শিরোনাম
◈ আমদানি নিরুৎসাহিত করতে নতুন বাজেটে যেসব পণ্যের দাম বাড়তে পারে! ◈ দে‌শের বিপর্যস্ত জনগণ ফে‌লে রাজনী‌তি থে‌কে বিশ্রা‌মে যা‌বো না: 'এই সময়' অনলাইনে শেখ হা‌সিনার সাক্ষাৎকার ◈ ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্ক: আস্থার সংকট কতটা গভীর? ◈ হরমুজ প্রণালি পুনরায় খুলে দেওয়ার ঘোষণা ইরানের, টোল নির্ধারণে ওমানের সঙ্গে যৌথ সিদ্ধান্ত ◈ এবা‌রের বিশ্বকা‌পে আ‌র্জেন্টিনা মেসিনির্ভর দল নয়: কোচ ◈ ‘৪,৮০০ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠানো হয়নি’, পশ্চিমবঙ্গ সরকারের দাবির জবাবে বিজিবি ◈ প্রস্তু‌তি ম‌্যা‌চে ওলিসের হ্যাটট্রিক, আয়ারল‌্যান্ড‌কে ৩-১ গো‌লে হারা‌লো ফ্রান্স ◈ শিক্ষাক্রমে বড় পরিবর্তন: বাংলা-ইতিহাসসহ কয়েকটি বিষয় বাদ, যুক্ত হচ্ছে এআই, বিদেশি ভাষা, ফ্রিল্যান্সিং ও কারিগরি শিক্ষা ◈ বিশ্বকাপে রোনালদো না মেসি, কে করবেন বেশি গোল? ভবিষ্যদ্বাণী এমবাপের ◈ ‌ফিফার ঘোষণা, বিশ্বকাপে চোটের অভিনয় করলেই শাস্তি

প্রকাশিত : ১১ জানুয়ারী, ২০২৬, ০৮:১৯ রাত
আপডেট : ২৭ মে, ২০২৬, ১১:০০ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

যুক্তরাষ্ট্রের নিয়ন্ত্রণের আহ্বান প্রত্যাখ্যান করছেন গ্রিনল্যান্ডের রাজনৈতিক নেতারা

ইমা এলিস/বাংলা প্রেস, নিউ ইয়র্ক: গ্রিনল্যান্ডের রাজনৈতিক দলগুলোর নেতারা শুক্রবার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের যুক্তরাষ্ট্রের নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার আহ্বান স্পষ্টভাবে প্রত্যাখ্যান করেছেন।

অ্যাসোসিয়েটেড প্রেসের বরাতে জানানো হয়, শুক্রবার রাতে এক যৌথ বিবৃতিতে গ্রিনল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী জেন্স–ফ্রেডেরিক নিলসেন ও চারটি দলের নেতা বলেন, 'আমরা আমেরিকান হতে চাই না, ডেনিশও হতে চাই না - আমরা গ্রিনল্যান্ডবাসী হতে চাই।'

এই বিবৃতি এসেছে এমন সময়ে, যখন ট্রাম্প প্রশাসন গ্রিনল্যান্ড দখলে সামরিক শক্তি ব্যবহারের সম্ভাবনার কথাও উত্থাপন করছে এবং একই সঙ্গে ডেনমার্কের কাছ থেকে দ্বীপটি কেনার বিষয়টি বিবেচনা করছে। যদিও যুক্তরাষ্ট্রের সেখানে ইতিমধ্যেই একটি সামরিক ঘাঁটি রয়েছে, হোয়াইট হাউস বলছে, জাতীয় নিরাপত্তার অজুহাতে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প গ্রিনল্যান্ডের ওপর আরও বেশি নিয়ন্ত্রণ চান।

বিবৃতিতে গ্রিনল্যান্ডের দলীয় নেতারা লেখেন,'গ্রিনল্যান্ডের ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করবে গ্রিনল্যান্ডের জনগণই।'

তারা আরও বলেন,গ্রিনল্যান্ডের রাজনৈতিক দলগুলোর নেতা হিসেবে আমরা আবারও জোর দিয়ে বলতে চাই, যুক্তরাষ্ট্রের উচিত আমাদের দেশের প্রতি অবজ্ঞাসূচক মনোভাব বন্ধ করা।

ট্রাম্পের গ্রিনল্যান্ড অধিগ্রহণ নিয়ে মন্তব্য আন্তর্জাতিক অঙ্গনে উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। ওয়াশিংটনের আইনপ্রণেতা থেকে শুরু করে ন্যাটো মিত্ররাও গ্রিনল্যান্ডের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন।

এর আগে এক যৌথ বিবৃতিতে ডেনমার্কের প্রধানমন্ত্রী মেটে ফ্রেডেরিকসেন বলেন,আর্কটিকে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে সম্মিলিতভাবে যুক্তরাষ্ট্রসহ ন্যাটো মিত্রদের সঙ্গে। জাতিসংঘ সনদের নীতি, বিশেষ করে সার্বভৌমত্ব, আঞ্চলিক অখণ্ডতা ও সীমান্তের অখণ্ডতা বজায় রেখেই তা করতে হবে। এগুলো সার্বজনীন নীতি, এবং আমরা এগুলো রক্ষা করা থেকে বিরত হব না।

এই বিবৃতিতে ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ, জার্মানির চ্যান্সেলর ফ্রিডরিখ মের্ৎস, ইতালির প্রধানমন্ত্রী জর্জিয়া মেলোনি, পোল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী ডোনাল্ড টাস্ক, স্পেনের প্রধানমন্ত্রী পেদ্রো সানচেজ এবং যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমারও স্বাক্ষর করেন।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়,গ্রিনল্যান্ড গ্রিনল্যান্ডবাসীর। ডেনমার্ক ও গ্রিনল্যান্ড–সংক্রান্ত বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার অধিকার কেবল ডেনমার্ক ও গ্রিনল্যান্ডেরই।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়