শিরোনাম
◈ দে‌শের বিপর্যস্ত জনগণ ফে‌লে রাজনী‌তি থে‌কে বিশ্রা‌মে যা‌বো না: 'এই সময়' অনলাইনে শেখ হা‌সিনার সাক্ষাৎকার ◈ ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্ক: আস্থার সংকট কতটা গভীর? ◈ হরমুজ প্রণালি পুনরায় খুলে দেওয়ার ঘোষণা ইরানের, টোল নির্ধারণে ওমানের সঙ্গে যৌথ সিদ্ধান্ত ◈ এবা‌রের বিশ্বকা‌পে আ‌র্জেন্টিনা মেসিনির্ভর দল নয়: কোচ ◈ ‘৪,৮০০ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠানো হয়নি’, পশ্চিমবঙ্গ সরকারের দাবির জবাবে বিজিবি ◈ প্রস্তু‌তি ম‌্যা‌চে ওলিসের হ্যাটট্রিক, আয়ারল‌্যান্ড‌কে ৩-১ গো‌লে হারা‌লো ফ্রান্স ◈ শিক্ষাক্রমে বড় পরিবর্তন: বাংলা-ইতিহাসসহ কয়েকটি বিষয় বাদ, যুক্ত হচ্ছে এআই, বিদেশি ভাষা, ফ্রিল্যান্সিং ও কারিগরি শিক্ষা ◈ বিশ্বকাপে রোনালদো না মেসি, কে করবেন বেশি গোল? ভবিষ্যদ্বাণী এমবাপের ◈ ‌ফিফার ঘোষণা, বিশ্বকাপে চোটের অভিনয় করলেই শাস্তি ◈ কর্ণফুলী টানেল: দৈনিক আয় ১১ লাখ কিন্তু ব্যয় সাড়ে ৩৭ লাখ, লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে যানবাহন চলাচল ৭ গুণ কম

প্রকাশিত : ২৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ০৪:২৯ দুপুর
আপডেট : ০৭ জুন, ২০২৬, ০৫:০০ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ কার্যক্রমের সূচনা বগুড়ায়, উদ্বোধন ১০ মার্চ

ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করতে আগামী ১০ মার্চ বগুড়ায় আসছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) দুপুর সোয়া একটার দিকে শিবগঞ্জ উপজেলার ঐতিহাসিক মহাস্থানগড় এলাকায় অবস্থিত শাহ সুলতান বলখী (রহ.) এর মাজার প্রাঙ্গণে নামাজের আগে এক সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে এ তথ্য জানান স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, সরকারের ঘোষিত সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচির অংশ হিসেবে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ বিতরণ কার্যক্রমের সূচনা হবে বগুড়া থেকেই। প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তারেক রহমানের এটি হবে বগুড়ায় প্রথম সরকারি সফর। সফর ঘিরে ইতোমধ্যে জেলা প্রশাসন ও স্থানীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে প্রস্তুতি শুরু হয়েছে।

প্রাথমিকভাবে পরীক্ষামূলক কার্যক্রম পরিচালনার জন্য বগুড়া সদর উপজেলার শাখারিয়া ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডকে নির্বাচিত করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, সম্ভাব্য সুফলভোগী পরিবার চিহ্নিত করতে মাঠপর্যায়ে তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রম শুরু হয়েছে। দরিদ্র, হতদরিদ্র ও নিম্নবিত্ত পরিবারের প্রকৃত চিত্র নির্ধারণে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও প্রশাসনের সমন্বয়ে যাচাই-বাছাই চলছে।

কর্মসূচি সুষ্ঠুভাবে বাস্তবায়নের লক্ষ্যে জেলা প্রশাসককে সভাপতি করে জেলা পর্যায়ে এবং সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে সভাপতি করে উপজেলা পর্যায়ে পৃথক কমিটি গঠন করা হয়েছে। পাশাপাশি ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড পর্যায়েও মনিটরিং ও বাস্তবায়ন কমিটি করা হয়েছে, যাতে উপকারভোগী নির্বাচনে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা যায়।

জানা গেছে, ফ্যামিলি কার্ডধারী প্রতিটি পরিবার মাসে আড়াই হাজার টাকা করে আর্থিক সহায়তা পাবে। পরিবারের একজন নারী সদস্যকে কার্ডধারী হিসেবে নিবন্ধন করা হবে। সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, দেশের হতদরিদ্র, দরিদ্র ও নিম্নবিত্ত শ্রেণির নারীদের আর্থিক সক্ষমতা বাড়ানো এবং পরিবারভিত্তিক সামাজিক নিরাপত্তা জোরদার করাই এ উদ্যোগের মূল লক্ষ্য।

একটি ওয়ার্ডে যত পরিবার নির্ধারিত মানদণ্ড অনুযায়ী যোগ্য বিবেচিত হবে, তাদের সবাইকে ফ্যামিলি কার্ড দেয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। চার মাস মেয়াদি পাইলট প্রকল্পের মাধ্যমে কার্যকারিতা মূল্যায়ন করা হবে। সফলতা পাওয়া গেলে পর্যায়ক্রমে দেশের প্রতিটি উপজেলায় এ কর্মসূচি সম্প্রসারণের পরিকল্পনা রয়েছে।

 

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়