শিরোনাম
◈ গভর্নর মোস্তাকুর রহমানের ১০০ দিন: স্থিতিশীলতা, সংস্কার ও প্রবৃদ্ধির নতুন সমীকরণ ◈ ভূমি কর্মকর্তাদের ২৫ জুনের মধ্যে সম্পদের হিসাব দেওয়ার নির্দেশ ভূমি মন্ত্রণালয়ের ◈ দ. এশিয়ার স্থিতিশীলতা ও শান্তির জন্য বাংলাদেশ ‘কৌশলগত গুরুত্বপূর্ণ’ দেশ: তুরস্ক ◈ ইউরোপের মাটিতে ইতিহাস, সান মারিনোর বিপক্ষে বাংলাদেশের জয় ◈ স্বর্ণের দামে বড় পতন বিশ্ববাজারে ◈ ডিপফেক-মিথ্যা তথ্য রোধে এআই নীতিমালা আনছে সরকার ◈ গুলশানে দুটি স্পা সেন্টারে পুলিশের অভিযান, ২৮ জন আটক ◈ হাদি হত্যা মামলায় জাবেরকে বাদী করার কারণ জানতে চান বোন মাসুমা ◈ বাজেট অধিবেশন ঘিরে সংসদ ভবন এলাকায় আগ্নেয়াস্ত্র বহন ও মিছিল-সমাবেশ নিষিদ্ধ ◈ এশিয়ান গেমস ক্রিকে‌টে বাংলা‌দেশসহ ১০ দল চূড়ান্ত, অ‌ক্টোব‌রে খেলা হ‌বে জাপা‌নে 

প্রকাশিত : ০৬ মে, ২০২৬, ০৯:০৯ সকাল
আপডেট : ০৬ জুন, ২০২৬, ০৭:০০ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

৬ হাজার কিমি পাল্লার প্রথম আন্তঃমহাদেশীয় ক্ষেপণাস্ত্র উন্মোচন করে বিশ্বকে তাকে লাগিয়ে দিল তুরস্ক

তুরস্ক মঙ্গলবার ইস্তাম্বুলে আয়োজিত ‘সাহা ২০২৬’ প্রতিরক্ষা প্রদর্শনীতে প্রথমবারের মতো তাদের তৈরি আন্তঃ মহাদেশীয় ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ‘ইলদিরিমহান’ জনসমক্ষে উন্মোচন করেছে। এর মাধ্যমে দেশটি তাদের দূরপাল্লার আঘাত হানার সক্ষমতায় এক বিশাল মাইলফলক অর্জন করল।

তুরস্কের জাতীয় প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের আরঅ্যান্ডডি সেন্টারের তৈরি এই ক্ষেপণাস্ত্রটি শব্দের চেয়ে ২৫ গুণ বেশি গতিতে ছুটতে সক্ষম। রিপোর্ট অনুযায়ী, এর পাল্লা বা লক্ষ্যভেদী দূরত্ব প্রায় ৬,০০০ কিলোমিটার (৩,৭২৮ মাইল)।

ক্ষেপণাস্ত্রটিটি জ্বালানি হিসেবে লিকুইড নাইট্রোজেন টেট্রোক্সাইড ব্যবহার করে। এই সিস্টেমে চারটি শক্তিশালী রকেট ইঞ্জিন ব্যবহার করা হয়েছে। এটি এখন পর্যন্ত তুরস্কের তৈরি সবচেয়ে উন্নত ক্ষেপণাস্ত্র প্ল্যাটফর্মগুলোর মধ্যে অন্যতম।

‘সাহা ২০২৬’ আন্তর্জাতিক প্রতিরক্ষা ও মহাকাশ প্রদর্শনীতে এই উন্মোচন অনুষ্ঠানটি সম্পন্ন হয়। এই প্রদর্শনীতে তুরস্কের শীর্ষস্থানীয় প্রতিরক্ষা সংস্থা এবং সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলো বিভিন্ন ক্ষেত্রে তাদের নতুন প্রযুক্তি প্রদর্শন করছে‌।

ইলদিরিমহানের এই আত্মপ্রকাশ মূলত প্রতিরক্ষা শিল্পে তুরস্কের ক্রমবর্ধমান বিনিয়োগেরই প্রতিফলন। দেশটি বর্তমানে ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা, ড্রোন, বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা, এভিয়েশন এবং মহাকাশ প্রযুক্তিতে বিপুল বিনিয়োগ করছে।

সাউথ ইস্তাম্বুল আয়োজিত এই প্রদর্শনী বর্তমানে ওই অঞ্চলের অন্যতম প্রধান প্রতিরক্ষা ইভেন্টে পরিণত হয়েছে, যেখানে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের প্রতিরক্ষা সংস্থা, সামরিক প্রতিনিধি দল এবং ক্রয় কর্মকর্তারা অংশ নিয়েছেন। মূলত অভ্যন্তরীণ সক্ষমতা বৃদ্ধি, রপ্তানি বাড়ানো এবং গুরুত্বপূর্ণ প্রতিরক্ষা খাতে প্রযুক্তিগত স্বনির্ভরতা অর্জনই আঙ্কারার মূল লক্ষ্য। সূত্রঃ টিআরটি ওয়ার্ল্ড 

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়