শিরোনাম
◈ বিদ্যুৎ খাতে হযবরল, অলস সক্ষমতার বিপুল ভার মানুষের ওপর  ◈ মূল্যবৃদ্ধির চাপ ধনীদের ওপর, ৬৫ শতাংশ সাধারণ মানুষ সুরক্ষিত: তথ্যমন্ত্রী ◈ জুয়া নিয়ন্ত্রণে গোয়েন্দাদের বাড়তি ক্ষমতা, সন্দেহ হলেই তল্লাশি ও গ্রেপ্তার করতে পারবে, অপব্যবহারের আশঙ্কা বিশেষজ্ঞদের ◈ অনলাইন ঝড় থেকে রাজপথে: শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ দাবিতে দিল্লিতে ‘ককরোচ জনতা পার্টি’র বিক্ষোভ, থাকছেন সোনম ওয়াংচুক-ও ◈ ১১ দলীয় জোটে আবার ভাঙনের গুঞ্জন, বেরিয়ে গেছে বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলন, ১০ জুন আসতে পারে ঘোষণা ◈ পোষা বিড়াল কি বাড়ায় মানসিক রোগের ঝুঁকি? নতুন গবেষণায় আলোচনার ঝড়! ◈ দেশের বাজারে টানা দুই দফায় স্বর্ণের দাম কমেছে ভরিপ্রতি ৮ হাজার ৭৪৮ টাকা ◈ প্রথম সফরে মালয়েশিয়া কেন বেছে নিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান? : ইন্ডিয়া টুডের প্রতিবেদন ◈ শত্রু দেশ যুক্তরা‌স্ট্রে খেলা ইরা‌নের, দেশের মানুষের মুখে হাসি ফোটা‌তে মনপ্রাণ উজাড় ক‌রে খেল‌বেন ইরানি ফুটবলাররা ◈ বিদেশি ফ্রাঞ্চাইজি লি‌গে খেলার জন‌্য অবসর নেয়া বন্ধ কর‌তে কড়া নিয়ম আনার পথে বিসিসিআই

প্রকাশিত : ১৬ অক্টোবর, ২০২৫, ১০:১৫ দুপুর
আপডেট : ৩১ মে, ২০২৬, ০১:০০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

দলিল বা নকশা লাগবে না মাত্র ৫টি কাগজ থাকলেই জমি আপনার

দলিল থাকুক বা না থাকুক, মাত্র পাঁচটি জিনিস নিশ্চিত করলেই জমির বৈধ মালিক হতে পারেন। সম্প্রতি প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশের জমির মালিকানা প্রক্রিয়ায় দলিলের অভাবই বাধা নয়। ভিডিও বা আর্টিকেলের মাধ্যমে বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, শুধু নিম্নলিখিত পাঁচটি বিষয় নিশ্চিত থাকলেই একজন ব্যক্তি জমির মালিকানা প্রমাণ করতে পারবেন।

১. হলফনামা ও সংশ্লিষ্ট সরকারি নথি
নাম, বয়স সংশোধনের জন্য হলফনামা, এনআইডি সার্টিফিকেট, পাসপোর্ট, জন্ম নিবন্ধন, দলিলের ভুল সংশোধনের হলফনামা, ধর্ম পরিবর্তনের জন্য হলফনামা, তালাক প্রত্যাহারের হলফনামা, যৌথ বিবাহের হলফনামা—এই ধরনের নথি জমির মালিকানা প্রমাণে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

২. খতিয়ান
খতিয়ান হলো ভূমি জরিপ চলাকালীন সময়ে মৌজা অনুসারে জমির মালিকানা, সীমানা, ঠিকানা, দাগ নম্বর, জমির পরিমাণ, খাজনার পরিমাণসহ যে নথি তৈরি হয়। এর মাধ্যমে জমির মালিকানা সরকারি রেকর্ডে প্রমাণ করা যায়।

৩. দখল
আইনে দখল হলো সম্পত্তির উপরে একজন ব্যক্তির কর্তৃত্বের অনুশীলন। দখল প্রমাণের মাধ্যমে মালিকানা সঠিকভাবে প্রতিষ্ঠিত হয়। এর তিনটি ধরন রয়েছে—প্রকৃত, গঠনমূলক এবং যৌথ দখল।

৪. খাজনা রশিদ
জমির খাজনা অনলাইনে পরিশোধের পর যে রশিদ পাওয়া যায়, সেটিই জমির খাজনা রশিদ। এটি বৈধ মালিকানা প্রমাণের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দস্তাবেজ।

৫. ডিসিআর (ডুপ্লিকেট কার্বন রশিদ)
ডকুমেন্ট চেঞ্জ রেকর্ড বা ডিসিআর হলো নামজারি ও সরকারের প্রাপ্য ফি পরিশোধের প্রমাণপত্র। এতে খতিয়ান নং, দাগ নং, জোত নং, দলিল নং, তারিখ এবং নামজারি সম্পর্কিত বিস্তারিত তথ্য থাকে।

একই সঙ্গে খতিয়ান ও ডিসিআর থাকলে জমি ভোগদখল এবং বেচাবিক্রিও করা সম্ভব। আইনের দিক থেকে, এই পাঁচটি নথি থাকলেই একজন ব্যক্তি বৈধভাবে জমির মালিক হিসেবে স্বীকৃতি পেতে পারেন।

তাই দলিলের অভাবেও চিন্তার কিছু নেই। শুধু নিশ্চিত করুন এই পাঁচটি বিষয়, আর জমির মালিকানা নিশ্চিত করুন। সূত্র: দৈনিক জনকণ্ঠ 

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়