শিরোনাম
◈ বিদ্যুৎ খাতে হযবরল, অলস সক্ষমতার বিপুল ভার মানুষের ওপর  ◈ মূল্যবৃদ্ধির চাপ ধনীদের ওপর, ৬৫ শতাংশ সাধারণ মানুষ সুরক্ষিত: তথ্যমন্ত্রী ◈ জুয়া নিয়ন্ত্রণে গোয়েন্দাদের বাড়তি ক্ষমতা, সন্দেহ হলেই তল্লাশি ও গ্রেপ্তার করতে পারবে, অপব্যবহারের আশঙ্কা বিশেষজ্ঞদের ◈ অনলাইন ঝড় থেকে রাজপথে: শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ দাবিতে দিল্লিতে ‘ককরোচ জনতা পার্টি’র বিক্ষোভ, থাকছেন সোনম ওয়াংচুক-ও ◈ ১১ দলীয় জোটে আবার ভাঙনের গুঞ্জন, বেরিয়ে গেছে বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলন, ১০ জুন আসতে পারে ঘোষণা ◈ পোষা বিড়াল কি বাড়ায় মানসিক রোগের ঝুঁকি? নতুন গবেষণায় আলোচনার ঝড়! ◈ দেশের বাজারে টানা দুই দফায় স্বর্ণের দাম কমেছে ভরিপ্রতি ৮ হাজার ৭৪৮ টাকা ◈ প্রথম সফরে মালয়েশিয়া কেন বেছে নিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান? : ইন্ডিয়া টুডের প্রতিবেদন ◈ শত্রু দেশ যুক্তরা‌স্ট্রে খেলা ইরা‌নের, দেশের মানুষের মুখে হাসি ফোটা‌তে মনপ্রাণ উজাড় ক‌রে খেল‌বেন ইরানি ফুটবলাররা ◈ বিদেশি ফ্রাঞ্চাইজি লি‌গে খেলার জন‌্য অবসর নেয়া বন্ধ কর‌তে কড়া নিয়ম আনার পথে বিসিসিআই

প্রকাশিত : ০১ অক্টোবর, ২০২৫, ১২:৪২ রাত
আপডেট : ০৬ জুন, ২০২৬, ০৩:০০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

আনোয়ার টিভি, ঝামেলা টিভি প্রশ্নে যা বললেন আইজিপি

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভুয়া ও বিভ্রান্তিমূলক তথ্যের বিস্তার নিয়ে পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি)-কে প্রশ্ন করা হলে তিনি এ বিষয়ে নিজেদের 'অসহায়' অবস্থা তুলে ধরেন। তিনি উল্লেখ করেন, বাকস্বাধীনতার প্রশ্নে কঠোরতা এড়াতে গিয়ে তাদের 'অত্যাচারিত' হতে হচ্ছে।

আইজিপির মন্তব্যের মূল বিষয়গুলো নিচে তুলে ধরা হলো:

গুজবের বিস্তার ও জনমনে বিভেদ: একজন সাংবাদিক প্রশ্ন তোলেন যে, গত ১৫ মাসে 'আনোয়ার টিভি, ঝামেলা টিভি'র মতো বিভিন্ন মাধ্যমে সাইবার ক্রাইম, মিসইনফরমেশন ও ফেক নিউজ এতটাই বৃদ্ধি পেয়েছে যে জনমনে বিভেদ সৃষ্টি হচ্ছে। এর ফলে জনগণ সত্য-মিথ্যা এবং গুজব চিহ্নিত করতে পারছে না।

জবাবে আইজিপি স্বীকার করেন যে, মিসইনফরমেশন, ডিসইনফরমেশন এবং ফেক নিউজের এই জায়গাটায় তারা 'খুবই অসহায়'। তিনি জানান, সরকার 'ফ্রিডম অফ এক্সপ্রেশন'-এর ওপর কোথাও কোনো ধরনের হস্তক্ষেপ করতে চাই না এবং এই উদারতার কারণে তাদের 'অনেক বেশি ইনফ্যাক্ট অত্যাচারিত' হতে হচ্ছে।

আইজিপি উল্লেখ করেন যে, তারা ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে 'হার্ডলি এনি' বা কদাচিৎ মামলা রুজু করছেন। এর কারণ হিসেবে তিনি বলেন, বিগত ১৫ বছরের 'ফ্যাসিস্টের' সময়ে এই আইনের নামে যাকে তাকে আটক করা, অরেস্ট করা বা মামলায় দিয়ে জেল দেওয়া হতো। তিনি চান না যে সেই 'কলঙ্ক তিলক' বর্তমান আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর উপরে আসুক।

সমাজের ওপর দায়িত্ব: আইজিপি বলেন, এটি একটি 'ট্রাডিশনাল টাইম' এবং অন্তর্বর্তীকালীন সরকার অনেক বেশি উদার। তিনি মনে করেন, সমাজকেই ঠিক করতে হবে যে বাকস্বাধীনতাকে 'কতদূর পর্যন্ত আমরা নিব'। সূত্র: দেশটিভি

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়