শিরোনাম
◈ প্রথম সফরে মালয়েশিয়া কেন বেছে নিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান? : ইন্ডিয়া টুডের প্রতিবেদন ◈ শত্রু দেশ যুক্তরা‌স্ট্রে খেলা ইরা‌নের, দেশের মানুষের মুখে হাসি ফোটা‌তে মনপ্রাণ উজাড় ক‌রে খেল‌বেন ইরানি ফুটবলাররা ◈ বিদেশি ফ্রাঞ্চাইজি লি‌গে খেলার জন‌্য অবসর নেয়া বন্ধ কর‌তে কড়া নিয়ম আনার পথে বিসিসিআই ◈ গভর্নর মোস্তাকুর রহমানের ১০০ দিন: স্থিতিশীলতা, সংস্কার ও প্রবৃদ্ধির নতুন সমীকরণ ◈ ভূমি কর্মকর্তাদের ২৫ জুনের মধ্যে সম্পদের হিসাব দেওয়ার নির্দেশ ভূমি মন্ত্রণালয়ের ◈ দ. এশিয়ার স্থিতিশীলতা ও শান্তির জন্য বাংলাদেশ ‘কৌশলগত গুরুত্বপূর্ণ’ দেশ: তুরস্ক ◈ ইউরোপের মাটিতে ইতিহাস, সান মারিনোর বিপক্ষে বাংলাদেশের জয় ◈ স্বর্ণের দামে বড় পতন বিশ্ববাজারে ◈ ডিপফেক-মিথ্যা তথ্য রোধে এআই নীতিমালা আনছে সরকার ◈ গুলশানে দুটি স্পা সেন্টারে পুলিশের অভিযান, ২৮ জন আটক

প্রকাশিত : ০৮ মে, ২০২৬, ০৮:০২ রাত
আপডেট : ০৪ জুন, ২০২৬, ০১:০০ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

রাজধানীতে আরও ১১ হাজার সিসি ক্যামেরা বসাচ্ছে ডিএমপি

রাজধানীর জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং কিশোর গ্যাং, সন্ত্রাস ও ছিনতাই প্রতিরোধে কঠোর অবস্থানে যাচ্ছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)। নজরদারি বাড়াতে মহানগরীর বিভিন্ন পয়েন্টে নতুন করে আরও ১১ হাজার সিসি ক্যামেরা স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। 

ডিএমপির ভারপ্রাপ্ত কমিশনার মো. সরওয়ার এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।  

ভারপ্রাপ্ত কমিশনার জানান, মোহাম্মদপুরসহ অপরাধপ্রবণ এলাকাগুলোকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। শুধুমাত্র মোহাম্মদপুরেই কিশোর গ্যাং ও ছিনতাই ঠেকাতে ৭০০টি সিসি ক্যামেরা বসানোর কাজ চলছে। অপরাধ দমনে এই এলাকায় পুলিশের জনবল বৃদ্ধির পাশাপাশি বসিলায় নতুন একটি পুলিশ ফাঁড়ি উদ্বোধন করা হয়েছে এবং আরও একটি ফাঁড়ি স্থাপনের পরিকল্পনা রয়েছে। এছাড়া রাজধানীর ৫০টি থানায় অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (এডিসি), সহকারী পুলিশ কমিশনার (এসি) ও পেট্রোল ইন্সপেক্টর মোতায়েন করা হয়েছে। 

ডিএমপির মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার এন এম নাসিরুদ্দিন জানান, বর্তমানে রাজধানীতে ১ হাজার ৯১০টি সিসি ক্যামেরা সচল রয়েছে। এর মধ্যে ডিএমপির নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় ৭১০টি এবং গুলশান-বনানীসহ বিভিন্ন এলাকার ‘ল অ্যান্ড অর্ডার কো-অর্ডিনেশন কমিটির’ মাধ্যমে ১ হাজার ২০০টি ক্যামেরা পরিচালিত হচ্ছে. নতুন প্রকল্পের আওতায় ১১ হাজার ক্যামেরা কেনার টেন্ডার প্রক্রিয়া বর্তমানে চলমান রয়েছে।

পুলিশ কর্মকর্তাদের মতে, সিসি ক্যামেরার ফুটেজ বিশ্লেষণ করে চুরি, ছিনতাই ও ডাকাতির রহস্য উদ্ঘাটন সহজ হচ্ছে। কেন্দ্রীয় নিয়ন্ত্রণ কক্ষ থেকে সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণের ফলে যে কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনায় দ্রুত রেসপন্স টিম পাঠানো সম্ভব হচ্ছে। স্থায়ী ক্যামেরার পাশাপাশি পহেলা বৈশাখ বা জাতীয় দিবসের মতো বড় আয়োজনে অস্থায়ী ক্যামেরার মাধ্যমেও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হচ্ছে।

ডিএমপি জানিয়েছে, অপরাধীদের শনাক্ত করতে বর্তমানে ব্লক রেইড, নিয়মিত টহল এবং সাদা পোশাকে গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার করা হয়েছে। বিশেষ করে কিশোর গ্যাং সদস্যরা ধারালো অস্ত্র ব্যবহার করে যেসব অপরাধ করছে, তাদের আইনের আওতায় আনাকে চ্যালেঞ্জ হিসেবে নিয়েছে পুলিশ। অপরাধ দমনের পাশাপাশি রাজধানীর যানজট নিরসনেও এই ক্যামেরা প্রযুক্তি কার্যকর ভূমিকা রাখছে বলে ডিএমপির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে। 

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়