শিরোনাম
◈ বিদ্যুৎ খাতে হযবরল, অলস সক্ষমতার বিপুল ভার মানুষের ওপর  ◈ মূল্যবৃদ্ধির চাপ ধনীদের ওপর, ৬৫ শতাংশ সাধারণ মানুষ সুরক্ষিত: তথ্যমন্ত্রী ◈ জুয়া নিয়ন্ত্রণে গোয়েন্দাদের বাড়তি ক্ষমতা, সন্দেহ হলেই তল্লাশি ও গ্রেপ্তার করতে পারবে, অপব্যবহারের আশঙ্কা বিশেষজ্ঞদের ◈ অনলাইন ঝড় থেকে রাজপথে: শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ দাবিতে দিল্লিতে ‘ককরোচ জনতা পার্টি’র বিক্ষোভ, থাকছেন সোনম ওয়াংচুক-ও ◈ ১১ দলীয় জোটে আবার ভাঙনের গুঞ্জন, বেরিয়ে গেছে বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলন, ১০ জুন আসতে পারে ঘোষণা ◈ পোষা বিড়াল কি বাড়ায় মানসিক রোগের ঝুঁকি? নতুন গবেষণায় আলোচনার ঝড়! ◈ দেশের বাজারে টানা দুই দফায় স্বর্ণের দাম কমেছে ভরিপ্রতি ৮ হাজার ৭৪৮ টাকা ◈ প্রথম সফরে মালয়েশিয়া কেন বেছে নিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান? : ইন্ডিয়া টুডের প্রতিবেদন ◈ শত্রু দেশ যুক্তরা‌স্ট্রে খেলা ইরা‌নের, দেশের মানুষের মুখে হাসি ফোটা‌তে মনপ্রাণ উজাড় ক‌রে খেল‌বেন ইরানি ফুটবলাররা ◈ বিদেশি ফ্রাঞ্চাইজি লি‌গে খেলার জন‌্য অবসর নেয়া বন্ধ কর‌তে কড়া নিয়ম আনার পথে বিসিসিআই

প্রকাশিত : ২৮ জানুয়ারী, ২০২৬, ০৯:৪৭ সকাল
আপডেট : ০১ জুন, ২০২৬, ১২:০০ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

যুক্তরাজ্যে অতিদারিদ্রের সংখ্যা ৬৮ লাখ, ৫৩ শতাংশ বাংলাদেশি

বিশ্বের অন্যতম উন্নত দেশ যুক্তরাজ্যে দারিদ্র্য আরও বেড়েছে। বর্তমানে সেখানে ৬৮ লাখ মানুষ অতিদারিদ্র্যের মধ্যে বসবাস করছেন। যা গত তিন দশকের মধ্যে সর্বোচ্চ। মঙ্গলবার জোসেফ রাউনট্রি ফাউন্ডেশন (জেআরএফ) এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে। এতে বলা হয়েছে, যুক্তরাজ্যে যেসব মানুষ অতিদরিদ্র তাদের মধ্যে বাংলাদেশি (৫৩%) ও পাকিস্তানিদের (৪৯%) মধ্যে অতিদরিদ্রের হার বেশি। খবর রয়টার্সের। 

ব্রিটেনে ‘অতিদরিদ্র’ বলতে বোঝায় এমন পরিবারকে, যাদের বাড়ি ভাড়া দেওয়ার পর হাতে থাকা টাকা ব্রিটেনের জাতীয় গড় আয়ের তুলনায় অনেক কম। যেমন- দুই সন্তানসহ একটি পরিবারের সারা বছরের আয় যদি ১৬ হাজার ৪০০ পাউন্ডের নিচে হয়, তবে তারা এই অতিদরিদ্র শ্রেণির অন্তর্ভুক্ত। এর অর্থ ব্রিটেনে বসবাসরত বেশির ভাগ বাংলাদেশি পরিবারের আয় গড় আয়ের (৪০%) তুলনায় কম।

যুক্তরাজ্যে দারিদ্র্য কমানোর লক্ষ্যে পরিচালিত এ গবেষণায় জোসেফ রাউনট্রি ফাউন্ডেশন জানিয়েছে, ব্রিটেনে সামগ্রিক দারিদ্র্যের হার কমেছে। যেখানে ১৯৯৪-৯৫ সালে দারিদ্র্যের হার ছিল ২৪ শতাংশ। সেখানে ২০২৩-২৪ সালে সেটি ২১ শতাংশে নেমে এসেছে। তবে, অতিদরিদ্রের হার ৮ শতাংশ থেকে বেড়ে ১০ শতাংশে উন্নীত হয়েছে। অর্থাৎ প্রায় অর্ধেক মানুষই দারিদ্র্যের মধ্যে পড়েছে।  এছাড়া শিশু দারিদ্র্যের হারও বেড়েছে। বর্তমানে প্রায় ৪৫ লাখ শিশু দারিদ্র্যের মধ্যে বড় হচ্ছে। গত তিন বছর ধরে টানা দরিদ্র শিশুর সংখ্যা বেড়েছে।

২০১৭ সালে ব্রিটিশ সরকার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল নিুআয়ের যেসব পরিবার দুই সন্তানের বেশি সন্তান নেবে, তারা সরকারি সামাজিক সুরক্ষা সহায়তা পাবে না। তবে গত এপ্রিলে এই নিয়ম বাতিল করেন বর্তমান অর্থমন্ত্রী র‌্যাচেল রিভস।

জোসেফ রাউনট্রি ফাউন্ডেশন সরকারের এ উদ্যোগের প্রশংসা করেছে। তবে শুধু এটিই শিশু দারিদ্র্য কমাবে না বলে তারা সতর্ক করেছে। সংস্থাটি বলেছে, দারিদ্র্যের সবচেয়ে বড় শিকার শিশুরা। এরপর রয়েছেন শারীরিক প্রতিবন্ধীরা। অন্যদিকে নির্দিষ্ট গোষ্ঠীর মধ্যে ব্রিটেনে বসবাসরত বাংলাদেশি ও পাকিস্তানিদের মধ্যে দারিদ্র্যের হার খুবই বেশি। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কিছু সংখ্যালঘু জাতিগত গোষ্ঠীর মাঝে দারিদ্র্যের হার খুবই বেশি। বিশেষ করে, ২০২১-২৪ সালে যুক্তরাজ্যে বসবাসকারী বাংলাদেশিদের অর্ধেকেরও বেশি (৫৩%) এবং পাকিস্তানিদের প্রায় অর্ধেক (৪৯%) পরিবার দারিদ্র্যের মধ্যে বাস করত। এসব পরিবারের শিশুদের জন্য দারিদ্র্যের মাত্রা আরও বেশি (যথাক্রমে ৬৫% এবং ৬০%)।

দারিদ্র্যবিরোধী সংস্থা বিগ ইস্যুর প্রতিষ্ঠাতা জন বার্ড এ প্রতিবেদনকে ‘সমাজের জন্য বড় দুঃসংবাদ’ বলে মন্তব্য করেছেন।

সূত্র: যুগান্তর

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়