শিরোনাম
◈ ইসলামী ব্যাংক ইস্যুতে উত্তপ্ত সংসদ, ব্যাংকটি বিএনপি সরকারের হাতেই সবচেয়ে নিরাপদ: অর্থমন্ত্রী ◈ কী থাকবে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্তরে যুক্ত হতে যাওয়া নতুন চার বিষয়ের মধ্যে? ◈ ২১ বছরের অপেক্ষার অবসান, নাহিদ-মোসাদ্দেকের দাপটে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ঐতিহাসিক জয় ◈ এবার বাতিল হ‌লো ইরানের জন্য বরাদ্দ থাকা ‌বিশ্বকা‌পের টিকিটও ◈ ইউপি নির্বাচনকে ‘টেস্ট কেস’ ভাবছে সরকার, আ.লীগ নেতাকর্মীদের অংশগ্রহণ নিয়ে নতুন আলোচনা ◈ ফ্র্যাঞ্চাইজি পোস্ট অফিস স্থাপনের পরিকল্পনা করছে সরকার ◈ আগামী বাজেটে স্টার্ট-আপ ও তরুণ উদ্যোক্তাদের জন্য ৪০০ কোটি টাকা বরাদ্দ ◈ যুক্তরাষ্ট্রের বিমানবন্দর থেকে ফেরত পাঠানো হলো বিশ্বকা‌পের ফিফা রেফারি ওমর আরতান‌কে ◈ যুক্তরা‌স্ট্রে বিশ্বকাপ চলাকালীন খলনায়ক হয়ে আস‌তে পারে বজ্রঝড় ◈ রাশিয়ার শ্রমবাজারে বড় সুযোগ: ১ লাখ বাংলাদেশি নেওয়ার প্রস্তাবে সম্মতি মস্কোর

প্রকাশিত : ২৫ জানুয়ারী, ২০২৬, ০৪:৫৯ দুপুর
আপডেট : ১৩ মে, ২০২৬, ০৩:০০ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

শেষ হলো মায়ানমারের নির্বাচন, বড় জয়ের পথে সেনাসমর্থিত দল

মায়ানমারে এক মাসব্যাপী নির্বাচন রবিবার শেষ হয়েছে। সামরিক জান্তা পরিচালিত এই ভোটে সেনাবাহিনীপন্থী প্রভাবশালী দলটি বিপুল বিজয়ের পথে রয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। সমালোচকদের মতে, এই নির্বাচন কেবল সেনাবাহিনীর ক্ষমতা আঁকড়ে থাকার সময়কালই দীর্ঘ করবে।

দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশটির ইতিহাসে সামরিক শাসনের দীর্ঘ অধ্যায় রয়েছে।

তবে এক দশক ধরে বেসামরিক নেতৃত্বাধীন সংস্কারের সময়কালে সেনাবাহিনী কিছুটা পেছনে সরে গিয়েছিল।

২০২১ সালের সামরিক অভ্যুত্থানের মাধ্যমে সে অধ্যায়ের অবসান ঘটে। তখন গণতান্ত্রিক নেত্রী অং সান সু চিকে আটক করা হয়, দেশজুড়ে গৃহযুদ্ধ শুরু হয় এবং মায়ানমার গভীর মানবিক সংকটে পতিত হয়।

নির্বাচনের তৃতীয় ও শেষ ধাপটি সারা দেশের বিভিন্ন নির্বাচনী এলাকায় ভোটগ্রহণের মধ্য দিয়ে শেষ হয়।

এই পর্বটি অভ্যুত্থানের পাঁচ বছর পূর্তির মাত্র এক সপ্তাহ আগে অনুষ্ঠিত হলো।

সামরিক কর্তৃপক্ষের দাবি, এই নির্বাচনের মাধ্যমে ক্ষমতা জনগণের হাতে ফিরিয়ে দেওয়া হবে। তবে সু চি রাজনীতি থেকে কার্যত বাদ পড়া এবং তার অত্যন্ত জনপ্রিয় দল বিলুপ্ত থাকায় গণতন্ত্রপন্থীরা বলছেন, এই ভোট সেনাবাহিনীর মিত্রদের পক্ষেই সাজানো।

জান্তা প্রধান মিন অং হ্লাইং বেসামরিক পোশাকে মান্দালয়ের বিভিন্ন ভোটকেন্দ্র পরিদর্শন করেন।

এএফপির এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘এটাই জনগণের বেছে নেওয়া পথ। মায়ানমারের মানুষ যাকে সমর্থন করতে চায়, তাকে সমর্থন করতে পারে।’

বিদ্রোহীদের নিয়ন্ত্রণাধীন এলাকায় ভোটগ্রহণ হয়নি। আর জান্তা-নিয়ন্ত্রিত অঞ্চলে ভোটের আগে সময়টিতে জোরজবরদস্তি ও ভিন্নমত দমনের ঘটনা ঘটেছে বলে মানবাধিকার পর্যবেক্ষকরা জানিয়েছেন।

মান্দালয়ের একটি উচ্চ বিদ্যালয়ে ভোরের দিকে ভোট দেন শিক্ষক জাও কো কো মিন্ট।

৫৩ বছর বয়সী এই ভোটার এএফপিকে বলেন, ‘খুব বেশি প্রত্যাশা না থাকলেও আমরা একটি ভালো দেশ দেখতে চাই। ভোট দেওয়ার পর মনে হচ্ছে দায়িত্ব পালন করেছি—এতে এক ধরনের স্বস্তি কাজ করছে।’

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়