শিরোনাম
◈ মাথাপিছু বরাদ্দ ৮ হাজার টাকা বাড়লেও বাড়ছে ঋণের দায় ◈ সস্তায় পেয়ে ৩৪ তলায় ফ্ল্যাট কিনেছিলেন, পরে জানলেন বাস্তবে কোনো অস্তিত্বই নেই ◈ বিসিবির প‌রিচালকরা কে কোন ক‌মি‌টির দায়িত্ব পে‌লেন ◈ নির্বাচনের আগে একটি দলকে ইসলামী ব্যাংক ১১ হাজার কোটি টাকা দিয়েছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ◈ পুশইন ঠেকাতে বেনাপোল সীমান্তে দেড়গুণ বাড়ানো হলো বিজিবি মোতায়েন ◈ ইসলামী ব্যাংক ইস্যুতে উত্তপ্ত সংসদ, ব্যাংকটি বিএনপি সরকারের হাতেই সবচেয়ে নিরাপদ: অর্থমন্ত্রী ◈ কী থাকবে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্তরে যুক্ত হতে যাওয়া নতুন চার বিষয়ের মধ্যে? ◈ ২১ বছরের অপেক্ষার অবসান, নাহিদ-মোসাদ্দেকের দাপটে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ঐতিহাসিক জয় ◈ এবার বাতিল হ‌লো ইরানের জন্য বরাদ্দ থাকা ‌বিশ্বকা‌পের টিকিটও ◈ ইউপি নির্বাচনকে ‘টেস্ট কেস’ ভাবছে সরকার, আ.লীগ নেতাকর্মীদের অংশগ্রহণ নিয়ে নতুন আলোচনা

প্রকাশিত : ০১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ১১:১৯ রাত
আপডেট : ২৯ মে, ২০২৬, ০৯:০০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

চাচাকে বাবা সাজিয়ে মুক্তিযোদ্ধা কোটায় চাকরি নেওয়া সেই ইউএনও বরখাস্ত

মুক্তিযোদ্ধা কোটার অপব্যবহার করে চাচাকে বাবা সাজিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি ও বিসিএস প্রশাসন ক্যাডারে চাকরি নেওয়ার অভিযোগে করা মামলায় জেলে পাঠানো জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের জ্যেষ্ঠ সহকারী সচিব (ওএসডি) মো. কামাল হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করেছে সরকার।

আজ রোববার তাঁকে বরখাস্ত করে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়। চাঁপাইনবাবগঞ্জের নাচোলের ইউএনও থাকার সময় তাঁর বিরুদ্ধে এই মামলা করে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, কামাল হোসেন গত ২৮ জানুয়ারি ঢাকার মহানগর জ্যেষ্ঠ স্পেশাল জজকোর্টে হাজির হয়ে দুদকের মামলায় জামিন প্রার্থনা করলে আদালত শুনানি শেষে তাঁর জামিন নামঞ্জুর করে জেলহাজতে পাঠিয়েছেন। এ জন্য সরকারি চাকরি আইন অনুযায়ী তাঁকে ২৮ জানুয়ারি থেকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হলো। সাময়িক বরখাস্তকালে তিনি বিধি অনুযায়ী খোরপোষ ভাতা পাবেন।

চাঁপাইনবাবগঞ্জের নাচোল উপজেলায় ইউএনও হিসেবে কর্মরত থাকার সময় ২০২৪ সালের ২৬ ডিসেম্বর কামাল হোসেনের বিরুদ্ধে জালিয়াতির অভিযোগে দুদকের সমন্বিত জেলা কার্যালয় ঢাকা-১-এর উপসহকারী পরিচালক মো. মনজুরুল ইসলাম মিন্টু মামলার বাদী হয়ে মামলা করেন।

এজাহারে উল্লেখ বলা হয়, মুক্তিযোদ্ধা কোটার সুবিধা নিতে কামাল হোসেন তাঁর প্রকৃত বাবা মো. আবুল কাশেম ও মা মোছা. হাবিয়া খাতুনের পরিবর্তে নিজের চাচা বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আহসান হাবীব ও চাচি মোছা. সানোয়ারা খাতুনকে মা-বাবা হিসেবে দেখান। এই ভুয়া পরিচয়ের মাধ্যমে তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হন এবং পরে ৩৫তম বিসিএস পরীক্ষায় মুক্তিযোদ্ধা কোটায় প্রশাসন ক্যাডারে সুপারিশপ্রাপ্ত হয়ে চাকরি লাভ করেন।

 

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়