শিরোনাম
◈ ১১ দলীয় জোটে আবার ভাঙনের গুঞ্জন, বেরিয়ে গেছে বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলন, ১০ জুন আসতে পারে ঘোষণা ◈ পোষা বিড়াল কি বাড়ায় মানসিক রোগের ঝুঁকি? নতুন গবেষণায় আলোচনার ঝড়! ◈ দেশের বাজারে টানা দুই দফায় স্বর্ণের দাম কমেছে ভরিপ্রতি ৮ হাজার ৭৪৮ টাকা ◈ প্রথম সফরে মালয়েশিয়া কেন বেছে নিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান? : ইন্ডিয়া টুডের প্রতিবেদন ◈ শত্রু দেশ যুক্তরা‌স্ট্রে খেলা ইরা‌নের, দেশের মানুষের মুখে হাসি ফোটা‌তে মনপ্রাণ উজাড় ক‌রে খেল‌বেন ইরানি ফুটবলাররা ◈ বিদেশি ফ্রাঞ্চাইজি লি‌গে খেলার জন‌্য অবসর নেয়া বন্ধ কর‌তে কড়া নিয়ম আনার পথে বিসিসিআই ◈ গভর্নর মোস্তাকুর রহমানের ১০০ দিন: স্থিতিশীলতা, সংস্কার ও প্রবৃদ্ধির নতুন সমীকরণ ◈ ভূমি কর্মকর্তাদের ২৫ জুনের মধ্যে সম্পদের হিসাব দেওয়ার নির্দেশ ভূমি মন্ত্রণালয়ের ◈ দ. এশিয়ার স্থিতিশীলতা ও শান্তির জন্য বাংলাদেশ ‘কৌশলগত গুরুত্বপূর্ণ’ দেশ: তুরস্ক ◈ ইউরোপের মাটিতে ইতিহাস, সান মারিনোর বিপক্ষে বাংলাদেশের জয়

প্রকাশিত : ২১ মার্চ, ২০২৬, ০৭:৩৮ সকাল
আপডেট : ০৬ জুন, ২০২৬, ০৯:০০ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

যেভাবে সঠিক নিয়মে পড়বেন ঈদের নামাজ

মুসলমানদের প্রধান ধর্মীয় উৎসব। ঈদের নামাজ আদায় করা ওয়াজিব। বছরে দুই বার ঈদের নামাজ পড়ার কারণে অনেকেই নামাজ পড়ার নিয়ম ভুলে যান। তাই ঈদের নামাজের নিয়ম তুলে ধরা হলো-

নামাজের নিয়ত

মনের ইচ্ছাই মূলত নিয়ত। নামাজে দাঁড়ানোর সময় যখন মনে থাকে যে আমরা ঈদুল ফিতরের নামাজ আদায় করছি—এটাই নিয়ত। এর সঙ্গে মনে রাখতে হবে, এই নামাজ ওয়াজিব এবং এতে ছয়টি তাকবির রয়েছে। তবে এভাবে নিয়ত করা যায়—

‘আমি কেবলামুখী হয়ে ঈদুল ফিতরের দুই রাকাত ওয়াজিব নামাজ এই ইমামের পেছনে ছয় তাকবিরের সঙ্গে আদায়ের নিয়ত করছি।’ এরপর ‘আল্লাহু আকবার’ বলে নামাজ শুরু করতে হবে।

যারা বিশুদ্ধভাবে আরবি বলতে পারেন, তারা আরবিতেও নিয়ত করতে পারেন। তবে আরবি নিয়ত করা বা মুখে উচ্চারণ করা আবশ্যক নয়। প্রচলিত আরবি নিয়ত—

نَوَيْتُ أنْ أصَلِّي للهِ تَعَالىَ رَكْعَتَيْنِ صَلَاةِ الْعِيْدِ الْفِطْرِ مَعَ سِتِّ التَكْبِيْرَاتِ وَاجِبُ اللهِ تَعَالَى اِقْتَضَيْتُ بِهَذَا الْاِمَامِ مُتَوَجِّهًا اِلَى جِهَةِ الْكَعْبَةِ الشَّرِيْفَةِ اللهُ اَكْبَرْ

