শিরোনাম
◈ প্রতি তিনজন স্নাতকের একজন বেকার: উদ্বেগ বাড়াচ্ছে শ্রমবাজার ◈ মাথাপিছু বরাদ্দ ৮ হাজার টাকা বাড়লেও বাড়ছে ঋণের দায় ◈ সস্তায় পেয়ে ৩৪ তলায় ফ্ল্যাট কিনেছিলেন, পরে জানলেন বাস্তবে কোনো অস্তিত্বই নেই ◈ বিসিবির প‌রিচালকরা কে কোন ক‌মি‌টির দায়িত্ব পে‌লেন ◈ নির্বাচনের আগে একটি দলকে ইসলামী ব্যাংক ১১ হাজার কোটি টাকা দিয়েছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ◈ পুশইন ঠেকাতে বেনাপোল সীমান্তে দেড়গুণ বাড়ানো হলো বিজিবি মোতায়েন ◈ ইসলামী ব্যাংক ইস্যুতে উত্তপ্ত সংসদ, ব্যাংকটি বিএনপি সরকারের হাতেই সবচেয়ে নিরাপদ: অর্থমন্ত্রী ◈ কী থাকবে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্তরে যুক্ত হতে যাওয়া নতুন চার বিষয়ের মধ্যে? ◈ ২১ বছরের অপেক্ষার অবসান, নাহিদ-মোসাদ্দেকের দাপটে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ঐতিহাসিক জয় ◈ এবার বাতিল হ‌লো ইরানের জন্য বরাদ্দ থাকা ‌বিশ্বকা‌পের টিকিটও

প্রকাশিত : ১১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ০১:১৯ রাত
আপডেট : ০৬ মে, ২০২৬, ০৪:০০ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

ভোটাররা কেন্দ্রে যা করতে পারবেন, যা পারবেন না

ক্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আর মাত্র ১ দিন বাকি। দেশজুড়েই চলছে ভোটের উত্তেজনা। এবারের নির্বাচনে ভোট দেবেন ১২ কোটি ৭৭ লাখ ১১ হাজার ৮৯৯ জন ভোটার। ইসির তথ্যানুযায়ী, মোট ভোটারের মধ্যে পুরুষ ভোটার ৬ কোটি ৪৮ লাখ ২৫ হাজার ১৫৪ জন এবং নারী ভোটার ৬ কোটি ২৮ লাখ ৮৫ হাজার ৫২৫ জন। এছাড়া, তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার রয়েছেন ১ হাজার ২২০ জন।

ভোটের দিন প্রার্থী, পোলিং এজেন্টসহ সংশ্লিষ্ট সবারই কিছু বিধিনিষেধ মেনে চলতে হবে। বাদ যাবেন না ভোটাররাও। ভোটকেন্দ্রে ঢোকার পর তাদের করণীয় কী এবং কী কী করা যাবে না সেগুলো তুলে ধরা হলো- 

ভোটারকে অবশ্যই সকাল সাড়ে ৭টা থেকে বিকেল সাড়ে ৪টার মধ্যে ভোটারকে নির্ধারিত কেন্দ্রে যেতে হবে। ৪টার আগে লাইনে দাঁড়ালে সময় শেষ হলেও ভোট দেয়ার সুযোগ পাবেন। ভোটার কেন্দ্রে ঢোকার সময় পার্স বাদে অন্য কোনো ব্যাগ নিয়ে ঢোকা যাবে না। ভোটার মোবাইল ফোন নিয়ে ভোটকেন্দ্রে যেতে পারবেন, ছবিও তুলতে পারবেন। তবে গোপন কক্ষে (মার্কিং প্লেসে) তা ব্যবহার করা যাবে না।

যেকোনো পোশাক পরে ভোট দিতে যাওয়া যাবে। তবে যদি নেকাব পরে থাকেন, তবে পোলিং এজেন্টের অনুরোধে একবারের জন্য সেটি খুলে ভোটারের পরিচয় নিশ্চিত করতে হতে পারে। কোনো রকম দাহ্য পদার্থ বা অস্ত্র নিয়ে ভোটারদের কেন্দ্রে প্রবেশ করা সম্পূর্ণ নিষেধ। ভোটারদের এনআইডি সঙ্গে রাখার কোনো বাধ্যবাধকতা নেই, তবে রাখলে শনাক্তকরণ প্রক্রিয়া সহজ হতে পারে।
 
ভোটারের নাম ও ক্রমিক নম্বর মিলিয়ে দেখার পর পোলিং অফিসার ভোটারের আঙুলে অমোচনীয় কালির দাগ দেবেন। আর  এরপর প্রিসাইডিং অফিসার বা পোলিং অফিসার ভোটারকে দুটি ব্যালট পেপার দেবেন একটি সংসদ নির্বাচন, অন্যটি গণভোট। ভোটারকে অবশ্যই ব্যালট পেপারের পেছনে অবশ্যই অফিশিয়াল সিল এবং প্রিসাইডিং অফিসারের স্বাক্ষর আছে কিনা দেখে নিতে হবে।
  
ব্যালট পেপার নেওয়ার প্রক্রিয়া শেষে ভোট প্রদানের জন্য নির্ধারিত গোপন কক্ষে যেতে হবে। ভোটের গোপনীয়তা রক্ষা এবং ভোটটি যেন বাতিল না হয়, সে জন্য ব্যালট ভাঁজ করা প্রত্যেক ভোটারের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
 
ব্যালটে পছন্দের প্রার্থীর প্রতীকের ওপর রাবার স্ট্যাম্প দিয়ে স্পষ্ট করে সিল দিতে হবে। গণভোটে হ্যাঁ/না ভোট আলাদা ব্যালটে সিল দিতে হবে। সিল দেওয়ার পর ব্যালট পেপার এমনভাবে ভাঁজ করতে হবে যেন সিলের কালি অন্য কোনো প্রতীকের ওপর না লাগে। সাধারণত লম্বালম্বিভাবে ভাঁজ করা নিরাপদ। ভাঁজ করা ব্যালট পেপারটি উন্মুক্তস্থানে রাখা সংশ্লিষ্ট স্বচ্ছ ব্যালট বাক্সে ফেলে ভোট দিতে হবে। ভোট প্রদান প্রক্রিয়া শেষে দ্রুত কেন্দ্র ত্যাগ করতে হবে। উৎস: সময়নিউজটিভি।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়