শিরোনাম
◈ ট্রাম্পের জন্য ‘বিশ্বাসের পরীক্ষা’: জব্দকৃত ২৪ বিলিয়ন ডলার ফেরত চায় ইরান ◈ বাংলাদেশ-তুরস্ক সম্পর্ক জোরদারে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে হাকান ফিদানের বৈঠক ◈ বিদ্যুৎ খাতে হযবরল, অলস সক্ষমতার বিপুল ভার মানুষের ওপর  ◈ মূল্যবৃদ্ধির চাপ ধনীদের ওপর, ৬৫ শতাংশ সাধারণ মানুষ সুরক্ষিত: তথ্যমন্ত্রী ◈ জুয়া নিয়ন্ত্রণে গোয়েন্দাদের বাড়তি ক্ষমতা, সন্দেহ হলেই তল্লাশি ও গ্রেপ্তার করতে পারবে, অপব্যবহারের আশঙ্কা বিশেষজ্ঞদের ◈ অনলাইন ঝড় থেকে রাজপথে: শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ দাবিতে দিল্লিতে ‘ককরোচ জনতা পার্টি’র বিক্ষোভ, থাকছেন সোনম ওয়াংচুক-ও ◈ ১১ দলীয় জোটে আবার ভাঙনের গুঞ্জন, বেরিয়ে গেছে বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলন, ১০ জুন আসতে পারে ঘোষণা ◈ পোষা বিড়াল কি বাড়ায় মানসিক রোগের ঝুঁকি? নতুন গবেষণায় আলোচনার ঝড়! ◈ দেশের বাজারে টানা দুই দফায় স্বর্ণের দাম কমেছে ভরিপ্রতি ৮ হাজার ৭৪৮ টাকা ◈ প্রথম সফরে মালয়েশিয়া কেন বেছে নিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান? : ইন্ডিয়া টুডের প্রতিবেদন

প্রকাশিত : ২৮ জানুয়ারী, ২০২৬, ০২:৩৬ দুপুর
আপডেট : ০৪ এপ্রিল, ২০২৬, ০১:০০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

যুক্তরাষ্ট্র সরকার বাংলাদেশের নির্বাচনে কোনো পক্ষ নেয় না : মার্কিন রাষ্ট্রদূত

মনিরুল ইসলাম :  যুক্তরাষ্ট্র সরকার বাংলাদেশের নির্বাচনে কোনো পক্ষ নেয় না। নির্বাচনের ফলাফল নির্ধারণ করার অধিকার বাংলাদেশের জনগণের। ভবিষ্যতে বাংলাদেশের জনগণ যে সরকার নির্বাচিত করবে, যুক্তরাষ্ট্র তার সঙ্গেই কাজ করতে প্রস্তুত রয়েছে।

বুধবার দুপুরে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিনের সঙ্গে বৈঠক শেষে মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন সাংবাদিকদের কাছে এসব কথা বলেন।

মার্কিন রাষ্ট্রদূত বলেন, সিইসির সঙ্গে আলোচনায় নির্বাচনের সামগ্রিক প্রক্রিয়া ও পদ্ধতি বিস্তারিতভাবে তুলে ধরা হয়েছে। তিনি বলেন, আমি আসন্ন নির্বাচন নিয়ে খুবই উচ্ছ্বসিত এবং নির্বাচনের দিকে তাকিয়ে আছি। রাষ্ট্রদূত স্পষ্ট করে বলেন, বাংলাদেশের নির্বাচনে যুক্তরাষ্ট্র কোনো পক্ষ নেবে না।

নির্বাচনের ফলাফল বাংলাদেশের জনগণের জন্য এবং একমাত্র বাংলাদেশের জনগণই তা নির্ধারণ করবেন। ভবিষ্যতে বাংলাদেশের জনগণ যে সরকার নির্বাচন করবে, যুক্তরাষ্ট্র সেই সরকারের সঙ্গেই কাজ করতে প্রস্তুত। তিনি আরও জানান, গত সপ্তাহে প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে বৈঠকেও নির্বাচনের দিনটি উৎসবমুখর হবে—এমন প্রত্যাশার কথা উঠে এসেছে। আমিও সেই আশাই করি। এটি যেন একটি উৎসবমুখর নির্বাচন হয়, যেখানে বাংলাদেশের জনগণ স্বাধীনভাবে তাদের মত প্রকাশ করতে পারবে এবং একটি সফল নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে, বলেন তিনি। প্রধান নির্বাচন কমিশনারের কাছ থেকে নির্বাচনী প্রস্তুতির অগ্রগতি জেনে সন্তোষ প্রকাশ করেন মার্কিন রাষ্ট্রদূত। এ সময় তিন সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল তার সঙ্গে উপস্থিত ছিল। বৈঠকে নির্বাচন কমিশনের সচিব আখতার আহমেদও অংশ নেন।

এদিকে, নির্বাচন কমিশনের সচিব আখতার আহমেদ সাংবাদিকদের জানান, সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের সার্বিক ব্যবস্থাপনা সম্পর্কে মার্কিন রাষ্ট্রদূত ও তার প্রতিনিধি দল বিস্তারিত জানতে চেয়েছেন। বিশেষ করে পোস্টাল ব্যালট পদ্ধতি নিয়ে তাদের আগ্রহ ছিল বেশি। তিনি বলেন, কিভাবে পোস্টাল ব্যালট আসবে, কোথায় জমা হবে, কীভাবে গণনা করা হবে—এসব বিষয়ে তারা জানতে চেয়েছেন। আমরা পোস্টাল ব্যালটের নমুনা দেখিয়েছি এবং সংসদ ও গণভোটের ব্যালট গণনার সময়সীমা ও প্রক্রিয়া ব্যাখ্যা করেছি। আখতার আহমেদ আরও জানান, মার্কিন প্রতিনিধি দল পোস্টাল ব্যালট ব্যবস্থাকে জটিল ও শ্রমসাধ্য উল্লেখ করে শুভকামনা জানিয়েছে। এছাড়া নির্বাচনী মাঠে আচরণবিধি বাস্তবায়ন ও লঙ্ঘনের ক্ষেত্রে কী ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে—সেসব বিষয়েও আগ্রহ দেখান মার্কিন রাষ্ট্রদূত।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়