শিরোনাম
◈ বাংলাদেশ-তুরস্ক সম্পর্ক জোরদারে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে হাকান ফিদানের বৈঠক ◈ বিদ্যুৎ খাতে হযবরল, অলস সক্ষমতার বিপুল ভার মানুষের ওপর  ◈ মূল্যবৃদ্ধির চাপ ধনীদের ওপর, ৬৫ শতাংশ সাধারণ মানুষ সুরক্ষিত: তথ্যমন্ত্রী ◈ জুয়া নিয়ন্ত্রণে গোয়েন্দাদের বাড়তি ক্ষমতা, সন্দেহ হলেই তল্লাশি ও গ্রেপ্তার করতে পারবে, অপব্যবহারের আশঙ্কা বিশেষজ্ঞদের ◈ অনলাইন ঝড় থেকে রাজপথে: শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ দাবিতে দিল্লিতে ‘ককরোচ জনতা পার্টি’র বিক্ষোভ, থাকছেন সোনম ওয়াংচুক-ও ◈ ১১ দলীয় জোটে আবার ভাঙনের গুঞ্জন, বেরিয়ে গেছে বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলন, ১০ জুন আসতে পারে ঘোষণা ◈ পোষা বিড়াল কি বাড়ায় মানসিক রোগের ঝুঁকি? নতুন গবেষণায় আলোচনার ঝড়! ◈ দেশের বাজারে টানা দুই দফায় স্বর্ণের দাম কমেছে ভরিপ্রতি ৮ হাজার ৭৪৮ টাকা ◈ প্রথম সফরে মালয়েশিয়া কেন বেছে নিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান? : ইন্ডিয়া টুডের প্রতিবেদন ◈ শত্রু দেশ যুক্তরা‌স্ট্রে খেলা ইরা‌নের, দেশের মানুষের মুখে হাসি ফোটা‌তে মনপ্রাণ উজাড় ক‌রে খেল‌বেন ইরানি ফুটবলাররা

প্রকাশিত : ২৫ নভেম্বর, ২০২৫, ০৮:৪৭ রাত
আপডেট : ০৫ জুন, ২০২৬, ১২:০০ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

ভিটামিন ডি-এর উৎস কি শুধুই রোদ? জেনে নিন কোন সময়ে, কীভাবে রোদে থাকলে উপকার মিলবে

রোদে একটু ঘোরাফেরা করলেই তো পারো, ভিটামিন ডি-এর অভাব হবে না; বাড়ির বড়দের কাছে আমরা একথা প্রায়ই শুনে থাকি। আসলেই কি রোদে ভিটামিন ডি থাকে? কিংবা সারাদিনে যে কোনও সময়ে রোদে গেলেই কি মিলবে ভিটামিন ডি। এর উত্তর হলো- না, রোদ মানেই ভিটামিন ডি নয়— তবে রোদ ভিটামিন ডি তৈরির সবচেয়ে ভালো প্রাকৃতিক উৎস বটে।

তাহলে? কোন রোদে ভিটামিন ডি থাকে। আমাদের ত্বক সূর্যের আল্ট্রাভায়োলেট বি (ইউভিবি) রশ্মি পেলে স্বাভাবিকভাবে ভিটামিন ডি তৈরি করতে পারে। কিন্তু সব রোদে ইউভিবি থাকে না। সকাল খুব ভোরের রোদ বা বিকেলের দেরির রোদে ইউভিবি কম থাকে। মেঘলা দিনে, শীতকালে বা দূষণ বেশি হলে ইউভিবি আরও কমে যায়।

আবার রোদে থাকলেই ভিটামিন ডি হবে এমনও নয়। সাধারণভাবে সকাল ১০টা থেকে দুপুর ৩টার মধ্যে প্রতিদিন/সপ্তাহে কয়েকদিন ১০–২০ মিনিট রোদে থাকা ভিটামিন ডি তৈরিতে সাহায্য করে। এসময় মুখ, হাত এবং বাহুর অংশ খোলা থাকলে ভালো। আমাদের জীবন যাপন নানাভাবে ভিটামিন ডি থেকে আমাদের সরিয়ে রাখে। শরীর ঢেকে রাখা কাপড় পরলে, সানস্ক্রিন ব্যবহারে, ঘরের জানালার কাঁচের কারণে, গায়ের রং-এর বিভিন্নতার কারণে (গা শ্যামলা হলে বেশি সময় লাগে) ভিটামিন ডি উৎপাদন কমে যেতে থাকে।

শিশুদের ক্ষেত্রে ভিটামিন ডি বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ

গবেষণায় দেখা গেছে ভিটামিন ডি শিশুদের মস্তিষ্কের বিকাশে সাহায্য করে এবং স্নায়ুতান্ত্রিক কার্যক্রমকে সমর্থন করে। ভিটামিন ডি দেহে ক্যালসিয়াম ও ফসফরাস শোষণে সাহায্য করে। এগুলো হাড় শক্ত করা ও দাঁত গঠনের জন্য অত্যন্ত প্রয়োজনীয়। ভিটামিন ডি-এর অভাব হলে শিশুর হাড় নরম হতে পারে, ফলে রিকেটস নামের রোগ দেখা যায়। ভিটামিন ডি শিশুদের ইমিউন সিস্টেম শক্তিশালী করতে সাহায্য করে। ফলে সংক্রমণ, সর্দি–কাশি বা শ্বাসতন্ত্রের অসুখের ঝুঁকি কমে। পর্যাপ্ত ভিটামিন ডি না থাকলে শিশুর দুর্বলতা, হাঁটতে দেরি হওয়া বা মোটর ডেভেলপমেন্টে সমস্যা দেখা দিতে পারে।

সূত্র: বাংলা ট্রিবিউন 

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়