শিরোনাম
◈ দে‌শের বিপর্যস্ত জনগণ ফে‌লে রাজনী‌তি থে‌কে বিশ্রা‌মে যা‌বো না: 'এই সময়' অনলাইনে শেখ হা‌সিনার সাক্ষাৎকার ◈ ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্ক: আস্থার সংকট কতটা গভীর? ◈ হরমুজ প্রণালি পুনরায় খুলে দেওয়ার ঘোষণা ইরানের, টোল নির্ধারণে ওমানের সঙ্গে যৌথ সিদ্ধান্ত ◈ এবা‌রের বিশ্বকা‌পে আ‌র্জেন্টিনা মেসিনির্ভর দল নয়: কোচ ◈ ‘৪,৮০০ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠানো হয়নি’, পশ্চিমবঙ্গ সরকারের দাবির জবাবে বিজিবি ◈ প্রস্তু‌তি ম‌্যা‌চে ওলিসের হ্যাটট্রিক, আয়ারল‌্যান্ড‌কে ৩-১ গো‌লে হারা‌লো ফ্রান্স ◈ শিক্ষাক্রমে বড় পরিবর্তন: বাংলা-ইতিহাসসহ কয়েকটি বিষয় বাদ, যুক্ত হচ্ছে এআই, বিদেশি ভাষা, ফ্রিল্যান্সিং ও কারিগরি শিক্ষা ◈ বিশ্বকাপে রোনালদো না মেসি, কে করবেন বেশি গোল? ভবিষ্যদ্বাণী এমবাপের ◈ ‌ফিফার ঘোষণা, বিশ্বকাপে চোটের অভিনয় করলেই শাস্তি ◈ কর্ণফুলী টানেল: দৈনিক আয় ১১ লাখ কিন্তু ব্যয় সাড়ে ৩৭ লাখ, লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে যানবাহন চলাচল ৭ গুণ কম

প্রকাশিত : ০৬ মার্চ, ২০২৬, ০৫:২১ বিকাল
আপডেট : ২৪ এপ্রিল, ২০২৬, ১১:০০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর প্রথমবার সাবমেরিন থেকে টর্পেডো ছুড়ল যুক্তরাষ্ট্র

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর এই প্রথম কোনো মার্কিন নৌবাহিনীর সাবমেরিন থেকে ছোড়া টর্পেডো সরাসরি যুদ্ধের সময় একটি জাহাজকে আঘাত করেছে। হামলায় ইরানের ফ্রিগেট ‘আইআরআইএস দিনা’ ডুবে যায়। ঘটনাটি ঘটেছে ভারত মহাসাগরে শ্রীলঙ্কার কাছাকাছি এলাকায়।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, বুধবার (৪ মার্চ) একটি মার্কিন সাবমেরিন থেকে ছোড়া টর্পেডো ওই ইরানি যুদ্ধজাহাজে আঘাত হানে। তবে কোন সাবমেরিন থেকে হামলাটি চালানো হয়েছে, তা এখনো প্রকাশ করা হয়নি।প্রতিবেদন দ্য নিউইয়র্ক টাইমসের। 

পরে পেন্টাগন একটি ভিডিও প্রকাশ করে, যেখানে দেখা যায় একটি টর্পেডো জাহাজটির পেছনের অংশের নিচে বিস্ফোরিত হচ্ছে। বিস্ফোরণের ফলে বিপুল পরিমাণ পানি শূন্যে উঠে যায় এবং জাহাজ ভেঙে যায়। 

শ্রীলঙ্কার কর্মকর্তারা জানান, ডুবে যাওয়া জাহাজটি থেকে ৩২ জন ইরানি নাবিককে উদ্ধার করা হয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে জাহাজটিতে মোট প্রায় ১৮০ জন নাবিক ছিলেন।

মার্কিন নৌবাহিনীর ইতিহাস অনুযায়ী, শেষবার কোনো মার্কিন সাবমেরিন শত্রু জাহাজে টর্পেডো নিক্ষেপ করেছিল দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের শেষ দিনে। তখন ইউএসএস টর্স্ক  নামের সাবমেরিনটি ১৯৪৫ সালের ১৪ আগস্ট জাপানের একটি জাহাজ ডুবিয়ে দেয়।

বর্তমান হামলায় ব্যবহৃত টর্পেডোটি ছিল মার্ক-৪৮ টর্পেডো।  এটি মার্কিন নৌবাহিনীর প্রধান সাবমেরিন-নিক্ষেপযোগ্য অস্ত্র। ১৯৭২ সালে চালু হওয়া এই টর্পেডো সময়ের সঙ্গে বিভিন্নভাবে উন্নত করা হয়েছে।

প্রায় ৩,৮০০ পাউন্ড ওজনের এই অস্ত্রটি সোনার প্রযুক্তি ব্যবহার করে লক্ষ্যবস্তু খুঁজে পায় এবং জাহাজের নিচে গিয়ে বিস্ফোরিত হয়। এতে জাহাজের মূল কাঠামো ভেঙে দেয় এবং দ্রুত জাহাজ ডুবে যেতে বাধ্য করে।

সূত্র: চ্যানেল ২৪

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়