শিরোনাম
◈ ট্রাম্পের জন্য ‘বিশ্বাসের পরীক্ষা’: জব্দকৃত ২৪ বিলিয়ন ডলার ফেরত চায় ইরান ◈ বাংলাদেশ-তুরস্ক সম্পর্ক জোরদারে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে হাকান ফিদানের বৈঠক ◈ বিদ্যুৎ খাতে হযবরল, অলস সক্ষমতার বিপুল ভার মানুষের ওপর  ◈ মূল্যবৃদ্ধির চাপ ধনীদের ওপর, ৬৫ শতাংশ সাধারণ মানুষ সুরক্ষিত: তথ্যমন্ত্রী ◈ জুয়া নিয়ন্ত্রণে গোয়েন্দাদের বাড়তি ক্ষমতা, সন্দেহ হলেই তল্লাশি ও গ্রেপ্তার করতে পারবে, অপব্যবহারের আশঙ্কা বিশেষজ্ঞদের ◈ অনলাইন ঝড় থেকে রাজপথে: শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ দাবিতে দিল্লিতে ‘ককরোচ জনতা পার্টি’র বিক্ষোভ, থাকছেন সোনম ওয়াংচুক-ও ◈ ১১ দলীয় জোটে আবার ভাঙনের গুঞ্জন, বেরিয়ে গেছে বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলন, ১০ জুন আসতে পারে ঘোষণা ◈ পোষা বিড়াল কি বাড়ায় মানসিক রোগের ঝুঁকি? নতুন গবেষণায় আলোচনার ঝড়! ◈ দেশের বাজারে টানা দুই দফায় স্বর্ণের দাম কমেছে ভরিপ্রতি ৮ হাজার ৭৪৮ টাকা ◈ প্রথম সফরে মালয়েশিয়া কেন বেছে নিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান? : ইন্ডিয়া টুডের প্রতিবেদন

প্রকাশিত : ২৩ এপ্রিল, ২০২৬, ০৯:৩৬ রাত
আপডেট : ০৪ জুন, ২০২৬, ০৮:০০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তবর্তী নদীতে কুমির-সাপ ছাড়া নিয়ে দ্বিধাবিভক্ত বিএসএফ

বাংলাদেশ ও ভারতের সীমান্তবর্তী যেসব এলাকায় কাঁটাতারের বেড়া নেই সেসব স্থানের নদীতে কুমির ও সাপ ছাড়ার প্রস্তাব দিয়েছে ভারতের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। তবে মন্ত্রণালয়ের এ প্রস্তাব নিয়ে দ্বিধাবিভক্ত দেশটির সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফ।

বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম টেলিগ্রাফ ইন্ডিয়া।

বিএসএফের সাবেক মহাপরিচালক এবং পদ্মশ্রী পদকধারী প্রকাশ সিং এটিকে ‘নির্বোধ’ আইডিয়া হিসেবে অভিহিত করেছেন। তিনি বলেছেন, এমন কিছু করলে এটি বেসামরিক মানুষের জীবনকে ঝুঁকিতে ফেলবে। তিনি প্রশ্ন রেখে বলেছেন, কুমির আর সাপ কীভাবে বুঝবে কারা বাংলাদেশি আর কারা ভারতীয়। কে এমন প্রস্তাব দিয়েছে আমি জানি না, এটি নির্বোধ একটি আইডিয়া।

বর্তমানে ভারতের পশ্চিমবঙ্গে ক্ষমতায় আছে তৃণমূল কংগ্রেস। দলটির নেতৃত্বাধীন সরকারের উদাসীনতার কারণে অনেক বাংলাদেশি ভারতে অনুপ্রবেশ করেন বলে অভিযোগ করে বিজেপি নেতৃত্বাধীন কেন্দ্র সরকার। তারা নির্বাচনের আগে এ বিষয়টি নিয়ে মাতামাতি করে। তখনই বাংলাদেশিদের অনুপ্রবেশ ঠেকাতে এমন অদুভুত প্রস্তাব দেয় কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

বিএসএফের একটি ঊর্ধ্বতন সূত্র টেলিগ্রাফকে বলেছেন, এই প্রস্তাবটি সম্প্রতি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে এসেছে। এটি কীভাবে কার্যকর করা যায় সেটির সম্ভাব্যতা যাচাই করতে বিএসএফকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

বাহিনীটির এক কর্মকর্তা বলেছেন, “নদী তীরবর্তী ও অন্যান্য দুর্গম জলাভূমিতে বিষধর এসব প্রাণী ছাড়া নিয়ে বিএসএফও দ্বিধাবিভক্ত। কিছু কর্মকর্তা এটির বিরোধীতা জানিয়েছেন। কারণ এটি সীমান্তবর্তী মানুষের জীবনকে ঝুঁকিতে ফেলতে পারে। বিশেষ করে বন্যার সময়। আগামী সপ্তাহে এ ইস্যু নিয়ে আরেকটি বৈঠক ডাকা হয়েছে।”

ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে ৪ হাজার ৯৬ কিলোমিটার দীর্ঘ সীমান্ত আছে।

ভারতের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা বলেছেন, যেসব অঞ্চল দুর্গম, বিশেষ করে নদী তীরবর্তী, যেখানে বিএসএফ সদস্যরা যেতে পারেন না, সেসব জায়গায় এই প্রস্তাব বাস্তবায়নের ব্যাপারে কথা হচ্ছে। তার দাবি দুই দেশের মধ্যে ১৭৫ কিলোমিটার সীমান্তবর্তী অঞ্চল রয়েছে যেগুলো নদী ও দুর্গম অঞ্চল।

সূত্র: টেলিগ্রাফ ইন্ডিয়া

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়