শিরোনাম
◈ বিদ্যুৎ খাতে হযবরল, অলস সক্ষমতার বিপুল ভার মানুষের ওপর  ◈ মূল্যবৃদ্ধির চাপ ধনীদের ওপর, ৬৫ শতাংশ সাধারণ মানুষ সুরক্ষিত: তথ্যমন্ত্রী ◈ জুয়া নিয়ন্ত্রণে গোয়েন্দাদের বাড়তি ক্ষমতা, সন্দেহ হলেই তল্লাশি ও গ্রেপ্তার করতে পারবে, অপব্যবহারের আশঙ্কা বিশেষজ্ঞদের ◈ অনলাইন ঝড় থেকে রাজপথে: শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ দাবিতে দিল্লিতে ‘ককরোচ জনতা পার্টি’র বিক্ষোভ, থাকছেন সোনম ওয়াংচুক-ও ◈ ১১ দলীয় জোটে আবার ভাঙনের গুঞ্জন, বেরিয়ে গেছে বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলন, ১০ জুন আসতে পারে ঘোষণা ◈ পোষা বিড়াল কি বাড়ায় মানসিক রোগের ঝুঁকি? নতুন গবেষণায় আলোচনার ঝড়! ◈ দেশের বাজারে টানা দুই দফায় স্বর্ণের দাম কমেছে ভরিপ্রতি ৮ হাজার ৭৪৮ টাকা ◈ প্রথম সফরে মালয়েশিয়া কেন বেছে নিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান? : ইন্ডিয়া টুডের প্রতিবেদন ◈ শত্রু দেশ যুক্তরা‌স্ট্রে খেলা ইরা‌নের, দেশের মানুষের মুখে হাসি ফোটা‌তে মনপ্রাণ উজাড় ক‌রে খেল‌বেন ইরানি ফুটবলাররা ◈ বিদেশি ফ্রাঞ্চাইজি লি‌গে খেলার জন‌্য অবসর নেয়া বন্ধ কর‌তে কড়া নিয়ম আনার পথে বিসিসিআই

প্রকাশিত : ১০ নভেম্বর, ২০২৫, ১১:৫৮ দুপুর
আপডেট : ০৫ জুন, ২০২৬, ০৯:০০ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের আন্দোলন ঠেকাতে কঠোর অবস্থানের ইঙ্গিত: ‘এটা ২০০৬ নয়, এটা নতুন বাংলাদেশ’: প্রেস সচিব

ঢাকার রাজপথে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের কর্মসূচি কঠোরভাবে মোকাবিলার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম। তিনি বলেছেন, ‘দুঃখিত, এটা এক নতুন বাংলাদেশ।’

সোমবার (১০ নভেম্বর) সকালে নিজের ফেরিভায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ হুঁশিয়ারি দেন।

এতে শফিকুল আলম লিখেছেন,‘বিএএল (বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ), তাদের সমর্থকেরা এবং তাদের গণহত্যাকারী নেতা মনে করছেন, আবারও ২০০৬ সালের ২৮ অক্টোবর ফিরে এসেছে। তারা ভাবছে, প্রকাশ্য দিবালোকে এক ডজন মানুষকে হত্যা করে রাস্তা দখল করার জন্য হাজার-হাজার দুর্বৃত্তকে ঢাকার কেন্দ্রস্থলে পাঠাবেন। দুঃখিত, এটা এক নতুন বাংলাদেশ।’

তিনি আরও লিখেছেন, ‘নিষিদ্ধ রাজনৈতিক দল বা সন্ত্রাসী সংগঠনগুলো যদি কোনো ধরনের বিক্ষোভের চেষ্টা করে, তাহলে আইন তার পূর্ণ শক্তি দিয়ে তা মোকাবিলা করবে।’

পোস্টের শেষে প্রেস সচিব লিখেছেন, ‘জুলাই বিপ্লবীদের ধৈর্য পরীক্ষা করবেন না। মনে রাখবেন, এটা ২০০৬ সালের ২৮ অক্টোবর নয়। এটা জুলাই, চিরকালের জন্য।’

প্রসঙ্গত, ২০০৬ সালের অক্টোবর মাসে বিদায়ের প্রস্তুতি নিচ্ছিল বিএনপির নেতৃত্বে চারদলীয় জোট। ওই সময় সদ্য অবসরপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি কে এম হাসান যাতে তত্ত্বাবধায়ক সরকারপ্রধানের দায়িত্ব নিতে না পারেন, সেজন্য তখন আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে ১৪ দলীয় জোট তুমুল আন্দোলন করছিল।

এমন প্রেক্ষাপটে ২৮ অক্টোবর ঢাকার পল্টন-বায়তুল মোকাররম এলাকায় জামায়াতে ইসলামী এবং আওয়ামী লীগের কর্মীদের মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ হয়।ওইদিন ছিল বিএনপির নেতৃত্বে চারদলীয় জোট সরকারের শেষ দিন। সেদিন ঢাকার রাস্তায় প্রকাশ্যে অস্ত্র তুলে গুলি এবং মানুষ পিটিয়ে মারার ঘটনা আলোড়ন তৈরি করেছিল।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়