শিরোনাম
◈ বাংলাদেশ-তুরস্ক সম্পর্ক জোরদারে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে হাকান ফিদানের বৈঠক ◈ বিদ্যুৎ খাতে হযবরল, অলস সক্ষমতার বিপুল ভার মানুষের ওপর  ◈ মূল্যবৃদ্ধির চাপ ধনীদের ওপর, ৬৫ শতাংশ সাধারণ মানুষ সুরক্ষিত: তথ্যমন্ত্রী ◈ জুয়া নিয়ন্ত্রণে গোয়েন্দাদের বাড়তি ক্ষমতা, সন্দেহ হলেই তল্লাশি ও গ্রেপ্তার করতে পারবে, অপব্যবহারের আশঙ্কা বিশেষজ্ঞদের ◈ অনলাইন ঝড় থেকে রাজপথে: শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ দাবিতে দিল্লিতে ‘ককরোচ জনতা পার্টি’র বিক্ষোভ, থাকছেন সোনম ওয়াংচুক-ও ◈ ১১ দলীয় জোটে আবার ভাঙনের গুঞ্জন, বেরিয়ে গেছে বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলন, ১০ জুন আসতে পারে ঘোষণা ◈ পোষা বিড়াল কি বাড়ায় মানসিক রোগের ঝুঁকি? নতুন গবেষণায় আলোচনার ঝড়! ◈ দেশের বাজারে টানা দুই দফায় স্বর্ণের দাম কমেছে ভরিপ্রতি ৮ হাজার ৭৪৮ টাকা ◈ প্রথম সফরে মালয়েশিয়া কেন বেছে নিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান? : ইন্ডিয়া টুডের প্রতিবেদন ◈ শত্রু দেশ যুক্তরা‌স্ট্রে খেলা ইরা‌নের, দেশের মানুষের মুখে হাসি ফোটা‌তে মনপ্রাণ উজাড় ক‌রে খেল‌বেন ইরানি ফুটবলাররা

প্রকাশিত : ১৯ এপ্রিল, ২০২৬, ০৭:৫৪ সকাল
আপডেট : ০৩ জুন, ২০২৬, ১২:০০ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

অভিষেককে রাহুলের ফোন, বিরোধী রাজনীতিতে নতুন মোড়ের ইঙ্গিত

লোকসভায় আসন বাড়িয়ে মহিলা সংরক্ষণ কার্যকর করার কেন্দ্রের উদ্যোগ ভেস্তে যাওয়ার পরই বিরোধী রাজনীতিতে নতুন সমীকরণের ইঙ্গিত স্পষ্ট হয়ে উঠছে। শুক্রবার রাতে লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী ফোনে কথা বলেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে।

তৃণমূলের ঘনিষ্ঠ সূত্রে এই তথ্য জানা গেছে। সূত্রের দাবি, লোকসভায় বিলের বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়ার জন্য অভিষেককে ধন্যবাদ জানান রাহুল। এই ফোনালাপ এমন এক সময়ে হল, যখন পশ্চিমবঙ্গে বিধানসভা ভোট শুরু হতে আর মাত্র এক সপ্তাহ বাকি। ফলে এই যোগাযোগকে রাজনৈতিকভাবে যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছেন পর্যবেক্ষকদের একাংশ।

উল্লেখযোগ্য বিষয়, কয়েক দিন আগেই নির্বাচনী প্রচারে এসে তৃণমূলকে সরাসরি আক্রমণ করেছিলেন রাহুল গান্ধী। সেই আবহেই হঠাৎ এই ফোনালাপ দুই দলের সম্পর্ক নিয়ে নতুন করে জল্পনা বাড়িয়েছে। বিরোধী জোটের বৈঠকে তৃণমূলের অনুপস্থিতিও সম্প্রতি নজরে পড়েছিল। এই পরিস্থিতিতে এই যোগাযোগ ভবিষ্যতের সম্ভাব্য সমন্বয়ের ইঙ্গিত কিনা, তা নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে।

এদিকে, শুক্রবার বিকেলে লোকসভায় মহিলা সংরক্ষণ ও আসন বৃদ্ধির প্রস্তাব সংক্রান্ত সংবিধান সংশোধনী বিল ভোটাভুটিতে পেশ করা হয়। দুই দিনের বিতর্কের পর ভোটাভুটি হয়। বিলের পক্ষে পড়ে ২৯৮টি ভোট এবং বিপক্ষে ২৩০টি। মোট ৫২৮ জন সাংসদ ভোট দেন। তবে সংবিধান সংশোধনের জন্য প্রয়োজনীয় দুই-তৃতীয়াংশ সমর্থন না পাওয়ায় বিলটি পাস করাতে ব্যর্থ হয় কেন্দ্র।

বিরোধী দলগুলোর অভিযোগ, জনগণনার আগে তড়িঘড়ি করে আসন বৃদ্ধি এবং সংরক্ষণ কার্যকর করার চেষ্টা করা হচ্ছিল। এতে অনগ্রসর শ্রেণির মহিলারা বঞ্চিত হতে পারেন বলেও দাবি করা হয়। সংসদে বক্তব্য রাখতে গিয়ে রাহুল গান্ধী এই বিষয়টি তুলে ধরেন। সংবিধান অনুযায়ী জনগণনার পরেই নির্বাচনী এলাকা পুনর্বিন্যাসের প্রক্রিয়া শুরু হওয়ার কথা। কিন্তু সেই প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ হওয়ার আগেই আসন সংখ্যা বাড়ানোর প্রস্তাব নিয়ে আসে কেন্দ্র।

বিরোধীরা একজোট হয়ে তার বিরোধিতা করে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এই ঘটনায় একদিকে যেমন সংসদে বিরোধীদের ঐক্য সামনে এসেছে, অন্যদিকে ভোটের মুখে রাজ্য রাজনীতিতেও নতুন সমীকরণের ইঙ্গিত মিলছে। বিশেষ করে রাহুল-অভিষেকের এই যোগাযোগ ভবিষ্যতে কৌশলগত সমঝোতার পথ খুলে দিতে পারে কিনা, সেটাই এখন বড় প্রশ্ন। সব মিলিয়ে, বিল ভেস্তে যাওয়ার ঘটনাকে ঘিরে শুধু সংসদ নয়, রাজ্যের নির্বাচনী আবহেও নতুন বার্তা ছড়িয়ে পড়েছে।

সূত্র: যুগান্তর

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়