শিরোনাম
◈ বিদ্যুৎ খাতে হযবরল, অলস সক্ষমতার বিপুল ভার মানুষের ওপর  ◈ মূল্যবৃদ্ধির চাপ ধনীদের ওপর, ৬৫ শতাংশ সাধারণ মানুষ সুরক্ষিত: তথ্যমন্ত্রী ◈ জুয়া নিয়ন্ত্রণে গোয়েন্দাদের বাড়তি ক্ষমতা, সন্দেহ হলেই তল্লাশি ও গ্রেপ্তার করতে পারবে, অপব্যবহারের আশঙ্কা বিশেষজ্ঞদের ◈ অনলাইন ঝড় থেকে রাজপথে: শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ দাবিতে দিল্লিতে ‘ককরোচ জনতা পার্টি’র বিক্ষোভ, থাকছেন সোনম ওয়াংচুক-ও ◈ ১১ দলীয় জোটে আবার ভাঙনের গুঞ্জন, বেরিয়ে গেছে বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলন, ১০ জুন আসতে পারে ঘোষণা ◈ পোষা বিড়াল কি বাড়ায় মানসিক রোগের ঝুঁকি? নতুন গবেষণায় আলোচনার ঝড়! ◈ দেশের বাজারে টানা দুই দফায় স্বর্ণের দাম কমেছে ভরিপ্রতি ৮ হাজার ৭৪৮ টাকা ◈ প্রথম সফরে মালয়েশিয়া কেন বেছে নিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান? : ইন্ডিয়া টুডের প্রতিবেদন ◈ শত্রু দেশ যুক্তরা‌স্ট্রে খেলা ইরা‌নের, দেশের মানুষের মুখে হাসি ফোটা‌তে মনপ্রাণ উজাড় ক‌রে খেল‌বেন ইরানি ফুটবলাররা ◈ বিদেশি ফ্রাঞ্চাইজি লি‌গে খেলার জন‌্য অবসর নেয়া বন্ধ কর‌তে কড়া নিয়ম আনার পথে বিসিসিআই

প্রকাশিত : ১৬ এপ্রিল, ২০২৬, ০৩:০৫ দুপুর
আপডেট : ০৬ জুন, ২০২৬, ০৫:০০ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

পদ্মা ব্যারেজ নির্মাণে ব্যয় ৩৪ হাজার কোটি টাকা, ২০৩৩ সালের মধ্যে বাস্তবায়নের লক্ষ্য

পদ্মা ব্যারেজ নির্মাণ প্রকল্পকে বর্তমান সরকার অগ্রাধিকার দিয়েছে। দেশের অন্যতম বড় অবকাঠামো নির্মাণে প্রস্তাবিত ব্যয় ধরা হয়েছে ৩৪ হাজার ৪৯৭ কোটি ২৫ লাখ টাকা। প্রকল্পটি বাস্তবায়নের সময়সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে ২০২৬ সাল থেকে ২০৩৩ সালের জুন পর্যন্ত।

আজ বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদের অধিবেশনে প্রশ্নোত্তর পর্বে এ তথ্য জানান পানি সম্পদ মন্ত্রী শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি।

সরকারদলীয় সংসদ সদস্য হারুন-অর-রশিদের প্রশ্নের জবাবে পানিসম্পদমন্ত্রী বলেন, পানি সম্পদ মন্ত্রণালয় হতে পদ্মা ব্যারেজ নির্মাণ প্রকল্পের ডিপিপি (প্রকল্প প্রণয়ন, অনুমোদন এবং বাস্তবায়নে নির্ধারিত বিস্তারিত প্রস্তাবনা) ইতিমধ্যে প্রণয়ন করে পরিকল্পনা কমিশনে পাঠানো হয়েছে। প্রকল্পটির প্রস্তাবিত ব্যয় নির্ধারণ করা হয়েছে ৩৪ হাজার ৪শ ৯৭ কোটি ২৫ লাখ টাকা। প্রকল্পটির বাস্তবায়নকাল ধরা হয়েছে ২০২৬ সাল হতে জুন ২০৩৩ পর্যন্ত।

সরকার দলীয় এমপি শামছুর রহমান শিমুল বিশ্বাসের আরেকটি প্রশ্নের জবাবে শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি বলেন, সরকারের ১৮০ দিনের কর্মসূচির আওতায় জুন ২০২৬ পর্যন্ত পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়, স্থানীয় সরকার বিভাগ ও কৃষি মন্ত্রণালয় এক হাজার ২০৪ কিলোমিটার খাল খনন অথবা পুনঃখনন করবে। দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় কর্তৃক জুন ২০২৬ পর্যন্ত কাবিখা, কাবিটা, টিআর এর মাধ্যমে ১৫০০ কিলোমিটার খাল পুনঃখনন অথবা সংস্কার হবে।

পানি সম্পদ মন্ত্রণালয় গৃহীত খাল খনন কর্মসূচির আওতায় চলতি অর্থবছরের জুন পর্যন্ত ৩৫৩ কিলোমিটার খাল পুনঃখননের সংস্থান রয়েছে। গত ৩১ মার্চ পর্যন্ত ১২৩ কিলোমিটার খাল পুনঃখনন শেষ হয়েছে। এ বিবেচনায় দৃশ্যমান অগ্রগতি শতকরা ৩৫ ভাগ। আগামী ১৮০ দিনের মধ্যে ২৯২ কিলোমিটার বাঁধ নির্মাণ, ৩১৬ কিলোমিটার নদ-নদীর ড্রেজিং ও ডুবোচর অপসারণ, ৮০০টি পানি নিয়ন্ত্রণ অবকাঠামো নির্মাণ, ২৫০ কিলোমিটার নদীতীর প্রতিরক্ষা কাজ চলমান আছে।

 

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়