শিরোনাম
◈ বাংলাদেশ-তুরস্ক সম্পর্ক জোরদারে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে হাকান ফিদানের বৈঠক ◈ বিদ্যুৎ খাতে হযবরল, অলস সক্ষমতার বিপুল ভার মানুষের ওপর  ◈ মূল্যবৃদ্ধির চাপ ধনীদের ওপর, ৬৫ শতাংশ সাধারণ মানুষ সুরক্ষিত: তথ্যমন্ত্রী ◈ জুয়া নিয়ন্ত্রণে গোয়েন্দাদের বাড়তি ক্ষমতা, সন্দেহ হলেই তল্লাশি ও গ্রেপ্তার করতে পারবে, অপব্যবহারের আশঙ্কা বিশেষজ্ঞদের ◈ অনলাইন ঝড় থেকে রাজপথে: শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ দাবিতে দিল্লিতে ‘ককরোচ জনতা পার্টি’র বিক্ষোভ, থাকছেন সোনম ওয়াংচুক-ও ◈ ১১ দলীয় জোটে আবার ভাঙনের গুঞ্জন, বেরিয়ে গেছে বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলন, ১০ জুন আসতে পারে ঘোষণা ◈ পোষা বিড়াল কি বাড়ায় মানসিক রোগের ঝুঁকি? নতুন গবেষণায় আলোচনার ঝড়! ◈ দেশের বাজারে টানা দুই দফায় স্বর্ণের দাম কমেছে ভরিপ্রতি ৮ হাজার ৭৪৮ টাকা ◈ প্রথম সফরে মালয়েশিয়া কেন বেছে নিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান? : ইন্ডিয়া টুডের প্রতিবেদন ◈ শত্রু দেশ যুক্তরা‌স্ট্রে খেলা ইরা‌নের, দেশের মানুষের মুখে হাসি ফোটা‌তে মনপ্রাণ উজাড় ক‌রে খেল‌বেন ইরানি ফুটবলাররা

প্রকাশিত : ১৬ মে, ২০২৬, ০৯:১৮ সকাল
আপডেট : ০৫ জুন, ২০২৬, ০১:০০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

পশ্চিম তীরে বাড়িঘরে তল্লাশি, গুলি ও ভাঙচুর চালিয়েছে ইসরায়েলি বাহিনী

ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ পশ্চিম তীরের বিভিন্ন শহর ও গ্রামে নতুন করে ব্যাপক অভিযান এবং হামলা চালিয়েছে ইসরায়েলি সেনা ও কট্টরপন্থী ইহুদি বসতি স্থাপনকারীরা। 

শুক্রবার (১৫ মে) ফিলিস্তিনি সংবাদ সংস্থা ওয়াফার বরাত দিয়ে প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, সালফিত, হেব্রন, রামাল্লা, বেথলেহেম এবং জেনিন গভর্নরেটের বেশ কিছু এলাকায় এই একযোগে তাণ্ডব চালানো হয়। 

অভিযানের সময় সাধারণ মানুষের ঘরবাড়িতে ভাঙচুর ও তল্লাশি চালানোর পাশাপাশি নির্বিচারে গুলি এবং কাঁদানে গ্যাস নিক্ষেপ করেছে ইসরায়েলি সেনারা, যার ফলে পুরো এলাকায় চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে।

স্থানীয় সূত্রগুলো জানিয়েছে, সালফিতের পশ্চিমাঞ্চলে অবস্থিত আজ-জাওয়িয়া শহরে আচমকা প্রবেশ করে ইসরায়েলি সৈন্যরা একের পর এক বাড়িতে তল্লাশি চালায়। এ সময় তারা বাসিন্দাদের ঘর থেকে বের করে দীর্ঘ সময় জিজ্ঞাসাবাদ করে এবং এলাকার প্রধান সড়কটি পুরোপুরি বন্ধ করে দেয়। 

অন্যদিকে হেব্রনের নিকটবর্তী আধ-ধাহিরিয়া এলাকায় ফিলিস্তিনি রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি জানিয়েছে, এক উগ্রপন্থী ইসরায়েলি বসতি স্থাপনকারীর ছোঁড়া গুলিতে এক ফিলিস্তিনি যুবক গুরুতর আহত হয়েছেন। গুলিটি তাঁর উরুতে লেগেছে এবং তাঁকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় উদ্ধার করে স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

সহিংসতার এই ধারা রামাল্লার নিকটবর্তী শুকবা গ্রামেও দেখা গেছে, যেখানে উগ্র ইহুদি বসতি স্থাপনকারীরা ফিলিস্তিনিদের মালিকানাধীন দুটি গাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেয় এবং আরও চারটি গাড়ি মারাত্মকভাবে ভাঙচুর করে। এ ছাড়া বেথলেহেমের নাহালিন এলাকা থেকে বেশ কয়েকজন ফিলিস্তিনি বাসিন্দাকে গ্রেফতার করেছে ইসরায়েলি বাহিনী। 

এরপর সেনারা ধেইশেহ শরণার্থী শিবিরে প্রবেশ করলে স্থানীয় ফিলিস্তিনি যুবকদের সঙ্গে তাদের তীব্র সংঘর্ষ বেধে যায়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে ইসরায়েলি সৈন্যরা ব্যাপক হারে কাঁদানে গ্যাস ও রাবার বুলেট নিক্ষেপ করে, যার ফলে অনেকেই শ্বাসকষ্টে আক্রান্ত হন।

একই রাতে জেনিনের নিকটবর্তী জাবা শহরেও সামরিক যান নিয়ে প্রবেশ করে ইসরায়েলি বাহিনী। সেখানে তারা সাময়িক চেকপোস্ট বসিয়ে সাধারণ মানুষের চলাচলকারী বিভিন্ন যানবাহন থামিয়ে তল্লাশি চালায় এবং চালকদের পরিচয়পত্র পরীক্ষা করে। 

ফিলিস্তিনি মানবাধিকার সংগঠনগুলো ইসরায়েলি বাহিনী ও বসতি স্থাপনকারীদের এই যৌথ হামলাকে নিয়মতান্ত্রিক নিপীড়নের অংশ হিসেবে বর্ণনা করেছে। আন্তর্জাতিক মহলের চোখ যখন গাজার দিকে, তখন পশ্চিম তীরেও ফিলিস্তিনিদের ওপর এই ধরনের হামলা ও গ্রেফতারি অভিযান ক্রমান্বয়ে বৃদ্ধি পাচ্ছে।

সূত্র: মিডল ইস্ট আই

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়