শিরোনাম
◈ বাংলাদেশ-তুরস্ক সম্পর্ক জোরদারে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে হাকান ফিদানের বৈঠক ◈ বিদ্যুৎ খাতে হযবরল, অলস সক্ষমতার বিপুল ভার মানুষের ওপর  ◈ মূল্যবৃদ্ধির চাপ ধনীদের ওপর, ৬৫ শতাংশ সাধারণ মানুষ সুরক্ষিত: তথ্যমন্ত্রী ◈ জুয়া নিয়ন্ত্রণে গোয়েন্দাদের বাড়তি ক্ষমতা, সন্দেহ হলেই তল্লাশি ও গ্রেপ্তার করতে পারবে, অপব্যবহারের আশঙ্কা বিশেষজ্ঞদের ◈ অনলাইন ঝড় থেকে রাজপথে: শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ দাবিতে দিল্লিতে ‘ককরোচ জনতা পার্টি’র বিক্ষোভ, থাকছেন সোনম ওয়াংচুক-ও ◈ ১১ দলীয় জোটে আবার ভাঙনের গুঞ্জন, বেরিয়ে গেছে বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলন, ১০ জুন আসতে পারে ঘোষণা ◈ পোষা বিড়াল কি বাড়ায় মানসিক রোগের ঝুঁকি? নতুন গবেষণায় আলোচনার ঝড়! ◈ দেশের বাজারে টানা দুই দফায় স্বর্ণের দাম কমেছে ভরিপ্রতি ৮ হাজার ৭৪৮ টাকা ◈ প্রথম সফরে মালয়েশিয়া কেন বেছে নিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান? : ইন্ডিয়া টুডের প্রতিবেদন ◈ শত্রু দেশ যুক্তরা‌স্ট্রে খেলা ইরা‌নের, দেশের মানুষের মুখে হাসি ফোটা‌তে মনপ্রাণ উজাড় ক‌রে খেল‌বেন ইরানি ফুটবলাররা

প্রকাশিত : ২৮ নভেম্বর, ২০২৫, ০৮:০২ রাত
আপডেট : ২৯ মে, ২০২৬, ০৯:০০ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

প্রতিদিন ব্রেকফাস্ট বাদ দিলে বাড়তে পারে হৃদরোগ–ডায়াবেটিসসহ বহু ঝুঁকি

সকালের নানা ব্যস্ততা বা দেরি করে ঘুম ভাঙার কারণে সকালের নাস্তা না খাওয়া অনেকেরই অভ্যাসে পরিণত হয়েছে। কেউ কেউ দেরিতে ঘুমাতে যাওয়ার কারণে ব্রেকফাস্ট বাদ দেন, আবার কেউ কেউ কাজে, বাচ্চাদের বা ঘরের কাজে এতটাই ব্যস্ত থাকেন যে খিদে না লাগা পর্যন্ত খাবার খান না।

কিন্তু বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ব্রেকফাস্ট বাদ দিলে শরীরের স্বাভাবিক ছন্দ ব্যাহত হয় এবং ধীরে ধীরে অনেক অঙ্গ ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এর ফলে অতিরিক্ত খাওয়া, ওজন বৃদ্ধি এবং বিপাকীয় ব্যবস্থার ওপর বিরূপ প্রভাব পড়ে।

চলুন, জেনে নেওয়া যাক, প্রতিদিন ব্রেকফাস্ট বাদ দিলে কতগুলো অঙ্গ ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

ব্রেকফাস্ট বাদ দিলে কী ক্ষতি

বিশেষজ্ঞদের মতে, ব্রেকফাস্ট বাদ দেওয়া মানে শরীরের সমগ্র গঠনকে ব্যাহত করা। সকালের খাবার না খেলে শরীরে দীর্ঘস্থায়ী পুষ্টির ঘাটতি দেখা দেয়, যার ফলে বিকেলের দিকে প্রচণ্ড খিদা লাগে। এই খিদা পরবর্তীকালে বেশি পরিমাণে খাবার খেতে এবং উচ্চ-ক্যালরিযুক্ত খাবার বেছে নেওয়ার দিকে পরিচালিত করে, যার ফলে ওজন বৃদ্ধি পায় এবং পেটের চর্বি বৃদ্ধি পায়।

ব্রেকফাস্ট বাদ দিলে খিদার হরমোন ঘ্রেলিন বৃদ্ধি পায়, যা মিষ্টি ও চর্বিযুক্ত খাবারের প্রতি আকাঙ্ক্ষা বাড়ায়। এটি ইনসুলিন সংবেদনশীলতাও হ্রাস করে, যার ফলে রক্তে শর্করার নিয়ন্ত্রণ খারাপ হয়। অতিরিক্ত খাবার ওজন বৃদ্ধির প্রধান কারণ হয়ে ওঠে।

গবেষণায় দেখা গেছে, যারা ব্রেকফাস্ট বাদ দেন তাদের মধ্যে খারাপ কোলেস্টেরলের মাত্রা বেশি থাকে।

এই কোলেস্টেরল হৃদরোগ ও হার্ট ব্লকেজের একটি প্রধান কারণ। সকালের খাবার না খেলে শরীরে বিপাকীয় চাপও বৃদ্ধি পায়, যা দীর্ঘমেয়াদে হৃদরোগের ক্ষতি করে।

ব্রেকফাস্ট বাদ দেওয়ার অভ্যাস ধীরে ধীরে মেটাবলিক সিনড্রোমের দিকে পরিচালিত করে, যেখানে পেটের চর্বি, উচ্চ রক্তচাপ, হাই সুগার ও খারাপ কোলেস্টেরল একই সঙ্গে বৃদ্ধি পায়। এই ধরনটি পরবর্তীতে টাইপ-২ ডায়াবেটিসের জন্য একটি প্রধান ঝুঁকির কারণ হয়ে দাঁড়ায়। যারা প্রতিদিন ব্রেকফাস্ট খান না তাদের ডায়াবেটিসের ঝুঁকি বেশি বলে দেখা গেছে।

তা ছাড়া সকালে পুষ্টিকর খাবার না খেলে শরীর পর্যাপ্ত শক্তি থেকে বঞ্চিত হয়। এই ধরনের ব্যক্তিরা দ্রুত ক্লান্ত বোধ করেন, খিটখিটে হয়ে ওঠেন এবং মনোযোগ দিতে অসুবিধা বোধ করেন। মানসিক কর্মক্ষমতাকেও ক্ষতিগ্রস্ত করে।

এদিকে যখন সকাল ও বিকেলের মধ্যে দীর্ঘ ব্যবধান থাকে, তখন শরীর দ্রুত শক্তির জন্য চিনিযুক্ত, ভাজা ও উচ্চ-ক্যালরিযুক্ত খাবার খেতে আগ্রহী হয়। এটি খাদ্যের মান নষ্ট করে এবং দীর্ঘমেয়াদে ওজন বৃদ্ধি, ডায়াবেটিস ও হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়ায়।

সূত্র : এবিপি লাইভ

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়