শিরোনাম
◈ বাংলাদেশ-তুরস্ক সম্পর্ক জোরদারে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে হাকান ফিদানের বৈঠক ◈ বিদ্যুৎ খাতে হযবরল, অলস সক্ষমতার বিপুল ভার মানুষের ওপর  ◈ মূল্যবৃদ্ধির চাপ ধনীদের ওপর, ৬৫ শতাংশ সাধারণ মানুষ সুরক্ষিত: তথ্যমন্ত্রী ◈ জুয়া নিয়ন্ত্রণে গোয়েন্দাদের বাড়তি ক্ষমতা, সন্দেহ হলেই তল্লাশি ও গ্রেপ্তার করতে পারবে, অপব্যবহারের আশঙ্কা বিশেষজ্ঞদের ◈ অনলাইন ঝড় থেকে রাজপথে: শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ দাবিতে দিল্লিতে ‘ককরোচ জনতা পার্টি’র বিক্ষোভ, থাকছেন সোনম ওয়াংচুক-ও ◈ ১১ দলীয় জোটে আবার ভাঙনের গুঞ্জন, বেরিয়ে গেছে বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলন, ১০ জুন আসতে পারে ঘোষণা ◈ পোষা বিড়াল কি বাড়ায় মানসিক রোগের ঝুঁকি? নতুন গবেষণায় আলোচনার ঝড়! ◈ দেশের বাজারে টানা দুই দফায় স্বর্ণের দাম কমেছে ভরিপ্রতি ৮ হাজার ৭৪৮ টাকা ◈ প্রথম সফরে মালয়েশিয়া কেন বেছে নিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান? : ইন্ডিয়া টুডের প্রতিবেদন ◈ শত্রু দেশ যুক্তরা‌স্ট্রে খেলা ইরা‌নের, দেশের মানুষের মুখে হাসি ফোটা‌তে মনপ্রাণ উজাড় ক‌রে খেল‌বেন ইরানি ফুটবলাররা

প্রকাশিত : ১৬ মে, ২০২৬, ০৮:৩২ সকাল
আপডেট : ০৫ জুন, ২০২৬, ০৩:০০ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

ইরানের হয়ে গুপ্তচরবৃত্তি, সাবেক মার্কিন গোয়েন্দার খোঁজে এফবিআইয়ের ২ লাখ ডলার পুরস্কার ঘোষণা

ইরানের হয়ে গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগে অভিযুক্ত সাবেক মার্কিন বিমান বাহিনীর গোয়েন্দা কর্মকর্তার তথ্য চেয়ে ২ লাখ ডলার পুরস্কার ঘোষণা করেছে যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় তদন্ত সংস্থা এফবিআই।

বৃহস্পতিবার দেওয়া এক ঘোষণায় এফবিআই জানায়, তারা এখনো মনিকা উইট নামের ওই সাবেক কর্মকর্তাকে খুঁজছে। সংস্থাটির বিশ্বাস, ২০১৩ সালে তিনি ইরানে পালিয়ে যান এবং এখনও দেশটির ‘অসৎ কর্মকাণ্ডে’ সহায়তা করে চলেছেন।

এফবিআইয়ের ওয়াশিংটন ফিল্ড অফিসের কাউন্টারইন্টেলিজেন্স ও সাইবার বিভাগের প্রধান ড্যানিয়েল উইয়ারজবিকি এক বিবৃতিতে বলেন, ‘ইরানের ইতিহাসের এই গুরুত্বপূর্ণ সময়ে এমন কেউ আছেন যিনি উইটের অবস্থান সম্পর্কে কিছু জানেন।’

সিএনএন বলছে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের চলমান উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে তিনি এ মন্তব্য করেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, ‘উইটকে গ্রেপ্তার করে বিচারের মুখোমুখি করতে এফবিআই আপনাদের সহায়তা চায়।’

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মনিকা উইট যুক্তরাষ্ট্রের বিমান বাহিনীর অফিস অব স্পেশাল ইনভেস্টিগেশনের সাবেক কাউন্টারইন্টেলিজেন্স কর্মকর্তা ছিলেন। ২০০৩ থেকে ২০০৮ সাল পর্যন্ত মধ্যপ্রাচ্যে বিভিন্ন গোয়েন্দা কার্যক্রমে অংশ নেন তিনি।

২০১৯ সালে তৎকালীন সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল জন ডেমার্স অভিযোগ করেন, ইরান উইটকে নিজেদের পক্ষে টেনে নেয়। পরে ইরানে পালিয়ে যাওয়ার পর তিনি যুক্তরাষ্ট্রের ‘অত্যন্ত গোপন গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহ কর্মসূচি’ সম্পর্কে তথ্য ফাঁস করেন এবং এক মার্কিন গোয়েন্দা কর্মকর্তার পরিচয় প্রকাশ করেন, যা ওই কর্মকর্তার জীবনকে ঝুঁকির মধ্যে ফেলে দেয়।

অভিযোগপত্রে বলা হয়, ২০১২ সালের জানুয়ারি থেকে ২০১৫ সালের মে মাস পর্যন্ত ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের বাইরে অন্যান্য স্থানে অবস্থান করে উইট কয়েকজন ইরানির সঙ্গে ষড়যন্ত্র করেন। তাদের কাছে তিনি যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় প্রতিরক্ষা–সংক্রান্ত নথি ও তথ্য সরবরাহ করেন, যা যুক্তরাষ্ট্রের ক্ষতি এবং ইরানের স্বার্থে ব্যবহৃত হতে পারে বলে তিনি জানতেন।

ইরানে পালিয়ে যাওয়ার পর দেশটির সরকারি কর্মকর্তারা উইটকে বাসস্থান ও কম্পিউটার সরঞ্জামসহ বিভিন্ন সুবিধা দেন, যাতে তিনি তাদের হয়ে কাজ চালিয়ে যেতে পারেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়। তবে যুক্তরাষ্ট্রে তার পক্ষে কোনো আইনজীবী আছেন কি না, তা স্পষ্ট নয়।

এই মামলায় আরও চার ইরানির বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র, কম্পিউটারে অবৈধ অনুপ্রবেশের চেষ্টা এবং পরিচয় জালিয়াতির অভিযোগ আনা হয়েছে।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়