শিরোনাম
◈ ট্রাম্পের জন্য ‘বিশ্বাসের পরীক্ষা’: জব্দকৃত ২৪ বিলিয়ন ডলার ফেরত চায় ইরান ◈ বাংলাদেশ-তুরস্ক সম্পর্ক জোরদারে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে হাকান ফিদানের বৈঠক ◈ বিদ্যুৎ খাতে হযবরল, অলস সক্ষমতার বিপুল ভার মানুষের ওপর  ◈ মূল্যবৃদ্ধির চাপ ধনীদের ওপর, ৬৫ শতাংশ সাধারণ মানুষ সুরক্ষিত: তথ্যমন্ত্রী ◈ জুয়া নিয়ন্ত্রণে গোয়েন্দাদের বাড়তি ক্ষমতা, সন্দেহ হলেই তল্লাশি ও গ্রেপ্তার করতে পারবে, অপব্যবহারের আশঙ্কা বিশেষজ্ঞদের ◈ অনলাইন ঝড় থেকে রাজপথে: শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ দাবিতে দিল্লিতে ‘ককরোচ জনতা পার্টি’র বিক্ষোভ, থাকছেন সোনম ওয়াংচুক-ও ◈ ১১ দলীয় জোটে আবার ভাঙনের গুঞ্জন, বেরিয়ে গেছে বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলন, ১০ জুন আসতে পারে ঘোষণা ◈ পোষা বিড়াল কি বাড়ায় মানসিক রোগের ঝুঁকি? নতুন গবেষণায় আলোচনার ঝড়! ◈ দেশের বাজারে টানা দুই দফায় স্বর্ণের দাম কমেছে ভরিপ্রতি ৮ হাজার ৭৪৮ টাকা ◈ প্রথম সফরে মালয়েশিয়া কেন বেছে নিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান? : ইন্ডিয়া টুডের প্রতিবেদন

প্রকাশিত : ২০ মার্চ, ২০২৬, ০৩:৩০ দুপুর
আপডেট : ০৬ জুন, ২০২৬, ০৫:০০ সকাল

প্রতিবেদক : আর রিয়াজ

ট্রাম্প যে কারণে ইরানে সেনা পাঠানোর সিদ্ধান্ত থেকে সরে দাঁড়ালেন

টাইম নিউজ: মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, ইরানের সঙ্গে চলমান যুদ্ধ চতুর্থ সপ্তাহে গড়ালেও সেখানে মার্কিন স্থলসেনা পাঠানোর কোনো পরিকল্পনা বর্তমানে তার নেই। 

বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) হোয়াইট হাউসের ওভাল অফিসে জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানাই তাকাইচির সাথে এক বৈঠকের পর সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এই মন্তব্য করেন। 

তবে সরাসরি সেনা মোতায়েনের সম্ভাবনা নাকচ করলেও ট্রাম্প তার স্বভাবসুলভ ভঙ্গিতে বলেন, যদি তার এমন কোনো পরিকল্পনা থাকতোও, তবে তিনি তা আগেভাগে প্রকাশ করতেন না।

এদিকে হামলায় ইরানের পারমাণবিক সক্ষমতা ‘বিধ্বস্ত’ হয়েছে বলে ট্রাম্প দাবি করলেও বর্তমানে ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা পড়া পারমাণবিক উপকরণগুলো জব্দের বিষয়টি বিবেচনা করছে ওয়াশিংটন। বিশ্লেষকদের মতে, এ ধরনের উদ্ধার অভিযান চালাতে হলে ইরানে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক মার্কিন সেনা পাঠানোর প্রয়োজন হতে পারে। এছাড়া হরমুজ প্রণালিতে তেলবাহী ট্যাংকারগুলোর নিরাপদ চলাচল নিশ্চিত করতে নৌ ও বিমানবাহিনী মোতায়েনের পরিকল্পনাও রয়েছে ট্রাম্প প্রশাসনের।

এর আগে চলতি মাসের শুরুর দিকে নিউ ইয়র্ক পোস্টকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প ইরানে স্থলসেনা পাঠানোর সম্ভাবনা একেবারে উড়িয়ে দেননি। সে সময় তিনি বলেছিলেন, প্রয়োজন হলে তিনি সেনা পাঠাতে দ্বিধাবোধ করবেন না। একইভাবে মার্কিন প্রতিরক্ষাসচিব পিট হেগসেথও গত ২ মার্চের এক ব্রিফিংয়ে জানিয়েছিলেন যে সরকার ঠিক কতদূর পর্যন্ত সামরিক পদক্ষেপ নেবে তা জনসমক্ষে প্রকাশ করা হবে না।

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি এই সংঘাত শুরু হওয়ার পর থেকে এখন পর্যন্ত ১৩ জন মার্কিন সেনাসদস্য নিহত এবং প্রায় ২০০ জন আহত হয়েছেন বলে ইউএস সেন্ট্রাল কমান্ড নিশ্চিত করেছে। 

যুদ্ধের পরিস্থিতি নিয়ে ট্রাম্প প্রশাসনের পক্ষ থেকে বিভিন্ন সময়ে মিশ্র সংকেত পাওয়া গেলেও বৃহস্পতিবার ট্রাম্প আবারও দাবি করেন, ইরান সফর বা তার ভাষায় এই ‘ছোট ভ্রমণ’ সফল হয়েছে এবং তারা নির্ধারিত সময়ের চেয়ে অনেক এগিয়ে আছেন। 

তিনি আরও বলেন, বিগত কোনো প্রেসিডেন্টের এই সাহসী পদক্ষেপ নেওয়ার সাহস ছিল না, যা তিনি সম্পন্ন করেছেন।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়