শিরোনাম
◈ ট্রাম্পের জন্য ‘বিশ্বাসের পরীক্ষা’: জব্দকৃত ২৪ বিলিয়ন ডলার ফেরত চায় ইরান ◈ বাংলাদেশ-তুরস্ক সম্পর্ক জোরদারে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে হাকান ফিদানের বৈঠক ◈ বিদ্যুৎ খাতে হযবরল, অলস সক্ষমতার বিপুল ভার মানুষের ওপর  ◈ মূল্যবৃদ্ধির চাপ ধনীদের ওপর, ৬৫ শতাংশ সাধারণ মানুষ সুরক্ষিত: তথ্যমন্ত্রী ◈ জুয়া নিয়ন্ত্রণে গোয়েন্দাদের বাড়তি ক্ষমতা, সন্দেহ হলেই তল্লাশি ও গ্রেপ্তার করতে পারবে, অপব্যবহারের আশঙ্কা বিশেষজ্ঞদের ◈ অনলাইন ঝড় থেকে রাজপথে: শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ দাবিতে দিল্লিতে ‘ককরোচ জনতা পার্টি’র বিক্ষোভ, থাকছেন সোনম ওয়াংচুক-ও ◈ ১১ দলীয় জোটে আবার ভাঙনের গুঞ্জন, বেরিয়ে গেছে বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলন, ১০ জুন আসতে পারে ঘোষণা ◈ পোষা বিড়াল কি বাড়ায় মানসিক রোগের ঝুঁকি? নতুন গবেষণায় আলোচনার ঝড়! ◈ দেশের বাজারে টানা দুই দফায় স্বর্ণের দাম কমেছে ভরিপ্রতি ৮ হাজার ৭৪৮ টাকা ◈ প্রথম সফরে মালয়েশিয়া কেন বেছে নিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান? : ইন্ডিয়া টুডের প্রতিবেদন

প্রকাশিত : ১৪ এপ্রিল, ২০২৬, ১০:১৮ দুপুর
আপডেট : ০৩ জুন, ২০২৬, ১১:০০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

সপ্তাহে কত ঘণ্টার বেশি কাজ করা ঝুঁকিপূর্ণ? জেনে নিন

আজকের দ্রুতগতির এবং ব্যস্ত জীবনযাত্রায় আমরা প্রায় সবাই ডেডলাইন, অফিসের চাপ, টার্গেট ও মিটিংয়ের মধ্যে এক ধরনের নিরন্তর দৌড়ে আছি। সকাল থেকে রাত পর্যন্ত কাজের চাপ এতটাই বেশি যে ২৪ ঘণ্টাও অনেক সময় যথেষ্ট মনে হয় না।

অনেকেই বিশ্বাস করেন, যত বেশি কাজ করা যায় তত বেশি সফল হওয়া যায়। কিন্তু বাস্তবে বিষয়টি কি এতটা সরল? এই অতিরিক্ত ব্যস্ততা আমাদের শরীর ও বিশেষ করে মস্তিষ্কের ওপর কী ধরনের প্রভাব ফেলছে, তা কি আমরা বুঝতে পারছি?

বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে, দীর্ঘ সময় কাজ করলে শুধু ক্লান্তিই বাড়ে না, এটি মানসিক স্বাস্থ্য, মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা এবং হৃদযন্ত্রের স্বাস্থ্যের ওপরও নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।

আদর্শ কর্মঘণ্টা কত?

বিশ্বব্যাপী সাধারণভাবে দিনে ৮ ঘণ্টা কাজকে আদর্শ ধরা হয়। এটি ‘৮ ঘণ্টা কাজ, ৮ ঘণ্টা বিশ্রাম, ৮ ঘণ্টা ঘুম’—এই ভারসাম্যের ধারণার ওপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছে, যা শরীর ও মস্তিষ্ককে সুস্থ রাখতে সাহায্য করে।

গবেষণা অনুযায়ী, ৮ ঘণ্টার বেশি কাজ করলে উৎপাদনশীলতা ধীরে ধীরে কমতে শুরু করে, কারণ মস্তিষ্কের একাগ্রতা দীর্ঘ সময় ধরে একইভাবে বজায় রাখা সম্ভব হয় না।

অতিরিক্ত কাজের প্রভাব

দৈনিক কাজের সময় ৮ ঘণ্টার বেশি হলে এবং সপ্তাহে প্রায় ৫০–৫৫ ঘণ্টার বেশি কাজ করলে শরীর ও মনের ওপর নানা ক্ষতিকর প্রভাব দেখা দিতে পারে।

মস্তিষ্কের কর্মক্ষমতা কমে যায়:

দীর্ঘ সময় কাজ করলে সিদ্ধান্ত নেওয়া, মনোযোগ ধরে রাখা এবং সমস্যা সমাধানের ক্ষমতা কমে।

মানসিক চাপ ও উদ্বেগ বাড়ে:

অতিরিক্ত কাজ স্ট্রেস হরমোন বাড়িয়ে দেয়, যা দীর্ঘমেয়াদে উদ্বেগ, ক্লান্তি ও হতাশার ঝুঁকি বাড়াতে পারে।

হৃদরোগ ও স্ট্রোকের ঝুঁকি বৃদ্ধি পায়:

প্রচণ্ড কাজের চাপ ও দীর্ঘ কর্মঘণ্টা রক্তচাপ বাড়িয়ে হৃদযন্ত্রের ওপর অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি করতে পারে, ফলে হৃদরোগ ও স্ট্রোকের ঝুঁকি বেড়ে যায়।

ঘুমের সমস্যা দেখা দেয়:

অতিরিক্ত চাপের কারণে শরীর পর্যাপ্ত বিশ্রাম নিতে পারে না, ফলে অনিদ্রা ও ঘুমের মান কমে যায়।

সাপ্তাহিক আদর্শ কাজের সময়

বিশেষজ্ঞদের মতে, সপ্তাহে প্রায় ৪০ ঘণ্টা কাজ করা সবচেয়ে উপযুক্ত। পাশাপাশি প্রতিটি কাজের সেশনের মাঝে ছোট বিরতি নেওয়া মনোযোগ ও উৎপাদনশীলতা বাড়াতে সাহায্য করে।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়