শিরোনাম
◈ গভর্নর মোস্তাকুর রহমানের ১০০ দিন: স্থিতিশীলতা, সংস্কার ও প্রবৃদ্ধির নতুন সমীকরণ ◈ ভূমি কর্মকর্তাদের ২৫ জুনের মধ্যে সম্পদের হিসাব দেওয়ার নির্দেশ ভূমি মন্ত্রণালয়ের ◈ দ. এশিয়ার স্থিতিশীলতা ও শান্তির জন্য বাংলাদেশ ‘কৌশলগত গুরুত্বপূর্ণ’ দেশ: তুরস্ক ◈ ইউরোপের মাটিতে ইতিহাস, সান মারিনোর বিপক্ষে বাংলাদেশের জয় ◈ স্বর্ণের দামে বড় পতন বিশ্ববাজারে ◈ ডিপফেক-মিথ্যা তথ্য রোধে এআই নীতিমালা আনছে সরকার ◈ গুলশানে দুটি স্পা সেন্টারে পুলিশের অভিযান, ২৮ জন আটক ◈ হাদি হত্যা মামলায় জাবেরকে বাদী করার কারণ জানতে চান বোন মাসুমা ◈ বাজেট অধিবেশন ঘিরে সংসদ ভবন এলাকায় আগ্নেয়াস্ত্র বহন ও মিছিল-সমাবেশ নিষিদ্ধ ◈ এশিয়ান গেমস ক্রিকে‌টে বাংলা‌দেশসহ ১০ দল চূড়ান্ত, অ‌ক্টোব‌রে খেলা হ‌বে জাপা‌নে 

প্রকাশিত : ১৯ এপ্রিল, ২০২৬, ০৭:৩২ বিকাল
আপডেট : ০৪ জুন, ২০২৬, ০৫:০০ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

আলোচনার মাঝেই ইরানকে নতুন হুমকি ট্রাম্পের—‘ভদ্রতা শেষ’

মার্কিন নৌ অবরোধের জবাবে ইরান হরমুজ প্রণালীর অবরোধ অব্যাহত রাখায় তেহরানকে রোববার (১৯ এপ্রিল) আবারও হুমকি দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প।

প্রতিবেদন অনুসারে, নতুন হুমকিতে ট্রাম্প বলেছেন, ইরান যদি এবারের ‘অত্যন্ত ন্যায্য ও যুক্তিসঙ্গত চুক্তি’ গ্রহণ না করে, তাহলে আর ‘ভদ্রলোক’ থাকা হবে না।

আন্তর্জাতিক বিভিন্ন গণমাধ্যমের তথ্যানুসারে, সোমবার (২০ এপ্রিল) পাকিস্তানে মার্কিন ও ইরানি কর্মকর্তাদের আবারও বৈঠক করার কথা রয়েছে। 
 
ট্রুথ সোশ্যাল-এ দেয়া একটি পোস্টে ট্রাম্প বলেন, ‘ইরান গতকাল হরমুজ প্রণালীতে গুলি চালানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে, যা আমাদের যুদ্ধবিরতি চুক্তির সম্পূর্ণ লঙ্ঘন! এর মধ্যে একটি ফরাসি জাহাজ এবং যুক্তরাজ্যের একটি মালবাহী জাহাজকে লক্ষ্য করেও গুলি চালানো হয়েছে। এটা ঠিক হয়নি, তাই না? আমার প্রতিনিধিরা পাকিস্তানের ইসলামাবাদে যাচ্ছেন আলোচনার জন্য, তারা আগামীকাল সন্ধ্যায় সেখানে পৌঁছাবেন।’ 
 
তিনি আরও লেখেন, ইরান সম্প্রতি প্রণালীটি (হরমুজ) বন্ধ করে দেয়ার ঘোষণা দিয়েছে, যা বেশ অদ্ভুত। কারণ আমাদের অবরোধের কারণে এটি ইতোমধ্যেই বন্ধ হয়ে গেছে। তারা না জেনেই আমাদের সাহায্য করছে এবং এই নৌপথ বন্ধ থাকায় তাদেরই ক্ষতি হচ্ছে, প্রতিদিন ৫০ কোটি ডলার! যুক্তরাষ্ট্রের কোনো ক্ষতিই হচ্ছে না।

অনেক জাহাজ এখন মালামাল বোঝাই করার জন্য যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাস, লুইজিয়ানা এবং আলাস্কার দিকে যাচ্ছে বলেও দাবি করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।
 
সামাজিক মাধ্যমের দীর্ঘ পোস্টে ট্রাম্প লেখেন, আমরা অত্যন্ত ন্যায্য ও যুক্তিসঙ্গত একটি প্রস্তাব দিচ্ছি এবং আমি আশা করি তারা (ইরান) তা গ্রহণ করবে। যদি তারা তা না করে, তবে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের প্রতিটি বিদ্যুৎকেন্দ্র এবং প্রতিটি সেতু ধ্বংস করে দেবে। আর কোনো ভদ্রতা নয়! তাদের পতন হবে দ্রুত, সহজভাবে।
 
তিনি আরও বলেন, যদি তারা এই চুক্তি গ্রহণ না করে, তবে যা করা দরকার তা করতে পারাটা আমার জন্য সম্মানের হবে, যা গত ৪৭ বছর ধরে অন্যান্য প্রেসিডেন্টদের ইরানের প্রতি করা উচিত ছিল। ইরানের এই হত্যাযন্ত্রের (কিলিং মেশিন) অবসান ঘটানোর সময় এসেছে!

আলোচনায় কিছুটা অগ্রগতি সত্ত্বেও চূড়ান্ত শান্তি চুক্তি এখনও ‘অনেক দূরে’ রয়েছে বলে ইরানের সংসদ স্পিকার ইঙ্গিত দেয়ায়, কৌশলগত হরমুজ প্রণালী রোববারও বন্ধ ছিল। 
  
পাকিস্তানে সম্প্রতি উচ্চ-পর্যায়ের আলোচনা কোনো চুক্তিতে পৌঁছাতে ব্যর্থ হওয়ার পর মধ্যস্থতার প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকার মধ্যেই তেহরান বলেছে, যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বন্দরগুলোর ওপর থেকে অবরোধ তুলে না নেয়া পর্যন্ত তারা এই গুরুত্বপূর্ণ সামুদ্রিক বাণিজ্য পথটি পুনরায় খুলতে দেবে না। সূত্র: এনডিটিভি

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়