শিরোনাম
◈ ‌ফিফার ঘোষণা, বিশ্বকাপে চোটের অভিনয় করলেই শাস্তি ◈ কর্ণফুলী টানেল: দৈনিক আয় ১১ লাখ কিন্তু ব্যয় সাড়ে ৩৭ লাখ, লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে যানবাহন চলাচল ৭ গুণ কম ◈ লেবানন ইস্যুতে নেতানিয়াহুর ওপর চরম ক্ষুব্ধ ট্রাম্প, ‘হাতাহাতি’র উপক্রম হয়েছিল বলে দাবি মার্কিন দূতের ◈ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে দমকা হাওয়াসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা ◈ ঢামেক মর্গের ফ্রিজার এক সপ্তাহ ধরে অচল, ছড়াচ্ছে লাশ পচা গন্ধ ◈ বাংলাদেশিদের জন্য আবার খুলছে মরিশাসের শ্রমবাজার ◈ এনসিটি পরিচালনায় প্রস্তাব দিল দুই এমপির মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠানের কনসোর্টিয়াম ◈ জামিনে মুক্তি পাচ্ছেন জনতা ব্যাংকের সাবেক চেয়ারম্যান আবুল বারকাত ◈ ৯ শতাংশ সুদে ঋণ দেবে বাংলাদেশ ব্যাংক, সুবিধা পাবেন উদ্যোক্তারা ◈ প্রতিযোগিতায় টিকতে টেকসই উৎপাদন পদ্ধতি গ্রহণের তাগিদ প্রধানমন্ত্রীর

প্রকাশিত : ০৭ জানুয়ারী, ২০২৬, ০৫:০৬ বিকাল
আপডেট : ০৪ জুন, ২০২৬, ১০:০০ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

ভিসা বন্ড কী এবং কেন ব্যয়বহুল হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ

ভিসা বন্ড হলো একধরনের আর্থিক নিশ্চয়তা বা জামানত। কিছু দেশ নির্দিষ্ট বিদেশি নাগরিকদের সাময়িক ভিসা দেওয়ার আগে এমন জামানত বা নিশ্চয়তা নিয়ে থাকে—যেন তারা ভিসার শর্ত, বিশেষ করে থাকার সময়সীমা মেনে চলেন।

প্রতিবছর যুক্তরাষ্ট্র হাজারো বিদেশি শিক্ষার্থী, পর্যটক ও কর্মীকে অস্থায়ী নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা দেয়। এসব ভিসার মেয়াদ কয়েক সপ্তাহ থেকে কয়েক বছর পর্যন্ত হতে পারে।

কোনো নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাধারী অনুমোদিত মেয়াদের চেয়ে বেশি সময় যুক্তরাষ্ট্রে থাকলে সেটি ভিসা ওভারস্টে বলে গণ্য হয়।

মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) ট্রাম্প প্রশাসন যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের জন্য ভিসা আবেদনের ক্ষেত্রে জামানত (ভিসা বন্ড) দিতে হয়—এমন দেশের সংখ্যা প্রায় তিন গুণ বাড়িয়েছে।  এখন এসব দেশের নাগরিকদের যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের জন্য আবেদন করতে সর্বোচ্চ ১৫ হাজার মার্কিন ডলার পর্যন্ত বন্ড জমা দিতে হতে পারে।

এর আগে ৬টি দেশের ওপর প্রথমে এমন শর্ত আরোপ করে যুক্তরাষ্ট্র। এর এক সপ্তাহও না পেরোতেই, সাতটি দেশ যুক্ত করে তালিকাটি ১৩-এ নেয়। এরপর মঙ্গলবার যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর আরও ২৫টি দেশ যুক্ত করেছে। travel.state.gov ওয়েবসাইটে প্রকাশিত এক নোটিশ অনুযায়ী, নতুন যুক্ত হওয়া দেশগুলোর ক্ষেত্রে এই বন্ডের নিয়ম আগামী ২১ জানুয়ারি থেকে কার্যকর হবে।

এই সিদ্ধান্তের ফলে এখন মোট ৩৮টি দেশ ভিসা বন্ড তালিকাভুক্ত হলো। এর মধ্যে অধিকাংশ দেশ আফ্রিকার হলেও লাতিন আমেরিকা ও এশিয়ার কয়েকটি দেশও রয়েছে। নতুন এই পদক্ষেপের ফলে বহু দেশের নাগরিকদের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা পাওয়ার প্রক্রিয়া অত্যন্ত ব্যয়বহুল হয়ে উঠছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। সূত্র:  এপি নিউজ

 

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়