শিরোনাম
◈ কুমিল্লার নিমসার বাজার এলকায় অটোরিকশা শ্রমিকদের তাণ্ডব, পুলিশের গাড়ি ভাঙচুর (ভিডিও) ◈ যে কারণে ইসরায়েলে হামলার সময় ইরানের কোনও ক্ষেপণাস্ত্রই ঠেকায়নি যুক্তরাষ্ট্র! ◈ ব্যাংক অনুদানের অডিট ২০১৫-২৪: প্রধানমন্ত্রীর তহবিল ও হাসিনা-সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানে গেছে ১২৪৩ কোটি ◈ আমদানি নিরুৎসাহিত করতে নতুন বাজেটে যেসব পণ্যের দাম বাড়তে পারে! ◈ দে‌শের বিপর্যস্ত জনগণ ফে‌লে রাজনী‌তি থে‌কে বিশ্রা‌মে যা‌বো না: 'এই সময়' অনলাইনে শেখ হা‌সিনার সাক্ষাৎকার ◈ ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্ক: আস্থার সংকট কতটা গভীর? ◈ হরমুজ প্রণালি পুনরায় খুলে দেওয়ার ঘোষণা ইরানের, টোল নির্ধারণে ওমানের সঙ্গে যৌথ সিদ্ধান্ত ◈ এবা‌রের বিশ্বকা‌পে আ‌র্জেন্টিনা মেসিনির্ভর দল নয়: কোচ ◈ ‘৪,৮০০ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠানো হয়নি’, পশ্চিমবঙ্গ সরকারের দাবির জবাবে বিজিবি ◈ প্রস্তু‌তি ম‌্যা‌চে ওলিসের হ্যাটট্রিক, আয়ারল‌্যান্ড‌কে ৩-১ গো‌লে হারা‌লো ফ্রান্স

প্রকাশিত : ২৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ০৮:৪৫ সকাল
আপডেট : ০২ জুন, ২০২৬, ০৪:০০ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

প্রতি কিলোমিটারে ৩,৬১৮ কোটি টাকা খরচ, আগের চেয়ে দ্বিগুণ ব্যয় নতুন দুই মেট্রোরেলে

রাজধানীর নতুন দুটি মেট্রো রেল প্রকল্পের ব্যয় উত্তরা-মতিঝিল মেট্রোর চেয়ে দ্বিগুণের বেশি হয়ে দাঁড়িয়েছে। উত্তরা-মতিঝিল মেট্রো রেল নির্মাণে প্রতি কিলোমিটারে খরচ হয়েছিল ১,৫৭৪ কোটি টাকা, তবে নতুন দুই প্রকল্পে কিলোমিটারে খরচ ৩,৬১৮ কোটি টাকা। মোট অনুমোদিত ব্যয় দাঁড়াচ্ছে ১ লাখ ৮৪ হাজার ৫০০ কোটি টাকা।

নতুন দুই মেট্রো প্রকল্পের মধ্যে রয়েছে, এমআরটি লাইন-১ : কমলাপুর থেকে বিমানবন্দর পর্যন্ত (৩১ কিমি), এমআরটি লাইন-৫ (উত্তর) :হেমায়েতপুর থেকে মিরপুর ও গুলশান হয়ে ভাটারা পর্যন্ত (২০ কিমি)।

ডিএমটিসিএলের বিশ্লেষণে দেখা গেছে, ব্যয়ের এই বৃদ্ধির পেছনে মূল কারণ হলো দরপত্রে সীমিত প্রতিযোগিতা। ঠিকাদার নিয়োগে প্রতিযোগিতা প্রধানত জাপানি প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে সীমিত থাকায় খরচ বেড়ে গেছে। জাপানের উন্নয়ন সহযোগী সংস্থা জাইকা ঋণের শর্তে ঠিকাদার নিয়োগে জাপানি কোম্পানিগুলোকে অগ্রাধিকার দেয়।

উত্তরা-মতিঝিল মেট্রোর সম্প্রসারিত অংশ কমলাপুর পর্যন্ত যাবে, দৈর্ঘ্য ২১.২৬ কিমি, খরচ ৩৩,৪৭২ কোটি টাকা। নতুন লাইন-১ অনুমোদন পেয়েছে ২০১৯ সালের ডিসেম্বরে, প্রাথমিক ব্যয় ৫২,৫৬১ কোটি টাকা। ডিএমটিসিএলের বিশ্লেষণে ঠিকাদারদের দর অনুযায়ী প্রকল্পের ব্যয় দাঁড়াবে ৯৬,৫০০ কোটি টাকা। লাইন-৫ অনুমোদন পেয়েছে ২০১৯ সালের অক্টোবরে, প্রাথমিক ব্যয় ৪১,২৩৮ কোটি টাকা, কিন্তু ঠিকাদারের দর অনুযায়ী খরচ হবে ৮৮ হাজার কোটি টাকা।

ডিএমটিসিএল জানায়, বাস্তবায়নাধীন মেট্রো প্রকল্পের তুলনায় বাংলাদেশের ব্যয় অত্যন্ত বেশি। ভারতের মেট্রো প্রকল্পে প্রতি কিলোমিটারে ব্যয় ১৫০-৪৫০ কোটি টাকার মধ্যে।

ঠিকাদারদের অস্বাভাবিক ব্যয় প্রস্তাব ও সীমিত দরপত্র প্রতিযোগিতার কারণে মিরপুর থেকে কচুক্ষেত এবং কচুক্ষেত থেকে ভাটারা অংশে অতিরিক্ত খরচ বেড়ে গেছে। ডিএমটিসিএল সতর্ক করেছে যে, এই খরচ নিয়ন্ত্রণে আনতে দরপত্রে উন্মুক্ত প্রতিযোগিতা নিশ্চিত করা জরুরি।

বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক সামছুল হক বলেন, ঠিকাদার নিয়োগে প্রতিযোগিতা না থাকায় ব্যয় বেড়ে গেছে। নতুন সরকারের মূল কাজ হবে ব্যয় কমাতে ঋণের শর্ত পরিবর্তন করা।

জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান জানিয়েছেন, ক্ষমতায় এলে মেট্রো রেলের পাশাপাশি ঢাকায় মনোরেল চালু করা হবে। বর্তমান পরিস্থিতিতে নতুন সরকারকে ঠিকাদার নিয়োগ, প্রতিযোগিতা এবং ঋণের শর্ত সংশোধন নিয়ে দ্রুত সিদ্ধান্ত নিতে হবে।

সূত্র: ইত্তেফাক

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়