শিরোনাম
◈ ভূমি কর্মকর্তাদের ২৫ জুনের মধ্যে সম্পদের হিসাব দেওয়ার নির্দেশ ভূমি মন্ত্রণালয়ের ◈ দ. এশিয়ার স্থিতিশীলতা ও শান্তির জন্য বাংলাদেশ ‘কৌশলগত গুরুত্বপূর্ণ’ দেশ: তুরস্ক ◈ ইউরোপের মাটিতে ইতিহাস, সান মারিনোর বিপক্ষে বাংলাদেশের জয় ◈ স্বর্ণের দামে বড় পতন বিশ্ববাজারে ◈ ডিপফেক-মিথ্যা তথ্য রোধে এআই নীতিমালা আনছে সরকার ◈ গুলশানে দুটি স্পা সেন্টারে পুলিশের অভিযান, ২৮ জন আটক ◈ হাদি হত্যা মামলায় জাবেরকে বাদী করার কারণ জানতে চান বোন মাসুমা ◈ বাজেট অধিবেশন ঘিরে সংসদ ভবন এলাকায় আগ্নেয়াস্ত্র বহন ও মিছিল-সমাবেশ নিষিদ্ধ ◈ এশিয়ান গেমস ক্রিকে‌টে বাংলা‌দেশসহ ১০ দল চূড়ান্ত, অ‌ক্টোব‌রে খেলা হ‌বে জাপা‌নে  ◈ গ‌্যাংস্টার দাউদ ইব্রাহিমের হুম‌কি‌তে আ‌মি প্রস্রাব ক‌রে দেই, আইপিএলের ভয়ঙ্কর অভিজ্ঞতা শোনালেন ললিত মো‌দি

প্রকাশিত : ০২ জুন, ২০২৬, ০৮:৩৭ রাত
আপডেট : ০৬ জুন, ২০২৬, ০৩:০০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

সামরিক রপ্তানিতে নতুন ইতিহাস গড়ল ইসরাইল

বিশ্বজুড়ে তীব্র চাহিদার মুখে ২০২৫ সালে ইসরাইলের প্রতিরক্ষা খাতের রপ্তানি আগের বছরের তুলনায় প্রায় ৩০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে রেকর্ড ১৯.২ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে। দেশটির প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে। 

ক্ষেপণাস্ত্র, রকেট এবং আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার ব্যাপক চাহিদার কারণেই এই বিপুল প্রবৃদ্ধি অর্জিত হয়েছে। এই নিয়ে টানা পঞ্চম বছরের মতো ইসরাইলের সামরিক রপ্তানি পূর্বের সব রেকর্ড ভেঙে দিল, যা গত পাঁচ বছরে দ্বিগুণেরও বেশি এবং গত এক দশকে প্রায় চার গুণ বৃদ্ধি পেয়েছে।

ইসরাইলের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, দেশটির প্রতিরক্ষা শিল্প খাত আন্তর্জাতিক প্রতিরক্ষা সহযোগিতা অধিদপ্তরের (আইএমওডি) সরাসরি সমর্থন ও নির্দেশনায় বছরজুড়ে বিশ্বব্যাপী শত শত নতুন চুক্তি স্বাক্ষর করেছে। 

মোট ১৯.২ বিলিয়ন ডলারের এই বিশাল অংকের চুক্তির মধ্যে অর্ধেকেরও বেশি, অর্থাৎ প্রায় ৫৩ শতাংশ চুক্তিই ছিল বড় ধরনের মেগা-ডিল, যার প্রতিটির আর্থিক মূল্য ছিল ১০০ মিলিয়ন ডলার বা তার চেয়েও বেশি। 

খাতভিত্তিক হিসেবে ক্ষেপণাস্ত্র, রকেট এবং আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ২০২৫ সালেও শীর্ষে অবস্থান করেছে, যা মোট চুক্তির এক-চতুর্থাংশের বেশি বা ২৯ শতাংশ জুড়ে ছিল। এর পাশাপাশি পর্যবেক্ষণ ও অপট্রোনিক্স সিস্টেম ২২ শতাংশ এবং রাডার ও ইলেকট্রনিক যুদ্ধ সরঞ্জাম মোট চুক্তির ১১ শতাংশ দখল করেছে।

মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে আরও উল্লেখ করা হয় যে, ২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে ইসরাইল একাধিক ফ্রন্টে যুদ্ধাবস্থায় থাকায় তা বিশ্বমঞ্চে তাদের সামরিক সক্ষমতা প্রদর্শনের একটি সুযোগ তৈরি করেছে। সমস্ত যুদ্ধক্ষেত্রে ইসরাইলি যুদ্ধাস্ত্রের এই বাস্তব কার্যকারিতা প্রমাণ হওয়ার ফলে আন্তর্জাতিক বাজারে ইসরাইলি প্রতিরক্ষা প্রযুক্তির প্রতি শক্তিশালী ও বাড়তি আগ্রহ তৈরি হয়েছে। 

আঞ্চলিক চাহিদার দিক থেকে ইসরাইলের মোট সামরিক চুক্তির সর্বোচ্চ ৩৬ শতাংশ হয়েছে ইউরোপীয় দেশগুলোর সঙ্গে। এর পরেই দ্বিতীয় সর্বোচ্চ অবস্থানে রয়েছে এশিয়া প্যাসিফিক অঞ্চল, যেখানে মোট চুক্তির ৩২ শতাংশ সম্পন্ন হয়েছে। এছাড়া মধ্যপ্রাচ্য ও উত্তর আফ্রিকা অঞ্চলে ১৫ শতাংশ এবং উত্তর আমেরিকায় ১৩ শতাংশ প্রতিরক্ষা চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে।

সূত্র: আল-জাজিরা।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়