উচ্চারণ: ‘নাওয়াইতু আন উসাল্লিয়া লিল্লাহি তাআলা রাকাআতাইন সালাতিল ঈদিল ফিতরি মাআ সিত্তাতিত তাকবিরাতি ওয়াজিবুল্লাহি তাআলা ইকতাদাইতু বিহাজাল ইমামি মুতাওয়াজজিহান ইলা জিহাতিল কাবাতিশ শারিফাতি আল্লাহু আকবার।

অর্থ: আমি ঈদুল ফিতরের দুই রাকাত ওয়াজিব নামাজ অতিরিক্ত ছয় তাকবিরসহ এই ইমামের পেছনে কেবলামুখী হয়ে আল্লাহর উদ্দেশ্যে আদায় করছি। আল্লাহু আকবার।

ঈদের নামাজের নিয়ম

ঈদুল ফিতরের নামাজ দুই রাকাত। নিয়ত করে তাকবিরে তাহরিমা বলে নামাজ শুরু করে ছানা পড়তে হয়। এরপর ‘আল্লাহু আকবার’ বলে আরও তিনটি অতিরিক্ত তাকবির দিতে হয়। প্রথম দুই তাকবিরের সময় হাত কানের লতি পর্যন্ত উঠিয়ে ছেড়ে দিতে হবে। তৃতীয় তাকবিরে হাত উঠিয়ে বেঁধে নিতে হবে। এরপর সুরা ফাতিহা ও অন্য একটি সুরা (কেরাত) মিলিয়ে রুকুতে গিয়ে প্রথম রাকাত সম্পন্ন করতে হবে।

দ্বিতীয় রাকাতে দাঁড়িয়েসুরা ফাতিহা ও অন্য একটি সুরা (কেরাত) মিলানোর পর রুকুতে যাওয়ার আগে একইভাবে তিনটি তাকবির দিতে হবে। তবে এখানে তৃতীয় তাকবিরের সময় হাত না বেঁধে ছেড়ে দিতে হবে। এরপর চতুর্থ তাকবির বলে রুকুতে যেতে হবে। তারপর অন্যান্য নামাজের মতোই নামাজ শেষ করতে হবে। (কিতাবুল আছল ১/৩১৯, আলহাবীল কুদসী ১/২৪৩)

কেরাত

ঈদের নামাজে প্রথম রাকাতে ‘সুরা আ‘লা’ এবং দ্বিতীয় রাকাতে ‘সুরা গাশিয়াহ’ পড়া সুন্নত। বিকল্পভাবে প্রথম রাকাতে ‘সুরা কফ’ এবং দ্বিতীয় রাকাতে ‘সুরা কমার’ পড়াও সুন্নত হিসেবে বর্ণিত হয়েছে। হাদিসে এসেছে, রাসুলুল্লাহ (সা.) ঈদের নামাজে এসব সুরা তিলাওয়াত করতেন। তবে অন্য যেকোনো সুরাও পড়া যেতে পারে।

মুসলমানদের প্রধান ধর্মীয় উৎসব। ঈদের নামাজ আদায় করা ওয়াজিব। বছরে দুই বার ঈদের নামাজ পড়ার কারণে অনেকেই নামাজ পড়ার নিয়ম ভুলে যান। তাই ঈদের নামাজের নিয়ম তুলে ধরা হলো-

নামাজের নিয়ত
মনের ইচ্ছাই মূলত নিয়ত। নামাজে দাঁড়ানোর সময় যখন মনে থাকে যে আমরা ঈদুল ফিতরের নামাজ আদায় করছি—এটাই নিয়ত। এর সঙ্গে মনে রাখতে হবে, এই নামাজ ওয়াজিব এবং এতে ছয়টি তাকবির রয়েছে। তবে এভাবে নিয়ত করা যায়—

