শিরোনাম
◈ বাংলাদেশ-তুরস্ক সম্পর্ক জোরদারে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে হাকান ফিদানের বৈঠক ◈ বিদ্যুৎ খাতে হযবরল, অলস সক্ষমতার বিপুল ভার মানুষের ওপর  ◈ মূল্যবৃদ্ধির চাপ ধনীদের ওপর, ৬৫ শতাংশ সাধারণ মানুষ সুরক্ষিত: তথ্যমন্ত্রী ◈ জুয়া নিয়ন্ত্রণে গোয়েন্দাদের বাড়তি ক্ষমতা, সন্দেহ হলেই তল্লাশি ও গ্রেপ্তার করতে পারবে, অপব্যবহারের আশঙ্কা বিশেষজ্ঞদের ◈ অনলাইন ঝড় থেকে রাজপথে: শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ দাবিতে দিল্লিতে ‘ককরোচ জনতা পার্টি’র বিক্ষোভ, থাকছেন সোনম ওয়াংচুক-ও ◈ ১১ দলীয় জোটে আবার ভাঙনের গুঞ্জন, বেরিয়ে গেছে বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলন, ১০ জুন আসতে পারে ঘোষণা ◈ পোষা বিড়াল কি বাড়ায় মানসিক রোগের ঝুঁকি? নতুন গবেষণায় আলোচনার ঝড়! ◈ দেশের বাজারে টানা দুই দফায় স্বর্ণের দাম কমেছে ভরিপ্রতি ৮ হাজার ৭৪৮ টাকা ◈ প্রথম সফরে মালয়েশিয়া কেন বেছে নিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান? : ইন্ডিয়া টুডের প্রতিবেদন ◈ শত্রু দেশ যুক্তরা‌স্ট্রে খেলা ইরা‌নের, দেশের মানুষের মুখে হাসি ফোটা‌তে মনপ্রাণ উজাড় ক‌রে খেল‌বেন ইরানি ফুটবলাররা

প্রকাশিত : ১১ ডিসেম্বর, ২০২৫, ০৯:৪৩ সকাল
আপডেট : ৩১ মে, ২০২৬, ০৩:০০ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

রমজান ছাড়াও সারা বছর খেজুর খেলে মিলবে ৭ স্বাস্থ্য উপকারিতা

খেজুরকে আমরা অনেকেই শুধু রমজানের খাবার হিসেবেই ভাবি। অথচ এই মরুফলের প্রকৃত শক্তি রমজানেই সীমাবদ্ধ নয় বরং সারা বছর আপনার শরীরকে সুস্থ রাখতে অবিশ্বাস্যভাবে কাজ করে যায়। বাজারে এখন সারা বছরই বিভিন্ন প্রজাতির খেজুর সহজে পাওয়া যায়, কিন্তু এর জনপ্রিয়তা রমজানের বাইরেও হওয়া উচিত। কারণ ক্ষুদ্র এই ফলটিতে লুকিয়ে আছে এমন সাতটি চিকিৎসাগুণ, যা একাধিক সাধারণ ও জটিল রোগ প্রতিরোধে প্রকৃত অর্থেই ‘মহাঔষধ’ হিসেবে কাজ করে।

১. তাত্ক্ষণিক শক্তির জোগানদার

খেজুরের সবচেয়ে বড় বৈশিষ্ট্য হলো এর প্রাকৃতিক চিনির শক্তি গ্লুকোজ, ফ্রুক্টোজ ও সুক্রোজ শরীরে দ্রুত শর্করা সরবরাহ করে। ক্লান্তি, অবসাদ বা দুর্বলতা কাটাতে এক-দু’টি খেজুরই যথেষ্ট। এটি শরীরকে সতেজ করে এবং কাজে ফেরার শক্তি জোগায় মুহূর্তেই।

২. রক্তস্বল্পতা দূর করতে কার্যকর

অ্যানিমিয়ায় ভোগা ব্যক্তিদের জন্য খেজুর একটি উৎকৃষ্ট প্রাকৃতিক উৎস। এতে থাকা আয়রন হিমোগ্লোবিন বাড়াতে সাহায্য করে, ফলে রক্তচাপ, রক্তসঞ্চালন ও অক্সিজেন সরবরাহ স্বাভাবিক থাকে। নিয়মিত খেলে শরীরের দূর্বলতা ও মাথা ঘোরা কমে।

৩. কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণ করে

খেজুরে নেই কোনো খারাপ কোলেস্টেরল বা অতিরিক্ত চর্বি। বরং এটি শরীরের ক্ষতিকর এলডিএল কোলেস্টেরল কমাতে সহায়তা করে। নিয়মিত খেলে চর্বিভিত্তিক অস্বাস্থ্যকর খাবারের চাহিদাও কমে, যা হৃদ্‌রোগের ঝুঁকি কমাতে ভূমিকা রাখে।

৪. ওজন নিয়ন্ত্রণে সহায়ক

খেজুর ক্ষুধার অনুভূতি কমিয়ে পেট ভরায়, অথচ অতিরিক্ত ক্যালোরি যোগ করে না। তাই অতিরিক্ত খাওয়া নিয়ন্ত্রণ, খাদ্যাভ্যাস ঠিক রাখা এবং ওজন কমাতে এটি একটি প্রাকৃতিক ও নিরাপদ সমাধান।

৫. হজমশক্তি বৃদ্ধিতে দুর্দান্ত

ভারি খাবার খাওয়ার পর অস্বস্তি, গ্যাস বা ঢেকুরের সমস্যা হলে খেজুর পাকস্থলীর কার্যক্রমকে সাবলীল করে। এটি হজম সহজ করে এবং প্রয়োজনীয় পুষ্টি শোষণে শরীরকে সাহায্য করে।

৬. কোষ্ঠকাঠিন্য ও ডায়রিয়া দুটোই নিয়ন্ত্রণ করে

খেজুরে ফাইবারের পরিমাণ বেশ বেশি, যা কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে কার্যকর। একই সঙ্গে এতে থাকা প্রাকৃতিক উপাদান শরীরের পানির ভারসাম্য ঠিক রেখে ডায়রিয়া কমাতেও কাজ করে। ফলে পাচনতন্ত্র সুস্থ থাকে।

৭. ক্যান্সার প্রতিরোধে গবেষণায় সমর্থিত

বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে, খেজুর বিশেষত পেটের ক্যান্সারের ঝুঁকি কমাতে ভূমিকা রাখে। এর অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট শরীরের কোষকে সুরক্ষা দেয় এবং ক্ষতিকর ফ্রি-র‌্যাডিক্যালের প্রভাব কমায়।

প্রতিদিন কয়েকটি খেজুর খাওয়ার অভ্যাস আপনার শরীরকে শক্তিশালী, রোগমুক্ত ও সতেজ রাখতে পারে। রমজানেই নয় সারা বছরই সুস্থ জীবনের চাবিকাঠি হতে পারে এই সহজলভ্য ছোট্ট ফলটি।

সূত্র: জনকণ্ঠ

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়