শিরোনাম
◈ বিদ্যুৎ খাতে হযবরল, অলস সক্ষমতার বিপুল ভার মানুষের ওপর  ◈ মূল্যবৃদ্ধির চাপ ধনীদের ওপর, ৬৫ শতাংশ সাধারণ মানুষ সুরক্ষিত: তথ্যমন্ত্রী ◈ জুয়া নিয়ন্ত্রণে গোয়েন্দাদের বাড়তি ক্ষমতা, সন্দেহ হলেই তল্লাশি ও গ্রেপ্তার করতে পারবে, অপব্যবহারের আশঙ্কা বিশেষজ্ঞদের ◈ অনলাইন ঝড় থেকে রাজপথে: শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ দাবিতে দিল্লিতে ‘ককরোচ জনতা পার্টি’র বিক্ষোভ, থাকছেন সোনম ওয়াংচুক-ও ◈ ১১ দলীয় জোটে আবার ভাঙনের গুঞ্জন, বেরিয়ে গেছে বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলন, ১০ জুন আসতে পারে ঘোষণা ◈ পোষা বিড়াল কি বাড়ায় মানসিক রোগের ঝুঁকি? নতুন গবেষণায় আলোচনার ঝড়! ◈ দেশের বাজারে টানা দুই দফায় স্বর্ণের দাম কমেছে ভরিপ্রতি ৮ হাজার ৭৪৮ টাকা ◈ প্রথম সফরে মালয়েশিয়া কেন বেছে নিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান? : ইন্ডিয়া টুডের প্রতিবেদন ◈ শত্রু দেশ যুক্তরা‌স্ট্রে খেলা ইরা‌নের, দেশের মানুষের মুখে হাসি ফোটা‌তে মনপ্রাণ উজাড় ক‌রে খেল‌বেন ইরানি ফুটবলাররা ◈ বিদেশি ফ্রাঞ্চাইজি লি‌গে খেলার জন‌্য অবসর নেয়া বন্ধ কর‌তে কড়া নিয়ম আনার পথে বিসিসিআই

প্রকাশিত : ০৯ মে, ২০২৬, ১০:৪১ দুপুর
আপডেট : ০৬ জুন, ২০২৬, ০১:০০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

পাকা আমের আঁটিতে লুকিয়ে আছে নানা স্বাস্থ্যগুণ

আম অনেকের প্রিয় ফল। তবে শুধু আম নয়, এর আঁটিতেও লুকিয়ে থাকতে পারে নানা স্বাস্থ্যগুণ। বিশেষজ্ঞদের মতে, আমের আঁটির গুঁড়ো কোলেস্টেরল কমানো থেকে শুরু করে হজমের সমস্যাতেও উপকারে আসতে পারে। যে অংশটিকে সাধারণত ফেলে দেওয়া হয়, সেটিই হতে পারে শরীর ভালো রাখার এক প্রাকৃতিক উপাদান।

গরমকালে আম খান না, এমন বাঙালি পাওয়া কষ্টকর। হয়তো যার মুখে পাকা আম মিষ্টি লাগে, সে লবণ-তেল মেখে কাঁচা আম খেতে ভালোবাসে। কেউ হয়তো ডালে আম ভালোবাসে, কেউ বা ভালোবাসে আমের শরবত। কিন্তু এই সব রকমের মানুষই যে কথায় সহমত হবেন, তা হলো আমের আঁটি কোনো কাজেই লাগে না। তা দিয়ে বাঁশি বানানো গেলেও যেতে পারে, তবে কাজের কাজ হয় না কিছুই!

আয়ুর্বেদ কিন্তু বলছে অন্য কথা। সেই শাস্ত্র মতে, অতি সাধারণ দেখতে শুষ্ক আমের আঁটির গুণ এমনই যে তা দিয়ে সারানো সম্ভব জটিল রোগ! কিন্তু শুকনো খটখটে আঁটি খাওয়া যায় কীভাবে? শরীরের কোন রোগেই বা কাজে দেবে? জেনে নেওয়া যাক এবার।

কীভাবে খাওয়া যায় আমের আঁটি?

আমটি পাকা হওয়া জরুরি। তা থেকে আমের বীজ অর্থাৎ আঁটি বের করে রোদে শুকিয়ে নিতে হবে। রোদের নাগাল না পাওয়া গেলে শুকানো যায় এয়ারফ্রায়ারেও। তারপর তা মিহি গুঁড়ো করে সংরক্ষণ করুন কাচের শিশিতে। উষ্ণ পানিতে ১ গ্রাম আঁটির গুঁড়ো মিশিয়ে খাওয়া যেতে পারে। অথবা রুটি তৈরির আগে মেখে নেওয়া যায় আটার সঙ্গে। অনেকে আবার সরু ফালি করে, তা রোস্ট করে স্ন্যাকস হিসেবে খান। তবে তা বোধহয় খানিক অসুবিধাজনক। রোস্টের ফলে খাদ্যগুণ নষ্টও হতে পারে।

কীভাবে তা কাজে লাগে স্বাস্থ্য গঠনে?

১. সুগারের রোগীরা পাকা আম এড়িয়ে চলেন। আঁটির গুঁড়ো কিন্তু খেতেই পারেন তারা। আয়ুর্বেদ মতে, এতে ইনসুলিন উৎপাদনে সাহায্য হয়। রক্তক্ষরণ বন্ধ হয়। এতে থাকে ম্যাঞ্জিফেরিন, যা মানবশরীরে এক গুরুত্বপূর্ণ অ্যান্টি-অক্সিডেন্টের ভূমিকা পালন করে।

২. আমের আঁটিতেও ভরপুর ভিটামিন সি, ফ্ল্যাভনয়েড, ফেনোলিক অ্যাসিড থাকে। ফলে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে, পরোক্ষভাবে ক্যান্সারের ঝুঁকি কমে। ডায়রিয়া-আমাশয়ে দুর্দান্ত কাজ দেয় এই আয়ুর্বেদিক টোটকা। এমনকি কাজ দেয় পেটের অ্যাসিড কমাতেও।

৩. নিয়মিত আমের আঁটির গুঁড়ো খেলে কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে রাখতে সহায়তা মিলতে পারে এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাও বাড়তে পারে। তাই যেসব বয়স্ক মানুষ খাদ্যাভ্যাসে নানা বিধিনিষেধ মেনে চলেন, তারাও চাইলে পরিমিতভাবে এই পাউডার খাদ্যতালিকায় রাখতে পারেন।

প্রাথমিকভাবে আমের আঁটির গুঁড়ো তৈরি একটু ঝামেলার মনে হলেও, একবার তা দৈনিক ডায়েটে জুড়ে নেওয়া গেলে, অভ্যাস হতে সময় লাগে না। শরীরও ভালো থাকে ভেতর থেকে।

সূত্র : সংবাদ প্রতিদিন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়