‘আমি কেবলামুখী হয়ে ঈদুল ফিতরের দুই রাকাত ওয়াজিব নামাজ এই ইমামের পেছনে ছয় তাকবিরের সঙ্গে আদায়ের নিয়ত করছি।’ এরপর ‘আল্লাহু আকবার’ বলে নামাজ শুরু করতে হবে।

যারা বিশুদ্ধভাবে আরবি বলতে পারেন, তারা আরবিতেও নিয়ত করতে পারেন। তবে আরবি নিয়ত করা বা মুখে উচ্চারণ করা আবশ্যক নয়। প্রচলিত আরবি নিয়ত—

نَوَيْتُ أنْ أصَلِّي للهِ تَعَالىَ رَكْعَتَيْنِ صَلَاةِ الْعِيْدِ الْفِطْرِ مَعَ سِتِّ التَكْبِيْرَاتِ وَاجِبُ اللهِ تَعَالَى اِقْتَضَيْتُ بِهَذَا الْاِمَامِ مُتَوَجِّهًا اِلَى جِهَةِ الْكَعْبَةِ الشَّرِيْفَةِ اللهُ اَكْبَرْ

উচ্চারণ: ‘নাওয়াইতু আন উসাল্লিয়া লিল্লাহি তাআলা রাকাআতাইন সালাতিল ঈদিল ফিতরি মাআ সিত্তাতিত তাকবিরাতি ওয়াজিবুল্লাহি তাআলা ইকতাদাইতু বিহাজাল ইমামি মুতাওয়াজজিহান ইলা জিহাতিল কাবাতিশ শারিফাতি আল্লাহু আকবার।

অর্থ: আমি ঈদুল ফিতরের দুই রাকাত ওয়াজিব নামাজ অতিরিক্ত ছয় তাকবিরসহ এই ইমামের পেছনে কেবলামুখী হয়ে আল্লাহর উদ্দেশ্যে আদায় করছি। আল্লাহু আকবার।

ঈদের নামাজের নিয়ম
ঈদুল ফিতরের নামাজ দুই রাকাত। নিয়ত করে তাকবিরে তাহরিমা বলে নামাজ শুরু করে ছানা পড়তে হয়। এরপর ‘আল্লাহু আকবার’ বলে আরও তিনটি অতিরিক্ত তাকবির দিতে হয়। প্রথম দুই তাকবিরের সময় হাত কানের লতি পর্যন্ত উঠিয়ে ছেড়ে দিতে হবে। তৃতীয় তাকবিরে হাত উঠিয়ে বেঁধে নিতে হবে। এরপর সুরা ফাতিহা ও অন্য একটি সুরা (কেরাত) মিলিয়ে রুকুতে গিয়ে প্রথম রাকাত সম্পন্ন করতে হবে।

দ্বিতীয় রাকাতে দাঁড়িয়েসুরা ফাতিহা ও অন্য একটি সুরা (কেরাত) মিলানোর পর রুকুতে যাওয়ার আগে একইভাবে তিনটি তাকবির দিতে হবে। তবে এখানে তৃতীয় তাকবিরের সময় হাত না বেঁধে ছেড়ে দিতে হবে। এরপর চতুর্থ তাকবির বলে রুকুতে যেতে হবে। তারপর অন্যান্য নামাজের মতোই নামাজ শেষ করতে হবে। (কিতাবুল আছল ১/৩১৯, আলহাবীল কুদসী ১/২৪৩)

কেরাত
ঈদের নামাজে প্রথম রাকাতে ‘সুরা আ‘লা’ এবং দ্বিতীয় রাকাতে ‘সুরা গাশিয়াহ’ পড়া সুন্নত। বিকল্পভাবে প্রথম রাকাতে ‘সুরা কফ’ এবং দ্বিতীয় রাকাতে ‘সুরা কমার’ পড়াও সুন্নত হিসেবে বর্ণিত হয়েছে। হাদিসে এসেছে, রাসুলুল্লাহ (সা.) ঈদের নামাজে এসব সুরা তিলাওয়াত করতেন। তবে অন্য যেকোনো সুরাও পড়া যেতে পারে।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়