শিরোনাম
◈ বিদ্যুৎ খাতে হযবরল, অলস সক্ষমতার বিপুল ভার মানুষের ওপর  ◈ মূল্যবৃদ্ধির চাপ ধনীদের ওপর, ৬৫ শতাংশ সাধারণ মানুষ সুরক্ষিত: তথ্যমন্ত্রী ◈ জুয়া নিয়ন্ত্রণে গোয়েন্দাদের বাড়তি ক্ষমতা, সন্দেহ হলেই তল্লাশি ও গ্রেপ্তার করতে পারবে, অপব্যবহারের আশঙ্কা বিশেষজ্ঞদের ◈ অনলাইন ঝড় থেকে রাজপথে: শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ দাবিতে দিল্লিতে ‘ককরোচ জনতা পার্টি’র বিক্ষোভ, থাকছেন সোনম ওয়াংচুক-ও ◈ ১১ দলীয় জোটে আবার ভাঙনের গুঞ্জন, বেরিয়ে গেছে বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলন, ১০ জুন আসতে পারে ঘোষণা ◈ পোষা বিড়াল কি বাড়ায় মানসিক রোগের ঝুঁকি? নতুন গবেষণায় আলোচনার ঝড়! ◈ দেশের বাজারে টানা দুই দফায় স্বর্ণের দাম কমেছে ভরিপ্রতি ৮ হাজার ৭৪৮ টাকা ◈ প্রথম সফরে মালয়েশিয়া কেন বেছে নিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান? : ইন্ডিয়া টুডের প্রতিবেদন ◈ শত্রু দেশ যুক্তরা‌স্ট্রে খেলা ইরা‌নের, দেশের মানুষের মুখে হাসি ফোটা‌তে মনপ্রাণ উজাড় ক‌রে খেল‌বেন ইরানি ফুটবলাররা ◈ বিদেশি ফ্রাঞ্চাইজি লি‌গে খেলার জন‌্য অবসর নেয়া বন্ধ কর‌তে কড়া নিয়ম আনার পথে বিসিসিআই

প্রকাশিত : ০৪ মে, ২০২৬, ১১:২৪ রাত
আপডেট : ০৫ জুন, ২০২৬, ০৩:০০ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

কৌশল আর সংগঠনে ভর করে বিজেপির সাফল্য: আলোচনায় ৬ নেতা

ভারতের পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনে ঐতিহাসিক সাফল্য পেয়েছে ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি)। এ জয়ের পেছনে কাজ করেছেন ছয়জন মূল কৌশলবিদ। এই সাফল্যে অন্যতম অবদান রেখেছেন ‘চাণক্য’ হিসেবে পরিচিত কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। তার দূরদর্শী কৌশল ও দীর্ঘ রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা দলকে এগিয়ে নিয়েছে। তিনি টানা ১৪ দিন বাংলায় অবস্থান করে দলের কার্যক্রম সমন্বয় করেছেন এবং প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দিয়েছেন।

সোমবার (০৪ মে) ভারতীয় সংবাদমাধ্যম আনন্দবাজারের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কৌশলকে মাঠপর্যায়ে বাস্তবায়ন করতে অমিত শাহ রাত গভীর পর্যন্ত দলের নেতাদের সঙ্গে ধারাবাহিক সাংগঠনিক বৈঠক করেছেন। দিনে একাধিক জনসভা ও রোডশোতে অংশ নিয়েছেন। এ সময়ে নানা প্রতিশ্রুতি দেন তিনি। এর মধ্যে অন্যতম হলো বিজেপি ক্ষমতায় এলে সরকারি কর্মীদের জন্য সপ্তম বেতন কমিশন কার্যকর করা এবং ‘দুষ্কৃতী ও অনুপ্রবেশকারীদের’ বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া।

অমিত শাহের পাশাপাশি আরও পাঁচজন কেন্দ্রীয় নেতার কৌশলগত ভূমিকা এই সাফল্যে বড় অবদান রেখেছে। সাংগঠনিক কাজ থেকে শুরু করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম পরিচালনাসহ সব ক্ষেত্রেই তারা সুসংগঠিত দল হয়ে কাজ করেছেন। তারা হলেন:

ধর্মেন্দ্র প্রধান কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান পুরো নির্বাচনী প্রচারের প্রধান কৌশল নির্ধারক হিসেবে কাজ করেছেন। বিভিন্ন সম্প্রদায় ও সামাজিক স্তরের মধ্যে সমন্বয় গড়ে তুলতে তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব ও রাজ্য ইউনিটের মধ্যে সেতুবন্ধন তৈরি করে সম্পদ ব্যবস্থাপনা ও নেতাদের সফর পরিকল্পনা সুচারুভাবে পরিচালনা করেন তিনি।

ভূপেন্দ্র যাদব সাংগঠনিক দক্ষতায় অভিজ্ঞ কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ভূপেন্দ্র যাদব বুথ স্তর পর্যন্ত কর্মীদের সংগঠিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। তিনি নির্বাচনী প্রক্রিয়ার জটিল আইনি দিকগুলোও দক্ষতার সঙ্গে সামলান। বিহারসহ বিভিন্ন রাজ্যে তার অভিজ্ঞতা বাংলার কঠিন নির্বাচনী পরিবেশে কাজে লেগেছে।

সুনীল বানসাল বিজেপির জাতীয় সাধারণ সম্পাদক সুনীল বানসাল পূর্বে উত্তরপ্রদেশে দলের সাফল্যে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিলেন। বাংলায় তিনি ‘পন্না প্রধান’দের (বুথভিত্তিক সমন্বয়কারী) একটি শক্তিশালী নেটওয়ার্ক গড়ে তোলেন। তার লক্ষ্য ছিল তৃণমূলের সংগঠিত ক্যাডার ব্যবস্থার মোকাবিলায় একটি শৃঙ্খলাবদ্ধ কাঠামো তৈরি করা।

বিপ্লব দেব ত্রিপুরার সাবেক মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব দেব বাম শাসনের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়েছেন। বাংলায় বিশেষ করে যেসব অঞ্চলের ভাষা ও সংস্কৃতির সঙ্গে ত্রিপুরার মিল রয়েছে, সেখানে তিনি ব্যাপক প্রচার চালান। স্থানীয় কর্মীদের উৎসাহিত করা এবং আক্রমণাত্মক প্রচার কৌশল গড়ে তুলতে তার ভূমিকা ছিল গুরুত্বপূর্ণ।

অমিত মালব্য বিজেপির আইটি সেলের প্রধান অমিত মালব্য ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে প্রচারের নেতৃত্ব দেন। সন্দেশখালি থেকে আরজি কর মেডিক্যাল কলেজ পর্যন্ত বিভিন্ন ঘটনাকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তুলে ধরে তিনি জনমত প্রভাবিত করেন। তৃণমূলের প্রচারণার বিরুদ্ধে তিনি শক্তিশালী পাল্টা বর্ণনা দাঁড় করিয়েছেন।

 

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়