শিরোনাম
◈ অফিসে ঢুকে বলে, “বাপে ফোন দেয়, ধরস না কেন? বাপের সঙ্গে কথা না বলে কীভাবে ব্যবসা করিস সেটা দেখবো” ◈ ইসলামী ব্যাংকে পর্যবেক্ষক নিয়োগ দিলো বাংলাদেশ ব্যাংক ◈ প্রবাসীদের জন্য সুখবর: ১৩ ধরনের ওয়ার্ক পারমিটে নতুন সুবিধা, শ্রমবাজার আধুনিক করছে আমিরাত ◈ অর্থনৈতিক শৃঙ্খলা ফিরিয়ে এনে ব্যবসা ও কর্মসংস্থানবান্ধব বাজেট দিচ্ছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী ◈ সরকারি-বিরোধী সব সংসদ সদস্যের এলাকায় সমান উন্নয়ন হবে: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ◈ ‌বো‌লিং‌য়ে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে দুর্দান্ত পাফর‌মে‌ন্সে আইসি‌সি র‌্যাঙ্কিংয়ে বড় লাফ নাহিদ রানার ◈ শিগগিরই সরকারি শূন্য পদে নিয়োগ কার্যক্রম শুরু হবে: প্রধানমন্ত্রী ◈ শিল্পখাতের ধীরগতি সত্ত্বেও ৫০০ বিলিয়ন ডলারের মাইলফলকে বাংলাদেশ ◈ প্রশাসনিক কার্যক্রমে দক্ষতা, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে হবে: সংসদে প্রধানমন্ত্রী ◈ হামের উপসর্গে আরও ৮ শিশুর মৃত্যু, ৮৭ দিনে প্রাণহানি ৬৩৯

প্রকাশিত : ১০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ০৯:৪১ রাত
আপডেট : ০৯ জুন, ২০২৬, ০১:০০ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

সীমান্তের বাধা জয় করে ভালোবাসা: বাংলাদেশিকে কিডনি দিলেন ভারতীয়

নিজের বাংলাদেশি আপন ভাইকে কিডনি দান করেছেন ভারতীয় বোন। সীমান্তে অপর প্রান্তে থাকা ভাই স্বপনের প্রতি বোন অনুপা বিশ্বাসের এমন ভালোবাসা মুগ্ধ করেছে সবাইকে।

৪৩ বছর বয়সী স্বপন পেশায় মাছ ব্যবসায়ী। কিডনি রোগে আক্রান্ত হওয়ার পর তার কিডনি প্রতিস্থাপন জরুরি হয়ে পড়ে স্বপনের। তার বড় বোন, ভারতীয় নাগরিক অনুপা ভাইকে বাঁচাতে এগিয়ে আসেন। তিনি স্বপনকে নিজের একটি কিডনি দেন।

গত ৩ জানুয়ারি স্বপনের সফল কিডনি প্রতিস্থাপন সম্পন্ন হয়। এরপর হাসপাতাল থেকে তিনি বাড়িতেও চলে যান।

সংবাদমাধ্যম টাইমস অব ইন্ডিয়া মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, স্বপন ও অনুপার বাবা-মা ১৯৭১ সালের স্বাধীনতা যুদ্ধের জীবনরক্ষায় ভারতে চলে যান। তারা বুর্দওয়ানে আশ্রয় নেন এবং বেশ কিছু বছর থাকেন। এরপর সাতক্ষীরায় নিজেদের পৈতৃক বাড়িতে ফিরে আসেন। তবে অনুপাকে বুর্দওয়ানের এক যুবকের সঙ্গে বিয়ে দেন। বিয়ে হওয়ায় অনুপা সেখানে থেকে যান। আর তাদের বাবা-মা তিন সন্তানকে নিয়ে ফিরে আসেন।

স্বপন বলেছেন, “পরিস্থিতি ভালো হওয়ার পর আমরা যখন বাংলাদেশে ফিরে আসি। তখনও আমি অনেক ছোট ছিলাম। কিন্তু বোনকে রেখে আসি। কারণ তখন তিনি বিবাহিত ছিলেন।”

২০১৮ সালে কিডনি বিকল হয়ে যায় স্বপনের। এরপর থেকে তার ডায়ালসিস চলছিল। শারীরিক অবস্থা খারাপ হওয়ায় তিনি আর কোনো কাজও করতে পারছিলেন না। তার তিন বোন, যারমধ্যে একজন ভারতে, তারা তাকে আর্থিকভাবে সহায়তা শুরু করেন।

কলকাতার একটি হাসপাতালের চিকিৎসকরা যখন তাকে কিডনি প্রতিস্থাপনের কথা বলেন। তখন ৫৫ বছর বয়সী অনুপাই সবার আগে এগিয়ে আসেন।

চিকিৎসকরা তাদের কিডনিতে ১০০ শতাংশ জিনগত মিল পান। এতে করে কিডনি দানের বিষয়টি অনেক সহজ হয়ে যায়।

টাইমস অব ইন্ডিয়া বলেছে, ভাই ও বোনের মধ্যে কিডনি দানের বিষয়টি বিরল না হলেও। সীমান্তের এক পাশে থাকা বোনের সীমান্তের অপর পাশে থাকা ভাইকে কিডনি দেওয়ার ঘটনা খুব সম্ভবত আর নেই।

সূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়