শিরোনাম
◈ প্রতি তিনজন স্নাতকের একজন বেকার: উদ্বেগ বাড়াচ্ছে শ্রমবাজার ◈ মাথাপিছু বরাদ্দ ৮ হাজার টাকা বাড়লেও বাড়ছে ঋণের দায় ◈ সস্তায় পেয়ে ৩৪ তলায় ফ্ল্যাট কিনেছিলেন, পরে জানলেন বাস্তবে কোনো অস্তিত্বই নেই ◈ বিসিবির প‌রিচালকরা কে কোন ক‌মি‌টির দায়িত্ব পে‌লেন ◈ নির্বাচনের আগে একটি দলকে ইসলামী ব্যাংক ১১ হাজার কোটি টাকা দিয়েছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ◈ পুশইন ঠেকাতে বেনাপোল সীমান্তে দেড়গুণ বাড়ানো হলো বিজিবি মোতায়েন ◈ ইসলামী ব্যাংক ইস্যুতে উত্তপ্ত সংসদ, ব্যাংকটি বিএনপি সরকারের হাতেই সবচেয়ে নিরাপদ: অর্থমন্ত্রী ◈ কী থাকবে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্তরে যুক্ত হতে যাওয়া নতুন চার বিষয়ের মধ্যে? ◈ ২১ বছরের অপেক্ষার অবসান, নাহিদ-মোসাদ্দেকের দাপটে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ঐতিহাসিক জয় ◈ এবার বাতিল হ‌লো ইরানের জন্য বরাদ্দ থাকা ‌বিশ্বকা‌পের টিকিটও

প্রকাশিত : ০৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ০৬:১২ বিকাল
আপডেট : ০১ জুন, ২০২৬, ০৯:০০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

যুক্তরাষ্ট্রকে ‘শত্রু’ ভাবছে ডেনমার্কের ৬০ শতাংশ মানুষ

ন্যাটো জোটের সদস্য হিসেবে ডেনমার্ক ও যুক্তরাষ্ট্র একে অপরের ঘনিষ্ঠ মিত্র হিসেবে বিবেচিত। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ‘গ্রিনল্যান্ডের দখল’ করার ইচ্ছায় স্বাভাবিকভাবেই নাখোশ ডেনমার্কের নাগরিকরা। সাম্প্রতিক এক জরিপে বিষয়টি আরও স্পষ্ট হয়েছে।

সরকারি সংবাদমাধ্যম ডিআর-এর জরিপে জানা গেছে, ডেনমার্কের ৬০ শতাংশ মানুষ যুক্তরাষ্ট্রকে ‘শত্রু’ হিসেবে দেখছেন। খবর এএফপি’র।

জরিপে দেখা যায়, বর্তমান পরিস্থিতিতে দেশটির পাঁচ ভাগের একভাগ মানুষও ওয়াশিংটনকে ‘মিত্র’ ভাবতে পারছেন না। 

জরিপে অংশগ্রহণকারীদের সামনে প্রশ্ন ছিল, চলমান পরিস্থিতি বিবেচনায় যুক্তরাষ্ট্রকে কি মিত্র না শত্রু হিসেবে দেখছেন? জবাবে মাত্র ১৭ শতাংশ মানুষ ‘মিত্র’ জবাব দিয়েছে।

২০ শতাংশ জবাব দেন, ‘উত্তর জানা নেই’ এবং তিন শতাংশ মানুষ জবাব দিতে আগ্রহী নন বলে জানান।

জরিপটি পরিচালনা করেছে বিশ্লেষণী প্রতিষ্ঠান এপিনিয়ন। এক হাজার ৫৩ জন ডেনমার্কবাসী এতে অংশ নেন। তাদের সবার বয়স ১৮ বছরে বেশি। ২১ থেকে ২৮ জানুয়ারি পর্যন্ত জরিপ চলে। 

আনুষ্ঠানিকভাবে ডেনমার্কের অংশ হওয়ায় গ্রিনল্যান্ডকেও ন্যাটো সদস্য হিসেবে বিবেচনা করা হয়। সে ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্র যদি গ্রিনল্যান্ডে হামলা চালানোর সিদ্ধান্ত নেয়, তাহলে ওই সামরিক জোটের অস্তিত্বই হুমকির মুখে পড়ে যায়। কারণ ন্যাটোর সনদে বলা হয়েছে এক সদস্য দেশ আক্রান্ত হলে বাকি সব সদস্য দেশ ওই দেশকে সুরক্ষা দিতে সেনা নিয়ে এগিয়ে আসবে।

তবে ন্যাটোর এক সদস্য আরেক সদস্যের ওপর হামলা চালালে কি হবে, সেটার কোনো জবাব ন্যাটো সনদে নেই। স্বভাবতই, ট্রাম্পের হুমকি জোটকে গভীর সংকটের দিকে ঠেলে দেয়। তবে জানুয়ারিতে ওই অবস্থান থেকে সরে আসেন ট্রাম্প। 

সূত্র: ইত্তেফাক

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়