শিরোনাম
◈ বাংলাদেশ-তুরস্ক সম্পর্ক জোরদারে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে হাকান ফিদানের বৈঠক ◈ বিদ্যুৎ খাতে হযবরল, অলস সক্ষমতার বিপুল ভার মানুষের ওপর  ◈ মূল্যবৃদ্ধির চাপ ধনীদের ওপর, ৬৫ শতাংশ সাধারণ মানুষ সুরক্ষিত: তথ্যমন্ত্রী ◈ জুয়া নিয়ন্ত্রণে গোয়েন্দাদের বাড়তি ক্ষমতা, সন্দেহ হলেই তল্লাশি ও গ্রেপ্তার করতে পারবে, অপব্যবহারের আশঙ্কা বিশেষজ্ঞদের ◈ অনলাইন ঝড় থেকে রাজপথে: শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ দাবিতে দিল্লিতে ‘ককরোচ জনতা পার্টি’র বিক্ষোভ, থাকছেন সোনম ওয়াংচুক-ও ◈ ১১ দলীয় জোটে আবার ভাঙনের গুঞ্জন, বেরিয়ে গেছে বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলন, ১০ জুন আসতে পারে ঘোষণা ◈ পোষা বিড়াল কি বাড়ায় মানসিক রোগের ঝুঁকি? নতুন গবেষণায় আলোচনার ঝড়! ◈ দেশের বাজারে টানা দুই দফায় স্বর্ণের দাম কমেছে ভরিপ্রতি ৮ হাজার ৭৪৮ টাকা ◈ প্রথম সফরে মালয়েশিয়া কেন বেছে নিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান? : ইন্ডিয়া টুডের প্রতিবেদন ◈ শত্রু দেশ যুক্তরা‌স্ট্রে খেলা ইরা‌নের, দেশের মানুষের মুখে হাসি ফোটা‌তে মনপ্রাণ উজাড় ক‌রে খেল‌বেন ইরানি ফুটবলাররা

প্রকাশিত : ১৮ মে, ২০২৬, ০৮:০৫ রাত
আপডেট : ০৬ জুন, ২০২৬, ০৭:০০ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

সমুদ্রের নিচে বিশ্বের প্রথম বাণিজ্যিক এআই ডেটা সেন্টার চালু করলো চীন

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) অবকাঠামোকে আরও পরিবেশবান্ধব করতে চীন নিয়েছে অভিনব উদ্যোগ। সমুদ্রের নিচে তৈরি করছে ডেটা সেন্টার।

শাংহাইয়ের উপকূলে লিংকাং বিশেষায়িত অঞ্চলের কাছে নতুন একটি অফশোর প্লাটফর্মে বিশ্বের প্রথম বাণিজ্যিক আন্ডারওয়াটার ডেটা সেন্টার চালু হয়েছে, যা সরাসরি সমুদ্রের বায়ুশক্তি থেকে বিদ্যুৎ পাচ্ছে।

প্রায় ১৬০ কোটি ইউয়ান বিনিয়োগে গড়ে ওঠা এই প্রকল্পের লক্ষ্য হলো এআই প্রযুক্তির দ্রুত বিস্তারের কারণে বাড়তে থাকা বিদ্যুতের বিপুল পরিমাণ চাহিদার যোগান দেওয়া।

আন্তর্জাতিক জ্বালানি সংস্থার তথ্য বলছে, ২০৩০ সালের মধ্যে বিশ্বজুড়ে ডেটা সেন্টারের বিদ্যুৎ ব্যবহার দ্বিগুণ বাড়বে, যার প্রধান চালিকাশক্তি হবে এআই।

সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ১০ মিটার নিচে স্থাপন করা চীনের এই ডেটা সেন্টারে চারটি স্তরে ১৯২টি সার্ভার র‌্যাক আছে। পরীক্ষামূলক পর্যায়ে এর বিদ্যুৎ ব্যবহার ২.৩ মেগাওয়াট। পুরো প্রকল্প চালু হলে তা ২৪ মেগাওয়াটে পৌঁছাবে।

স্থলভিত্তিক ডেটা সেন্টারের চেয়ে এর বড় সুবিধা হলো শীতলীকরণ ব্যবস্থা। সাধারণ ডেটা সেন্টারে বিদ্যুতের প্রায় ৪০ শতাংশ যন্ত্রাংশ ঠান্ডা রাখতেই ব্যয় হয়। সমুদ্রের নিচে গড় তাপমাত্রা প্রায় ১৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস হওয়ায় শীতলীকরণে বিদ্যুতের ব্যবহার বেশ হয়।

ডেটা সেন্টারটি আবার নিকটবর্তী ২০০ মেগাওয়াটের একটি বায়ু বিদ্যুৎকেন্দ্রের সঙ্গে যুক্ত, যেখানে ৫০টির বেশি টারবাইন রয়েছে। কেন্দ্রটির ৯৫ শতাংশেরও বেশি বিদ্যুৎ আসছে নবায়নযোগ্য উৎস থেকে।

প্রকল্পটি পূর্ণমাত্রায় চালু হলে বছর প্রায় ৬ কোটি ১০ লাখ কিলোওয়াট-ঘণ্টা বিদ্যুৎ সাশ্রয় সম্ভব হবে।

তবে সমুদ্রের প্রবল ঢেউ ও তলদেশের পলি জমার মতো কঠিন পরিবেশে নির্মাণকাজ সম্পন্ন করতে চীনা প্রকৌশলীদের নতুন প্রযুক্তি ব্যবহার করতে হয়েছে। এটি নির্মাণে সময় লেগেছে ছয় মাস।

সূত্র: সিএমজি

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়