শিরোনাম
◈ ট্রাম্পের জন্য ‘বিশ্বাসের পরীক্ষা’: জব্দকৃত ২৪ বিলিয়ন ডলার ফেরত চায় ইরান ◈ বাংলাদেশ-তুরস্ক সম্পর্ক জোরদারে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে হাকান ফিদানের বৈঠক ◈ বিদ্যুৎ খাতে হযবরল, অলস সক্ষমতার বিপুল ভার মানুষের ওপর  ◈ মূল্যবৃদ্ধির চাপ ধনীদের ওপর, ৬৫ শতাংশ সাধারণ মানুষ সুরক্ষিত: তথ্যমন্ত্রী ◈ জুয়া নিয়ন্ত্রণে গোয়েন্দাদের বাড়তি ক্ষমতা, সন্দেহ হলেই তল্লাশি ও গ্রেপ্তার করতে পারবে, অপব্যবহারের আশঙ্কা বিশেষজ্ঞদের ◈ অনলাইন ঝড় থেকে রাজপথে: শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ দাবিতে দিল্লিতে ‘ককরোচ জনতা পার্টি’র বিক্ষোভ, থাকছেন সোনম ওয়াংচুক-ও ◈ ১১ দলীয় জোটে আবার ভাঙনের গুঞ্জন, বেরিয়ে গেছে বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলন, ১০ জুন আসতে পারে ঘোষণা ◈ পোষা বিড়াল কি বাড়ায় মানসিক রোগের ঝুঁকি? নতুন গবেষণায় আলোচনার ঝড়! ◈ দেশের বাজারে টানা দুই দফায় স্বর্ণের দাম কমেছে ভরিপ্রতি ৮ হাজার ৭৪৮ টাকা ◈ প্রথম সফরে মালয়েশিয়া কেন বেছে নিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান? : ইন্ডিয়া টুডের প্রতিবেদন

প্রকাশিত : ০৬ মার্চ, ২০২৬, ০৯:২৮ সকাল
আপডেট : ০৫ জুন, ২০২৬, ১১:০০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

একসঙ্গে ইফতার করে সম্প্রীতির দৃষ্টান্ত স্থাপন করলেন হিন্দু–মুসলিমরা

ভারতের উত্তরপ্রদেশের বিজনোর জেলার তাজপুরে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ও ভ্রাতৃত্বের এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপিত হয়েছে। গত মঙ্গলবার আজাদ সমাজ পার্টির সিনিয়র নেতা এবং নুরপুরের রাজার এ.এইচ.এম. প্যারামেডিক্যাল কলেজের চেয়ারম্যান হাজি উসমান আনসারির উদ্যোগে আয়োজিত এক ইফতার মাহফিলে হিন্দু ও মুসলিম সম্প্রদায়ের শত শত মানুষ একসঙ্গে ইফতার করেন।

বিজনোরের নূরপুর এলাকার এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত সকলে মিলে একই দস্তরখানে বসে ইফতার করে দেশজুড়ে শান্তি ও সংহতির বার্তা পৌঁছে দেন।

অনুষ্ঠানে হাজি উসমান আনসারি বলেন, "রমজান মাস হলো বরকত এবং ভ্রাতৃত্বের মাস। এটি এমন এক সময় যখন মানুষ নিজের পাপের জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করে এবং মানবতার সেবায় ব্রতী হয়। এই পবিত্র মাস আমাদের শেখায় কীভাবে একে অপরের প্রতি সহমর্মিতা প্রদর্শন করতে হয়।"

তিনি আরও জোর দিয়ে বলেন, প্রতিটি ধর্মের মানুষের উচিত একে অপরের উৎসব ও উদযাপনে অংশ নেওয়া। এতে সামাজিক বন্ধন মজবুত হয় এবং একে অপরের প্রতি শ্রদ্ধাবোধ বৃদ্ধি পায়।

ইফতারের আগে উপস্থিত সকলে মিলে দেশের নিরাপত্তা, শান্তি এবং সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি রক্ষার জন্য বিশেষ মোনাজাত ও প্রার্থনা করেন। অনুষ্ঠানে স্থানীয় বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ, ব্যবসায়ী এবং রাজনৈতিক নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

অতিথিদের মধ্যে ছিলেন মেহবুব আলম সালমানি, আইনজীবী নাঈম আহমেদ, সরদার কমলজিৎ সিং নূর, বিনীত কুমার, জুলফিকার আহমেদ, নওশাদ আহমেদ আব্বাসি এবং ড. ফাইয়াজ আহমেদ আনসারি প্রমুখ।বিজনোরের এই ইফতার মাহফিলটি কেবল একটি ধর্মীয় অনুষ্ঠান নয়, বরং এটি ভারতের বহুত্ববাদী সংস্কৃতি এবং গঙ্গা-যমুনা তফজিবের এক জীবন্ত উদাহরণ হিসেবে প্রশংসিত হচ্ছে।

সূত্র: ইনকিলাব

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়