শিরোনাম
◈ বিদ্যুৎ খাতে হযবরল, অলস সক্ষমতার বিপুল ভার মানুষের ওপর  ◈ মূল্যবৃদ্ধির চাপ ধনীদের ওপর, ৬৫ শতাংশ সাধারণ মানুষ সুরক্ষিত: তথ্যমন্ত্রী ◈ জুয়া নিয়ন্ত্রণে গোয়েন্দাদের বাড়তি ক্ষমতা, সন্দেহ হলেই তল্লাশি ও গ্রেপ্তার করতে পারবে, অপব্যবহারের আশঙ্কা বিশেষজ্ঞদের ◈ অনলাইন ঝড় থেকে রাজপথে: শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ দাবিতে দিল্লিতে ‘ককরোচ জনতা পার্টি’র বিক্ষোভ, থাকছেন সোনম ওয়াংচুক-ও ◈ ১১ দলীয় জোটে আবার ভাঙনের গুঞ্জন, বেরিয়ে গেছে বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলন, ১০ জুন আসতে পারে ঘোষণা ◈ পোষা বিড়াল কি বাড়ায় মানসিক রোগের ঝুঁকি? নতুন গবেষণায় আলোচনার ঝড়! ◈ দেশের বাজারে টানা দুই দফায় স্বর্ণের দাম কমেছে ভরিপ্রতি ৮ হাজার ৭৪৮ টাকা ◈ প্রথম সফরে মালয়েশিয়া কেন বেছে নিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান? : ইন্ডিয়া টুডের প্রতিবেদন ◈ শত্রু দেশ যুক্তরা‌স্ট্রে খেলা ইরা‌নের, দেশের মানুষের মুখে হাসি ফোটা‌তে মনপ্রাণ উজাড় ক‌রে খেল‌বেন ইরানি ফুটবলাররা ◈ বিদেশি ফ্রাঞ্চাইজি লি‌গে খেলার জন‌্য অবসর নেয়া বন্ধ কর‌তে কড়া নিয়ম আনার পথে বিসিসিআই

প্রকাশিত : ০৩ মে, ২০২৬, ০২:২৭ রাত
আপডেট : ০৩ জুন, ২০২৬, ০৪:০০ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

পাঁচ লাখ টাকার চুক্তি, বোরখা পরে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরে আগুন দেয় পরিচ্ছন্নতা কর্মী: পুলিশ

রাজধানীর মিরপুরে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের স্টোররুমে লাগা আগুনটি সাধারণ কোনো দুর্ঘটনা নয়, বরং ‘উদ্দেশ্যমূলক’ নাশকতা ছিল বলে জানিয়েছে পুলিশ। পাঁচ লাখ টাকার চুক্তিতে বোরখা পরে সেখানে আগুন দেন আসমাউল ইসলাম নামের এক পরিচ্ছন্নতাকর্মী।

এ ঘটনায় জড়িত থাকার সন্দেহে তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি)।

শনিবার (০২ মে) রাতে ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে মিরপুর বিভাগের উপকমিশনার (ডিসি) মো. মোস্তাক সরকার এসব তথ্য জানান। 

তিনি জানান, শুক্রবার (১ মে) ভোরে অধিদপ্তরের দ্বিতীয় তলার স্টোররুমে ওই আগুনের ঘটনা ঘটে।

পুলিশের দেওয়া তথ্যমতে, ওই স্টোররুমে মাঠপর্যায়ে বিতরণের জন্য মোট ৭৩৫টি ল্যাপটপ রাখা ছিল। আগুনে ৩৩টা ল্যাপটপ আংশিক ক্ষতিগ্রস্থ, ২৯টি বেশি পুড়ে যায়, ১৪০টি ল্যাপটপ পুরোপুরি পুড়ে যায় আর ৪৫০টি ল্যাপটপ অক্ষত ছিল। হিসেব অনুযায়ী বাকি ৮৩টি ল্যাপটপের ‘হদিস মেলেনি’ বলে জানিয়েছে পুলিশ।

ডিসি মোস্তাক সরকার বলেন, ‘সিসিটিভি ফুটেজে কোনো কিছু সরানোর প্রমাণ পাওয়া যায়নি, তবে ৮৩টি ল্যাপটপের কোনো হদিস মিলছে না। আগুনে প্রায় ২ থেকে ৩ কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে আমরা জানতে পেরেছি।’

অগ্নিকাণ্ডের পরপরই তথ্যপ্রযুক্তি ও তদন্তের মাধ্যমে জড়িত একজনকে চিহ্নিত করে পুলিশ। তিনি হলেন মাস্টাররোলে কর্মরত পরিচ্ছন্নতাকর্মী আসমাউল ইসলাম। তাকে গ্রেপ্তারের পর প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আরও তিনজনের সংশ্লিষ্টতার কথা জানা যায়। আসমাউলের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে গ্রেপ্তার করা হয়েছে- স্টোর ইনচার্জ জিনাত আলী বিশ্বাস, মাস্টাররোলে কর্মরত স্টোরকিপার হুমায়ুন কবীর খান।

ডিসি মোস্তাক বলেন, হৃদয় নামের আরেক অভিযুক্তকে শনাক্ত করা হয়েছে, যাকে গ্রেপ্তারে অভিযান চলমান রয়েছে। আমরা বিষয়টি তদন্ত করছি। মূল যে মোটিভ এবং পরিকল্পনায় তাদের বাইরে আর কেউ আছে কি না সেগুলো বের করতে কাজ করছি। তাদেরকে হেফাজতে নিয়ে নিবিড়ভাবে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আদালতে আবেদন করব, আশা করি মূল মোটিভ উদ্ধার করতে সক্ষম হব।’

পুলিশ জানায়, স্টোররুমের মালামাল নষ্ট করার জন্য আসমাউলকে আর্থিক প্রলোভন দেখানো হয়েছিল। ডিসি মোস্তাক সরকার বলেন, ‘এই কাজের জন্য ৫ লাখ টাকার চুক্তি হয়েছিল, যার মধ্যে নগদ ৮০ হাজার টাকা ইতিমধ্যে পরিশোধ করা হয়েছে। সেই টাকা দিয়ে আসমাউল বিভিন্ন জিনিসপত্রও কিনেছেন।’

 

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়