শিরোনাম
◈ বিদ্যুৎ খাতে হযবরল, অলস সক্ষমতার বিপুল ভার মানুষের ওপর  ◈ মূল্যবৃদ্ধির চাপ ধনীদের ওপর, ৬৫ শতাংশ সাধারণ মানুষ সুরক্ষিত: তথ্যমন্ত্রী ◈ জুয়া নিয়ন্ত্রণে গোয়েন্দাদের বাড়তি ক্ষমতা, সন্দেহ হলেই তল্লাশি ও গ্রেপ্তার করতে পারবে, অপব্যবহারের আশঙ্কা বিশেষজ্ঞদের ◈ অনলাইন ঝড় থেকে রাজপথে: শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ দাবিতে দিল্লিতে ‘ককরোচ জনতা পার্টি’র বিক্ষোভ, থাকছেন সোনম ওয়াংচুক-ও ◈ ১১ দলীয় জোটে আবার ভাঙনের গুঞ্জন, বেরিয়ে গেছে বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলন, ১০ জুন আসতে পারে ঘোষণা ◈ পোষা বিড়াল কি বাড়ায় মানসিক রোগের ঝুঁকি? নতুন গবেষণায় আলোচনার ঝড়! ◈ দেশের বাজারে টানা দুই দফায় স্বর্ণের দাম কমেছে ভরিপ্রতি ৮ হাজার ৭৪৮ টাকা ◈ প্রথম সফরে মালয়েশিয়া কেন বেছে নিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান? : ইন্ডিয়া টুডের প্রতিবেদন ◈ শত্রু দেশ যুক্তরা‌স্ট্রে খেলা ইরা‌নের, দেশের মানুষের মুখে হাসি ফোটা‌তে মনপ্রাণ উজাড় ক‌রে খেল‌বেন ইরানি ফুটবলাররা ◈ বিদেশি ফ্রাঞ্চাইজি লি‌গে খেলার জন‌্য অবসর নেয়া বন্ধ কর‌তে কড়া নিয়ম আনার পথে বিসিসিআই

প্রকাশিত : ১১ অক্টোবর, ২০২৫, ০৭:২০ বিকাল
আপডেট : ০৫ মে, ২০২৬, ০৮:০০ সকাল

প্রতিবেদক : মনিরুল ইসলাম

১৫ সেনা কর্মকর্তাকে সেনা হেফাজতে, ১ কর্মকর্তার খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না, তিনি সকালে বাসা থেকে বের হয়েছেন, আর ফেরেননি: সেনা সদর

মানবতাবিরোধী অপরাধের পৃথক মামলায় গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি হওয়া ১৫ জন সেনা কর্মকর্তাকে সেনা হেফাজতে নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে সেনা সদর। একজন কর্মকর্তার খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না। তিনি সকালে বাসা থেকে বের হয়েছেন। এরপর আর ফেরেননি। তার খোঁজ নেওয়া হচ্ছে। 

আজ শনিবার বিকেলে সেনানিবাসের অফিসার্স মেসে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান সেনাবাহিনীর অ্যাডজুটেন্ট জেনারেল মেজর জেনারেল মো. হাকিমুজ্জামান। 

গ্রেপ্তারি পরোয়ানাভুক্ত সশস্ত্র বাহিনীতে কর্মরতরা হলেন- মেজর জেনারেল শেখ মো. সরওয়ার হোসেন, মেজর জেনারেল কবীর আহাম্মদ, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মাহবুবুর রহমান সিদ্দিকী, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আহমেদ তানভির মাজাহার সিদ্দিকী, কর্নেল আনোয়ার লতিফ খান, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. জাহাঙ্গীর আলম, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল তোফায়েল মোস্তফা সারোয়ার, কর্নেল কে এম আজাদ, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. কামরুল হাসান, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. মাহাবুব আলম, কর্নেল আবদুল্লাহ আল মোমেন, লেফটেন্যান্ট কর্নেল সারওয়ার বিন কাশেম, লেফটেন্যান্ট কর্নেল মশিউর রহমান জুয়েল এবং লেফটেন্যান্ট কর্নেল সাইফুল ইসলাম সুমন।

তিনি বলেন, 'আমাদের প্রত্যেক বছর সিলেকশন বোর্ড হয়। এটার শিডিউল ছিল ৫-১১ অক্টোবর পর্যন্ত। আমাদের প্রতিটি পদ প্রেসক্রাইব। আমাদের বোর্ড শেষ হয় ৮ অক্টোবর। এরপর হয় জেনারেলের কনফারেন্স।'

তিনি বলেন, '৮ তারিখে নামাজের এবং লাঞ্চ ব্রেকে জানতে পারি, ২৫ জন সাবেক ও বর্তমান সেনা কর্মকর্তার নামে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি হয়েছে। আজ পর্যন্ত কোনো গ্রেপ্তারি পরোয়ানা আমাদের হস্তগত হয়নি। আমরা এখন পর্যন্ত কোনো অনুলিপি পাইনি। ৮ তারিখে যাদের নাম এসেছে, তাদের মধ্যে অনেকে সাবেক ও অনেকে কর্মরত। তাদের ৯ তারিখের মধ্যে ঢাকা ক্যান্টমেন্টে সেনা হেফাজতে আনার জন্য বলা হয়। এটা সেনাবাহিনীর প্র্যাকটিস, যাদের নামে অভিযোগ ওঠে তাদের আমরা হেফাজতে নিই। এরপর বিচার প্রক্রিয়া শুরু করা হয়।'

তিনি আরও বলেন, '১৫ জনকে সেনা হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। একজন ৯ তারিখ সকালে বাসা থেকে বের হয়ে আর ফেরেননি। তার খোঁজ নেওয়া হচ্ছে। ডিজিএফআই, এনএসআই, বিজিবিসহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে বলা হয়েছে, ওই কর্মকর্তা যেন দেশত্যাগ করতে না পারেন।'

এক প্রশ্নের জবাবে মেজর জেনারেল মো. হাকিমুজ্জামান বলেন, 'গুম কমিশন করা হয়েছে। ...আমরা সর্বাত্মক সহযোগিতা করেছি, এখনো করে যাচ্ছি। সেনাবাহিনী বিচারের পক্ষে। ইনসাফের সঙ্গে কোনো কপ্রোমাইজ হবে না।' 

হেফাজতে থাকা সেনা কর্মকর্তাদের আগামী ২২ তারিখে আদালতে হাজির করা হবে কি না- এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, 'আমরা এটার একটা আইনগত ব্যবস্থা নেব।'

গুমের দায় সেনাবাহিনী নেবে কি না, এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, 'ডিজিএফআই অফিসে ২০০৭, ২০০৯, ২০১৪ এবং ২০১৫ সালে কী ঘটেছিল, সেটা আর্মি কীভাবে জানবে? আমরা কীভাবে জানবো?' 

অবসরপ্রাপ্ত যারা আছেন, তাদের কীভাবে গ্রেপ্তার করা হবে, এমন প্রশ্নে মো. হাকিমুজ্জামান বলেন, 'তারা চাইলে আমাদের হেফাজতে আসতে পারে। অথবা পুলিশের কাছে, অথবা আদালতে যেতে পারে।' 

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়