শিরোনাম
◈ মাথাপিছু বরাদ্দ ৮ হাজার টাকা বাড়লেও বাড়ছে ঋণের দায় ◈ সস্তায় পেয়ে ৩৪ তলায় ফ্ল্যাট কিনেছিলেন, পরে জানলেন বাস্তবে কোনো অস্তিত্বই নেই ◈ বিসিবির প‌রিচালকরা কে কোন ক‌মি‌টির দায়িত্ব পে‌লেন ◈ নির্বাচনের আগে একটি দলকে ইসলামী ব্যাংক ১১ হাজার কোটি টাকা দিয়েছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ◈ পুশইন ঠেকাতে বেনাপোল সীমান্তে দেড়গুণ বাড়ানো হলো বিজিবি মোতায়েন ◈ ইসলামী ব্যাংক ইস্যুতে উত্তপ্ত সংসদ, ব্যাংকটি বিএনপি সরকারের হাতেই সবচেয়ে নিরাপদ: অর্থমন্ত্রী ◈ কী থাকবে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্তরে যুক্ত হতে যাওয়া নতুন চার বিষয়ের মধ্যে? ◈ ২১ বছরের অপেক্ষার অবসান, নাহিদ-মোসাদ্দেকের দাপটে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ঐতিহাসিক জয় ◈ এবার বাতিল হ‌লো ইরানের জন্য বরাদ্দ থাকা ‌বিশ্বকা‌পের টিকিটও ◈ ইউপি নির্বাচনকে ‘টেস্ট কেস’ ভাবছে সরকার, আ.লীগ নেতাকর্মীদের অংশগ্রহণ নিয়ে নতুন আলোচনা

প্রকাশিত : ২৬ জানুয়ারী, ২০২৬, ০৮:৫৬ রাত
আপডেট : ১০ জুন, ২০২৬, ১২:০০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

আদানির বিদ্যুৎ চুক্তি: ভারতীয় করপোরেট করের বোঝাও চাপানো হয়েছে বাংলাদেশের ওপর

আদানি পাওয়ারের কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে আমদানি করা বিদ্যুতের জন্য বাজারমূল্যের তুলনায় বেশি দাম দিতে হচ্ছে বাংলাদেশকে। সরকারের নিযুক্ত একটি উচ্চপর্যায়ের পর্যালোচনা কমিটির প্রতিবেদনের বরাতে রয়টার্স জানিয়েছে, আন্তর্জাতিক রীতির বাইরে গিয়ে ভারতীয় করপোরেট করের দায়ও চাপানো হয়েছে।

ভারতের ঝাড়খণ্ড রাজ্যের গোড্ডা বিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে সরবরাহ করা বিদ্যুতের দাম নিকটতম বেসরকারি প্রতিদ্বন্দ্বীর তুলনায় ৩৯ দশমিক ৭ শতাংশ বেশি ধরা হয়েছে। এছাড়া ভারত থেকে বিদ্যুৎ আমদানির বিভিন্ন চুক্তির মধ্যে এ প্রকল্পেই ব্যয় বৃদ্ধির হার সবচেয়ে বেশি বলে জানিয়েছে ন্যাশনাল রিভিউ কমিটি (এনআরসি)।

এনআরসি জানিয়েছে, এ মূল্য বৈষম্য ‘চুক্তির নির্দিষ্ট কিছু শর্তের ফল’ এবং চুক্তি প্রদানের প্রক্রিয়ায় ‘গুরুতর অনিয়মের প্রমাণ’ পাওয়া গেছে। রয়টার্স জানিয়েছে, বাংলাদেশ যে মূল্য দিচ্ছে, তা বাস্তবসম্মত মূল্যের তুলনায় প্রায় ৫০ শতাংশ বেশি।

এ বিষয়ে আদানি পাওয়ার জানায়, কমিটি তাদের সঙ্গে কোনো পরামর্শ করেনি বা প্রতিবেদনের কপি দেয়নি। তাই তারা এ নিয়ে মন্তব্য করতে পারবে না। এদিকে, গত মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) প্রস্তুত করা এনআরসির এ প্রতিবেদন এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হয়নি।

আদানি পাওয়ার জানিয়েছে, বড় অঙ্কের বকেয়া থাকা সত্ত্বেও তারা বাংলাদেশে বিদ্যুৎ সরবরাহ অব্যাহত রেখেছে। যেখানে অন্যান্য উৎপাদকরা সরবরাহ কমিয়েছে বা বন্ধ করে দিয়েছে। কোম্পানিটি বলছে, ‘আমাদের কার্যক্রমে প্রভাব পড়ছে। তাই আমরা বাংলাদেশ সরকারকে দ্রুত আমাদের বকেয়া পরিশোধের আহ্বান জানাচ্ছি।’

প্রতিবেদনে বিদ্যুৎ আমদানির চুক্তিগুলো পুনর্বিবেচনার আহ্বান জানিয়ে বলা হয়েছে, যাতে ‘সবচেয়ে আর্থিকভাবে ক্ষতিকর শর্তগুলো পুনরায় আলোচনার সুযোগ’ খুঁজে বের করা যায়।

এনআরসি আরও জানায়, বাংলাদেশের মোট বিদ্যুৎ সরবরাহের ১০ শতাংশেরও বেশি দেওয়া এই আদানি বিদ্যুৎকেন্দ্র ‘অতিরিক্ত দামে’ কয়লা ব্যবহার করছে এবং ভারতীয় করপোরেট করের বিল বাংলাদেশকে পরিশোধ করতে হচ্ছে।

এনআরসি জানিয়েছে, আন্তর্জাতিকভাবে প্রচলিত মান অনুযায়ী সাধারণত স্বাধীন বিদ্যুৎ উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানগুলো নিজ নিজ দেশের করপোরেট কর নিজেরাই বহন করে। কিন্তু প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আদানি পাওয়ার পারচেজ অ্যাগ্রিমেন্টে এ প্রচলন থেকে ব্যতিক্রম ঘটিয়ে ভারতের করপোরেট করের উপাদান বাংলাদেশে চার্জ করা হয়েছে; যা চুক্তির একটি বিতর্কিত দিক।

সূত্র: যুগান্তর

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়