শিরোনাম
◈ বাংলাদেশ-তুরস্ক সম্পর্ক জোরদারে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে হাকান ফিদানের বৈঠক ◈ বিদ্যুৎ খাতে হযবরল, অলস সক্ষমতার বিপুল ভার মানুষের ওপর  ◈ মূল্যবৃদ্ধির চাপ ধনীদের ওপর, ৬৫ শতাংশ সাধারণ মানুষ সুরক্ষিত: তথ্যমন্ত্রী ◈ জুয়া নিয়ন্ত্রণে গোয়েন্দাদের বাড়তি ক্ষমতা, সন্দেহ হলেই তল্লাশি ও গ্রেপ্তার করতে পারবে, অপব্যবহারের আশঙ্কা বিশেষজ্ঞদের ◈ অনলাইন ঝড় থেকে রাজপথে: শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ দাবিতে দিল্লিতে ‘ককরোচ জনতা পার্টি’র বিক্ষোভ, থাকছেন সোনম ওয়াংচুক-ও ◈ ১১ দলীয় জোটে আবার ভাঙনের গুঞ্জন, বেরিয়ে গেছে বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলন, ১০ জুন আসতে পারে ঘোষণা ◈ পোষা বিড়াল কি বাড়ায় মানসিক রোগের ঝুঁকি? নতুন গবেষণায় আলোচনার ঝড়! ◈ দেশের বাজারে টানা দুই দফায় স্বর্ণের দাম কমেছে ভরিপ্রতি ৮ হাজার ৭৪৮ টাকা ◈ প্রথম সফরে মালয়েশিয়া কেন বেছে নিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান? : ইন্ডিয়া টুডের প্রতিবেদন ◈ শত্রু দেশ যুক্তরা‌স্ট্রে খেলা ইরা‌নের, দেশের মানুষের মুখে হাসি ফোটা‌তে মনপ্রাণ উজাড় ক‌রে খেল‌বেন ইরানি ফুটবলাররা

প্রকাশিত : ১১ সেপ্টেম্বর, ২০২৫, ১২:১৭ দুপুর
আপডেট : ০৪ জুন, ২০২৬, ০৬:০০ বিকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

সরকারের চাঞ্চল্যকর সিদ্ধান্ত এসএ খতিয়ান বাতিল, মালিকানা পুনঃনির্ধারণ হবে যেভাবে (ভিডিও)

বাংলাদেশে ভূমি রেকর্ড প্রকাশ মানেই যেন নতুন করে বিতর্ক ও মালিকানা নিয়ে দ্বন্দ্বের সূত্রপাত। প্রকৃত মালিকদের অনেক সময় রেকর্ডে নাম না আসা এবং অন্যের নামে অন্তর্ভুক্ত হওয়ায় ভূমি মালিকদের আজীবন ভোগান্তির শিকার হতে হয়।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বাংলাদেশের সবচেয়ে বেশি সমস্যার সৃষ্টি হয়েছে এসএ (সার্ভে অ্যাটেস্টেড) রেকর্ডে। সিএস (ক্যাডাস্ট্রাল সার্ভে) রেকর্ডকে তুলনামূলকভাবে নির্ভুল ধরা হলেও এসএ রেকর্ডে ব্যাপক অনিয়ম ও দুর্নীতি হয়েছে। এমনকি প্রকৃত মালিকের সব কাগজপত্র ও দলিল থাকা সত্ত্বেও রেকর্ডে তার নাম বাদ দিয়ে অন্যের নাম অন্তর্ভুক্ত হওয়ার অসংখ্য অভিযোগ রয়েছে।

সরকার জানিয়েছে, অতীতে এনালগ পদ্ধতিতে রেকর্ড কার্যক্রম পরিচালিত হওয়ায় ব্যাপক ভুল ও কারচুপি হয়েছে। এজন্য রেকর্ড সংক্রান্ত মামলাগুলো দ্রুত নিষ্পত্তি এবং মালিকানা সংশোধনের জন্য ইতোমধ্যে আদালতকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। সরকারের লক্ষ্য, এক থেকে দুই বছরের মধ্যে এসব মামলা নিষ্পত্তি করে মালিকানা সংক্রান্ত জটিলতা দূর করা।

ভূমি বিশেষজ্ঞদের মতে, তিনটি বড় কারণে এসএ রেকর্ড বাতিল বা অবৈধ হিসেবে ধরা হচ্ছে
১. রেকর্ডধারীর নাম সিএস রেকর্ডের প্রকৃত মালিক বা তার উত্তরাধিকারীর সঙ্গে কোনো সম্পর্ক না থাকা।
২. জমি ক্রয় বা উত্তরাধিকার সূত্রে মালিকানা প্রমাণ না থাকা সত্ত্বেও রেকর্ডে নাম অন্তর্ভুক্ত হওয়া।
৩. উত্তরাধিকারীদের বঞ্চিত করে অতিরিক্ত জমি নিজের নামে রেকর্ড করে নেওয়া।

তাদের মতে, এসব ক্ষেত্রে সহজেই আদালতে মামলা করে প্রকৃত মালিকানা পুনরুদ্ধার সম্ভব।

তবে এসএ রেকর্ড নিয়ে বিতর্ক থাকলেও, যাদের মালিকানার কাগজপত্র সঠিক ও ধারাবাহিকতা বজায় আছে তাদের এসএ রেকর্ড বহাল থাকবে। বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, যথাযথ প্রমাণপত্র ও দলিলপত্র থাকলে এসএ রেকর্ড এখনো বাংলাদেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ভূমি রেকর্ড হিসেবেই গণ্য হবে।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়