শিরোনাম
◈ ১১ দলীয় জোটে আবার ভাঙনের গুঞ্জন, বেরিয়ে গেছে বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলন, ১০ জুন আসতে পারে ঘোষণা ◈ পোষা বিড়াল কি বাড়ায় মানসিক রোগের ঝুঁকি? নতুন গবেষণায় আলোচনার ঝড়! ◈ দেশের বাজারে টানা দুই দফায় স্বর্ণের দাম কমেছে ভরিপ্রতি ৮ হাজার ৭৪৮ টাকা ◈ প্রথম সফরে মালয়েশিয়া কেন বেছে নিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান? : ইন্ডিয়া টুডের প্রতিবেদন ◈ শত্রু দেশ যুক্তরা‌স্ট্রে খেলা ইরা‌নের, দেশের মানুষের মুখে হাসি ফোটা‌তে মনপ্রাণ উজাড় ক‌রে খেল‌বেন ইরানি ফুটবলাররা ◈ বিদেশি ফ্রাঞ্চাইজি লি‌গে খেলার জন‌্য অবসর নেয়া বন্ধ কর‌তে কড়া নিয়ম আনার পথে বিসিসিআই ◈ গভর্নর মোস্তাকুর রহমানের ১০০ দিন: স্থিতিশীলতা, সংস্কার ও প্রবৃদ্ধির নতুন সমীকরণ ◈ ভূমি কর্মকর্তাদের ২৫ জুনের মধ্যে সম্পদের হিসাব দেওয়ার নির্দেশ ভূমি মন্ত্রণালয়ের ◈ দ. এশিয়ার স্থিতিশীলতা ও শান্তির জন্য বাংলাদেশ ‘কৌশলগত গুরুত্বপূর্ণ’ দেশ: তুরস্ক ◈ ইউরোপের মাটিতে ইতিহাস, সান মারিনোর বিপক্ষে বাংলাদেশের জয়

প্রকাশিত : ২১ নভেম্বর, ২০২৫, ১০:৩৪ দুপুর
আপডেট : ১৫ মে, ২০২৬, ০৮:০০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

স্বামীকে নাম ধরে ডাকার বিষয়ে ইসলাম কি অনুমোদন দেয়?

প্রশ্ন : স্বামীর নাম ধরে ডাকা কি জায়েজ?

উত্তর : স্বামী-স্ত্রীর পারস্পরিক সম্পর্ক ভালোবাসা, সম্মান ও ভদ্রতার ওপর প্রতিষ্ঠিত। স্বামীর নাম ধরে ডাকার ব্যাপারে শরিয়তে স্পষ্ট কোনো নিষেধ নেই; বরং এটি সমাজের রীতি, শ্রদ্ধা ও সংস্কৃতির বিবেচনার ওপর নির্ভরশীল। যে সমাজে স্বামীর নাম ধরে ডাকা অসম্মানজনক বলে গণ্য নয়, সেখানে এতে কোনো আপত্তি নেই। কারণ ইসলাম দাম্পত্য জীবনে স্বাভাবিকতা, সহজতা ও পারস্পরিক খুশিকে গুরুত্ব দেয়।

কিন্তু ভারত উপমহাদেশের সমাজে সাধারণত স্বামীকে সরাসরি নাম ধরে ডাকা অসম্মানজনক ও অশোভন হিসাবে বিবেচিত হয়। তাই স্বামীর প্রতি শ্রদ্ধাবোধ বজায় রাখতে এবং দাম্পত্য জীবনে অযথা মনোমালিন্য এড়াতে এখানকার নারীদের জন্য স্বামীকে নাম ধরে না ডাকাই উত্তম। বুখারির একটি হাদিসে এসেছে, যখন আল্লাহর বন্ধু ইবরাহিম (আ.) তার স্ত্রী হাজেরা ও ছোট সন্তান ইসমাইলকে (আ.) মক্কার জনমানবহীন প্রান্তরে রেখে যাচ্ছিলেন, তখন স্ত্রী তাকে এভাবে ডাকলেন-‘হে ইবরাহিম! তুমি আমাদের এ জনমানবহীন উপত্যকায় রেখে কোথায় যাচ্ছ?’ (সহি বুখারি) এটি প্রমাণ করে যে, কিছু সমাজে স্ত্রীর স্বামীকে নাম ধরে ডাকায় কোনো সমস্যা ছিল না। তবে আল্লাহর রাসূল (সা.)-এর কোনো স্ত্রী কখনো তাকে সম্বোধন করে ‘হে মুহাম্মদ’ বলে ডাকেননি। তারা সবসময় বলেছেন, ‘হে আল্লাহর রাসূল’ ‘হে আল্লাহর নবী’। তারা অবশ্য বিভিন্ন প্রসঙ্গে তার নাম উচ্চারণ করেছেন কিন্তু সম্বোধন হিসাবে কখনো নাম ব্যবহার করেননি।

সূত্র: যুগান্তর 

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়