শিরোনাম
◈ গভর্নর মোস্তাকুর রহমানের ১০০ দিন: স্থিতিশীলতা, সংস্কার ও প্রবৃদ্ধির নতুন সমীকরণ ◈ ভূমি কর্মকর্তাদের ২৫ জুনের মধ্যে সম্পদের হিসাব দেওয়ার নির্দেশ ভূমি মন্ত্রণালয়ের ◈ দ. এশিয়ার স্থিতিশীলতা ও শান্তির জন্য বাংলাদেশ ‘কৌশলগত গুরুত্বপূর্ণ’ দেশ: তুরস্ক ◈ ইউরোপের মাটিতে ইতিহাস, সান মারিনোর বিপক্ষে বাংলাদেশের জয় ◈ স্বর্ণের দামে বড় পতন বিশ্ববাজারে ◈ ডিপফেক-মিথ্যা তথ্য রোধে এআই নীতিমালা আনছে সরকার ◈ গুলশানে দুটি স্পা সেন্টারে পুলিশের অভিযান, ২৮ জন আটক ◈ হাদি হত্যা মামলায় জাবেরকে বাদী করার কারণ জানতে চান বোন মাসুমা ◈ বাজেট অধিবেশন ঘিরে সংসদ ভবন এলাকায় আগ্নেয়াস্ত্র বহন ও মিছিল-সমাবেশ নিষিদ্ধ ◈ এশিয়ান গেমস ক্রিকে‌টে বাংলা‌দেশসহ ১০ দল চূড়ান্ত, অ‌ক্টোব‌রে খেলা হ‌বে জাপা‌নে 

প্রকাশিত : ১৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ১২:০৭ রাত
আপডেট : ০২ জুন, ২০২৬, ০১:০০ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

হাসিনার নির্বাচনী পরিবেশের থেকে বাংলাদেশের পরিবেশ একেবারেই ভিন্ন: বিবিসি সাংবাদিকের রিপোর্ট

২০১৮ সালের নির্বাচনের সময় আমি বাংলাদেশে ছিলাম। তখন শেখ হাসিনা ক্ষমতায় ছিলেন। তখনকার (নির্বাচনী) পরিবেশ এখনকার থেকে একেবারেই ভিন্ন ছিল। ঢাকা ও দেশের অন্যান্য এলাকায় ঘুরে বেড়ানোর সময় দেখেছিলাম, ভোটকেন্দ্রে এজেন্ট, প্রচারসামগ্রী ও পোস্টার প্রায় একটিমাত্র দল- শেখ হাসিনার আওয়ামী লীগের। এক ধরনের সীমাবদ্ধ পরিবেশ ছিল। 

আমরা যখন মানুষের সঙ্গে কথা বলার চেষ্টা করতাম, তারা খোলাখুলি কথা বলতে ভয় পেতেন। এখন বাতাসটা আলাদা মনে হচ্ছে। আমরা যেসব ভোটারের সঙ্গে কথা বলেছি, তাদের অনেকের মধ্যেই স্পষ্ট উত্তেজনা ও প্রত্যাশা রয়েছে। বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের পোস্টার চোখে পড়ছে। 

অবশ্যই এই নির্বাচনে আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধ, যা ভোটটি সত্যিই অবাধ ও সুষ্ঠু কি না, সে প্রশ্নে একটি ছায়া ফেলেছে। গোপালগঞ্জে, যা আওয়ামী লীগের ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত, আমাদের এক সহকর্মী জানিয়েছেন বৃহস্পতিবার সকালে ভোটকেন্দ্রগুলো প্রায় ফাঁকাই ছিল। তবে ঢাকার ভোটকেন্দ্রগুলোতে প্রথম ঘণ্টার মধ্যেই অনেককে ভোট দিতে দেখা গেছে। আমাদের সঙ্গে কথা বলা কিছু ভোটার আশা প্রকাশ করেছেন, আজকের নির্বাচনের পর দেশে সত্যিকারের গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হবে। উৎস: মানবজমিন।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়