শিরোনাম
◈ ব্যাংক অনুদানের অডিট ২০১৫-২৪: প্রধানমন্ত্রীর তহবিল ও হাসিনা-সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানে গেছে ১২৪৩ কোটি ◈ আমদানি নিরুৎসাহিত করতে নতুন বাজেটে যেসব পণ্যের দাম বাড়তে পারে! ◈ দে‌শের বিপর্যস্ত জনগণ ফে‌লে রাজনী‌তি থে‌কে বিশ্রা‌মে যা‌বো না: 'এই সময়' অনলাইনে শেখ হা‌সিনার সাক্ষাৎকার ◈ ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্ক: আস্থার সংকট কতটা গভীর? ◈ হরমুজ প্রণালি পুনরায় খুলে দেওয়ার ঘোষণা ইরানের, টোল নির্ধারণে ওমানের সঙ্গে যৌথ সিদ্ধান্ত ◈ এবা‌রের বিশ্বকা‌পে আ‌র্জেন্টিনা মেসিনির্ভর দল নয়: কোচ ◈ ‘৪,৮০০ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠানো হয়নি’, পশ্চিমবঙ্গ সরকারের দাবির জবাবে বিজিবি ◈ প্রস্তু‌তি ম‌্যা‌চে ওলিসের হ্যাটট্রিক, আয়ারল‌্যান্ড‌কে ৩-১ গো‌লে হারা‌লো ফ্রান্স ◈ শিক্ষাক্রমে বড় পরিবর্তন: বাংলা-ইতিহাসসহ কয়েকটি বিষয় বাদ, যুক্ত হচ্ছে এআই, বিদেশি ভাষা, ফ্রিল্যান্সিং ও কারিগরি শিক্ষা ◈ বিশ্বকাপে রোনালদো না মেসি, কে করবেন বেশি গোল? ভবিষ্যদ্বাণী এমবাপের

প্রকাশিত : ১১ জানুয়ারী, ২০২৬, ১১:৩২ দুপুর
আপডেট : ০৬ জুন, ২০২৬, ০৬:০০ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

ভারতে ক্যানসার সারাতে গরুর গোবর-গোমূত্র নিয়ে গবেষণায় গায়েব ৩.৫ কোটি রুপি

ভারতের মধ্য প্রদেশের জবলপুরে অবস্থিত নানাজি দেশমুখ ভেটেরিনারি সায়েন্স বিশ্ববিদ্যালয়ে গোবর ও গোমূত্র ব্যবহার করে ক্যানসারের ওষুধ তৈরির একটি সরকারি গবেষণা প্রকল্পে ব্যাপক আর্থিক অনিয়মের তথ্য সামনে এসেছে। 

২০১১ সালে শুরু হওয়া এই প্রকল্পের মূল লক্ষ্য ছিল গরুর বর্জ্য ও দুগ্ধজাত পণ্যের মিশ্রণে জটিল রোগের চিকিৎসা পদ্ধতি উদ্ভাবন করা। রাজ্য সরকার এই গবেষণার জন্য সাড়ে তিন কোটি রুপি বরাদ্দ দিলেও দীর্ঘ এক দশকে কোনো দৃশ্যমান ফলাফল মেলেনি, বরং প্রকল্পের বিশাল অংকের অর্থ নয়ছয়ের অভিযোগ উঠেছে। খবর দ্য ইন্ডিয়ার এক্সপ্রেসের।

সম্প্রতি জেলা প্রশাসনের নির্দেশে অতিরিক্ত কালেক্টরের নেতৃত্বে গঠিত একটি তদন্ত কমিটি ২০১১ থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত ব্যয়ের নথিপত্র পরীক্ষা করে একটি প্রতিবেদন জমা দিয়েছে। 

তদন্তে দেখা গেছে, গোবর, গোমূত্র ও আনুষঙ্গিক কাঁচামাল কেনায় প্রায় এক কোটি ৯২ লাখ রুপি ব্যয় দেখানো হয়েছে, যার বাজারদর সর্বোচ্চ ১৫ থেকে ২০ লাখ রুপি হতে পারত। এছাড়া গবেষণার প্রয়োজনে দেশের বিভিন্ন শহরে বারবার বিমানে ভ্রমণের খরচ এবং নিয়মবহির্ভূতভাবে গাড়ি কেনা ও রক্ষণাবেক্ষণের পেছনে বিপুল অর্থ ব্যয়ের প্রমাণ পাওয়া গেছে।

তদন্ত প্রতিবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, বাজেটের বাইরে গিয়ে কেনা সাড়ে সাত লাখ রুপির গাড়িটির বর্তমানে কোনো হদিস পাওয়া যাচ্ছে না। কৃষকদের প্রশিক্ষণের নামে অর্থ ব্যয় করা হলেও তার সঠিক নথিপত্র নেই এবং আসবাবপত্র ও ইলেকট্রনিক সরঞ্জাম কেনাকাটায় প্রকল্পের মূল উদ্দেশ্য ব্যাহত হয়েছে বলে কমিটি মনে করছে। যদিও বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন সব অভিযোগ অস্বীকার করে দাবি করেছে যে, প্রতিটি কেনাকাটা সরকারি নিয়ম মেনে এবং অডিটের মাধ্যমেই সম্পন্ন হয়েছে। বর্তমানে এই তদন্ত প্রতিবেদনটি পরবর্তী আইনি পদক্ষেপের জন্য ডিভিশনাল কমিশনারের কাছে পাঠানো হয়েছে।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়