শিরোনাম
◈ বিদ্যুৎ খাতে হযবরল, অলস সক্ষমতার বিপুল ভার মানুষের ওপর  ◈ মূল্যবৃদ্ধির চাপ ধনীদের ওপর, ৬৫ শতাংশ সাধারণ মানুষ সুরক্ষিত: তথ্যমন্ত্রী ◈ জুয়া নিয়ন্ত্রণে গোয়েন্দাদের বাড়তি ক্ষমতা, সন্দেহ হলেই তল্লাশি ও গ্রেপ্তার করতে পারবে, অপব্যবহারের আশঙ্কা বিশেষজ্ঞদের ◈ অনলাইন ঝড় থেকে রাজপথে: শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ দাবিতে দিল্লিতে ‘ককরোচ জনতা পার্টি’র বিক্ষোভ, থাকছেন সোনম ওয়াংচুক-ও ◈ ১১ দলীয় জোটে আবার ভাঙনের গুঞ্জন, বেরিয়ে গেছে বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলন, ১০ জুন আসতে পারে ঘোষণা ◈ পোষা বিড়াল কি বাড়ায় মানসিক রোগের ঝুঁকি? নতুন গবেষণায় আলোচনার ঝড়! ◈ দেশের বাজারে টানা দুই দফায় স্বর্ণের দাম কমেছে ভরিপ্রতি ৮ হাজার ৭৪৮ টাকা ◈ প্রথম সফরে মালয়েশিয়া কেন বেছে নিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান? : ইন্ডিয়া টুডের প্রতিবেদন ◈ শত্রু দেশ যুক্তরা‌স্ট্রে খেলা ইরা‌নের, দেশের মানুষের মুখে হাসি ফোটা‌তে মনপ্রাণ উজাড় ক‌রে খেল‌বেন ইরানি ফুটবলাররা ◈ বিদেশি ফ্রাঞ্চাইজি লি‌গে খেলার জন‌্য অবসর নেয়া বন্ধ কর‌তে কড়া নিয়ম আনার পথে বিসিসিআই

প্রকাশিত : ১৩ মে, ২০২৬, ০৮:৫৮ রাত
আপডেট : ০৬ জুন, ২০২৬, ০১:০০ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

শুয়ে বই পড়লে হতে পারে চোখের বড় সমস্যা, সতর্ক করছেন বিশেষজ্ঞরা

বইপ্রেমীদের কাছে বই এক ভিন্ন জগৎ। কারও সকাল শুরু হয় সংবাদপত্র হাতে নিয়ে, আবার কেউ রাতের শেষটা কাটান বিছানায় শুয়ে প্রিয় উপন্যাস পড়ে।

অনেকেই বালিশে হেলান দিয়ে বা চিৎ হয়ে আরাম করে বই পড়তে পছন্দ করেন। রাতের শান্ত পরিবেশে বই পড়তে পড়তে ঘুমিয়ে পড়ার অভ্যাসও অনেকের মধ্যে দেখা যায়, ছোটদের মধ্যেও এটি কম নয়।

কিন্তু আরামদায়ক মনে হলেও শুয়ে শুয়ে বই পড়ার এই অভ্যাস আমাদের জন্য ক্ষতিকর। এটি ধীরে ধীরে চোখের জন্যও ক্ষতিকর হয়ে উঠতে পারে। কিন্তু এর পেছনে যুক্তি কী?

বিশেষজ্ঞদের মতে, ভুল ভঙ্গিতে দীর্ঘক্ষণ বই পড়লে চোখের পেশিতে অতিরিক্ত চাপ পড়ে। এতে চোখের সমস্যা ছাড়াও মাথাব্যথা, মানসিক অস্থিরতা এবং ঘুমের ব্যাঘাত ঘটতে পারে। তাই বই পড়া একটি ভালো অভ্যাস হলেও, সেটি সঠিক নিয়মে না করলে উপকারের বদলে ক্ষতির সম্ভাবনাই বেশি থাকে।

স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, আমরা সাধারণত বই পড়ার সময় চোখ থেকে প্রায় ১৫ ইঞ্চি দূরে বই ধরে পড়ি। এটাই স্বাভাবিক ও আরামদায়ক দূরত্ব। কিন্তু চিৎ হয়ে শুয়ে বই পড়ার সময় সেই দূরত্ব বজায় রাখা কঠিন হয়ে পড়ে। কারণ অনেকক্ষণ হাত উঁচু করে বই ধরে রাখলে হাতে ব্যথা হতে পারে। তাই বেশিরভাগ মানুষ বই বুকের ওপর নামিয়ে এনে পড়েন।

এ অবস্থায় চোখকে স্বাভাবিক দৃষ্টিপথের বাইরে নিচের দিকে ঘুরিয়ে দীর্ঘ সময় তাকিয়ে থাকতে হয়। ফলে চোখের পেশির একটি নির্দিষ্ট অংশের ওপর অতিরিক্ত চাপ পড়ে। ধীরে ধীরে এটি দৃষ্টিশক্তির ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে শুরু করে। চিকিৎসাবিজ্ঞানের ভাষায় এই সমস্যাকে বলা হয় ‘এসথেনোপিয়া’।

চলুন জেনে নেওয়া যাক নিয়ম না মেনে বই পড়লে যেসব সমস্যা হতে পারে-

  • বই সঠিক দূরত্বে রেখে না পড়লে চোখের ওপর বেশি চাপ পড়ে, ফলে দৃষ্টিশক্তি ঝাপসা হয়ে যেতে পারে।
  • চোখের আশপাশে রক্ত চলাচল কমে যেতে পারে।
  • শিশুদের ক্ষেত্রে অল্প বয়সেই চোখের পাওয়ার দ্রুত বাড়তে বা পরিবর্তিত হতে পারে।
  • চোখের অশ্রুগ্রন্থির তরল শুকিয়ে যেয়ে চোখের পেশির স্বাভাবিক কাজে বাধা সৃষ্টি করে।
  • চোখের চাপ থেকে মাথার পেশিতেও প্রভাব পড়ে, ফলে মাথাব্যথার সমস্যা বাড়তে পারে।
  • ঘুমের পরিমাণ কমে যেতে পারে এবং ঘুমের মানও খারাপ হতে পারে।
  • দীর্ঘদিন এ অভ্যাস চলমান রাখলে অ্যাংজাইটি ও অস্থিরতাও বাড়তে পারে।

শিশুদের ক্ষেত্রে বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন

ছোটদের অনেকেই বিছানায় উপুড় হয়ে বা কাত হয়ে শুয়ে বই পড়ে। কিন্তু এ বয়সে চোখ খুব সংবেদনশীল থাকে। তাই ভুল ভঙ্গিতে দীর্ঘ সময় বই পড়লে চোখের পাওয়ার দ্রুত বদলে যেতে পারে। এজন্য শিশুদের বই পড়ার সময় সঠিক ভঙ্গিতে বসার অভ্যাস গড়ে তোলা জরুরি।

বই পড়াকে যেভাবে নিরাপদ করবেন

বিশেষজ্ঞদের মতে, বই পড়ার সময় সোজা হয়ে বসা সবচেয়ে ভালো। পর্যাপ্ত আলো থাকতে হবে এবং বই চোখ থেকে নির্দিষ্ট দূরত্বে রাখতে হবে। দীর্ঘ সময় একটানা বই না পড়ে মাঝেমধ্যে চোখকে বিশ্রাম দেওয়াও জরুরি। তাই বিরতি দিয়ে দিয়ে বই পড়তে হবে।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়