শিরোনাম
◈ বাংলাদেশে ৪৮০০ জনকে প্রত্যাবাসনের দাবি, নতুন তথ্য দিলেন শুভেন্দু ◈ অবহেলা, প্রতারণা ও বিশ্বাসভঙ্গের অভিযোগে ড. ইউনূসসহ ৫ জনের বিরুদ্ধে মামলার আবেদন ◈ ইসলামী ব্যাংকে আস্থার সংকট: পাঁচ দিনে ইসলামী ব্যাংক থেকে উত্তোলন ৩৫০০ কোটি টাকা ◈ মামলা দায়েরের জন্য ১০ হাজার টাকা দাবি, লাশ নিয়ে থানা ঘেরাওয়ের পর এসআই প্রত্যাহার ◈ অস্ট্রেলিয়ার ভিসা ও চাকরি পাইয়ে দেওয়ার নামে লাখো টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে প্রতারক চক্র, আবেদনকারীদের সতর্কবার্তা ◈ ব্যাংকিং খাতে নতুন শর্ত: নতুন ও পুরোনো হিসাবেও লাগবে টিআইএন, আসছে বাজেটে প্রস্তাব ◈ দেশের বিভিন্ন জেলায় ভুয়া কমিটি গঠন ও প্রচারের অভিযোগ, বিএনপির মিডিয়া সেলের সতর্কবার্তা ◈ ঘোড়ার মাংস খাওয়া নিয়ে জয়া আহসানের রিট, যে নির্দেশ দিলেন হাইকোর্ট ◈ প্রতি মাসেই কিছু কোম্পানি বন্ধ হয়ে যাচ্ছে, আমিই তো ১০ হাজার কর্মী ছাঁটাই করব : শিল্পোদ্যোক্তা একে আজাদ (ভিডিও) ◈ সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য সুখবর, আসছে নতুন বেতন কাঠামো, বাজেটে বরাদ্দ ৩৫ হাজার কোটি!

প্রকাশিত : ০৫ ডিসেম্বর, ২০২৫, ০২:৩৩ দুপুর
আপডেট : ০৪ জুন, ২০২৬, ০৭:০০ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

জমি মালিকদের স্বস্তি: ৭ খতিয়ান বাতিল, একমাত্র খতিয়ান হবে বৈধ রেকর্ড

নতুন বছর শুরুর আগেই জমির আইনে বেশ কিছু পরিবর্তন এনেছে সরকার। প্রকৃত মালিক যাতে ক্ষতিগ্রস্ত না হয় সেকারণে দেশে সাতটি খতিয়ান সম্পূর্ণভাবে বাতিল হয়ে যাচ্ছে ২০২৬ সালের মধ্যে। এই সিদ্ধান্তের ফলে জমি ফিরে যাবে প্রকৃত মালিকের কাছে এবং দীর্ঘদিনের জমি সংক্রান্ত বিভ্রান্তির অবসান ঘটবে।

ভূমি মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, এই সাতটি খতিয়ান হলো: সিএস খতিয়ান, এসএ খতিয়ান, আরএস খতিয়ান, বিএস খতিয়ান, সিটি জরিপ, ডিপি খতিয়ান ও নামজারী খতিয়ান। এই খতিয়ানগুলোর মধ্যে ভুল তথ্য বা অন্যের নামে জমি রেকর্ড হওয়ার কারণে দীর্ঘদিন ধরে মালিকানা নিয়ে জটিলতা তৈরি হয়েছে।

বাতিলের মূল কারণ:

১. দ্বৈত খতিয়ান বা অন্যের নামে খতিয়ান: প্রকৃত মালিকের জমি ভুলবশত অন্যের নামে রেকর্ড হওয়া।
২. অবিভক্ত জমি: ভুল তথ্য দিয়ে নিজের নামে রেকর্ড করা।
৩. শিখস্তি সম্পত্তি: নদী ভাঙ্গনে ক্ষতিগ্রস্ত জমি পুনর্জাগরণের পর দখল।
৪. খাস জমি: সরকারি সম্পত্তি অনৈতিকভাবে দখল।
৫. অর্পিত সম্পত্তি: পতিত সম্পত্তি বা পররাষ্ট্রে থাকা ব্যক্তিদের জমি।
৬. উত্তরাধিকার সম্পত্তি ও আংশিক নামজারি: মৃত ব্যক্তির জমি নিয়ে প্রাপ্তির চেয়ে বেশি অংশ নিজের নামে নথিভুক্ত করা।
৭. জালিয়াতি বা দলিল-খতিয়ান অসঙ্গতি: খতিয়ান তৈরি হলেও মালিকানা দলিলের সাথে মিল নেই।

ভূমি মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, এই খতিয়ানগুলোর সমস্ত তথ্য বিডিএস (ডিজিটাল জরিপ) ও স্যাটেলাইট/ড্রোন প্রযুক্তি ব্যবহার করে পুনঃনিরীক্ষণ করা হবে। একবার জরিপ সম্পন্ন হলে, জমির প্রকৃত মালিকের নামে একমাত্র খতিয়ান থাকবে এবং যৌথ বা ভুল খতিয়ানের সুযোগ থাকবে না।

এই পদক্ষেপের ফলে না শুধু মালিকানা বিভ্রান্তি কমবে, বরং দেওয়ানী আদালতে মামলা এবং হেরফেরের ঝামেলাও কমানো সম্ভব হবে। সরকার আশা করছে, এটি ভূমি খাতকে আরও স্বচ্ছ ও ডিজিটালাইজড করে সাধারণ নাগরিকের জন্য সুবিধাজনক হবে।

 

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়