্রণালয়ের ◈ দ. এশিয়ার স্থিতিশীলতা ও শান্তির জন্য বাংলাদেশ ‘কৌশলগত গুরুত্বপূর্ণ’ দেশ: তুরস্ক ◈ ইউরোপের মাটিতে ইতিহাস, সান মারিনোর বিপক্ষে বাংলাদেশের জয় ◈ স্বর্ণের দামে বড় পতন বিশ্ববাজারে ◈ ডিপফেক-মিথ্যা তথ্য রোধে এআই নীতিমালা আনছে সরকার ◈ গুলশানে দুটি স্পা সেন্টারে পুলিশের অভিযান, ২৮ জন আটক ◈ হাদি হত্যা মামলায় জাবেরকে বাদী করার কারণ জানতে চান বোন মাসুমা ◈ বাজেট অধিবেশন ঘিরে সংসদ ভবন এলাকায় আগ্নেয়াস্ত্র বহন ও মিছিল-সমাবেশ নিষিদ্ধ ◈ এশিয়ান গেমস ক্রিকে‌টে বাংলা‌দেশসহ ১০ দল চূড়ান্ত, অ‌ক্টোব‌রে খেলা হ‌বে জাপা‌নে 

প্রকাশিত : ২৬ মে, ২০২৬, ০৮:১৬ রাত
আপডেট : ০৩ জুন, ২০২৬, ০৭:০০ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

লিগ্যাল নোটিশ কী, কেন পাঠানো হয়? জানুন বিস্তারিত

যেকোনও ব্যক্তি তার বক্তব্য বা দাবির বিষয়টি আইনি নোটিশ তথা লিগ্যাল নোটিশের মাধ্যমে অপর কোনও ব্যক্তি-প্রতিষ্ঠান-সরকারের কাছে তুলে ধরতে পারেন। বিশেষ করে লিগ্যাল নোটিশ হলো— একটি আনুষ্ঠানিক লিখিত সতর্কবার্তা, যা কোনও ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানকে তার বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার আগে পাঠানো হয়। সহজ কথায়, এটি একটি শেষ সুযোগ— যা আদালতের দ্বারস্থ হওয়ার আগে প্রতিপক্ষকে দেওয়া হয়।

লিগ্যাল নোটিশের উদ্দেশ্য

দাবি বা অভিযোগ জানাতে, যেমন- নিজের পাওনা টাকা ফেরত, জমি বা কোনও অধিকার আদায়ের জন্য, সতর্ক করতে, যেমন- কোনও চুক্তি ভঙ্গ হলে বা কেউ বেআইনি কাজ করলে তাকে সতর্ক করার জন্য। বিবাদ মেটাতে, যেমন- আদালতের বাইরে আলোচনা বা সমঝোতার মাধ্যমে কোন আইনি জটিলতাপূর্ণ ঝামেলা শেষ করতে। কিছু কিছু ক্ষেত্রে (যেমন- চেক ডিজঅনার বা বাড়ি ভাড়া সংক্রান্ত ঝামেলা) মামলা করার আগে লিগ্যাল নোটিশ পাঠানো হয় আইনত বাধ্যতামূলক পূরণ করতে।

লিগ্যাল নোটিশ দেওয়ার সুবিধা কী

আদালত পর্যন্ত না গিয়ে নোটিশের উত্তর বা আলোচনার মাধ্যমেই অনেক সময় সমস্যার সমাধান করার মাধ্যমে সময় ও টাকা বাঁচানো। মামলার দীর্ঘসূত্রতা এবং আদালতের উকিল খরচ থেকে বাঁচা যায়, আইনি জটিলতাপূর্ণ বিষয়ে মানসিক চাপ কমানো, ছোটখাটো বিবাদ নোটিশের মাধ্যমে সমাধান হলে আদালতের ওপর মামলার চাপ কমানো, প্রতিপক্ষ নোটিশ পাওয়ার পরও যদি কোনও পদক্ষেপ না নেয় বা জবাব না দেয়, তবে আদালতে প্রমাণ করা সহজ হয় যে, তাকে আগে সুযোগ দেওয়া হয়েছিল।

লিগ্যাল নোটিশের যেমন হয়

সাধারণত একজন আইনজীবী তার মক্কেলের পক্ষে এটি ড্রাফট করে এবং নিজের প্যাডে স্বাক্ষর করে নোটিশটি পাঠিয়ে থাকেন। এক্ষেত্রে নোটিশে অভিযোগের বিবরণ, দাবির পরিমাণ এবং জবাব বা পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য একটি নির্দিষ্ট সময়সীমা (যেমন- ১৫ বা ৩০ দিন) বেঁধে দেওয়া হয়।

নোটিশ পেলে করণীয়

লিগ্যাল নোটিশ পেলে ভয় না পেয়ে একজন আইনজীবীর পরামর্শ নিয়ে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে লিখিত জবাব দেওয়া উচিত। অথবা নোটিশ প্রদানকারী ব্যক্তির সঙ্গে বিবাদের বিষয়টি নিয়ে আলোচনার মাধ্যমে নোটিশ প্রত্যাহারের ব্যবস্থা করা যেতে পারে।

সূত্র: বাংলা ট্রিবিউন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়