শিরোনাম
◈ অবহেলা, প্রতারণা ও বিশ্বাসভঙ্গের অভিযোগে ড. ইউনূসসহ ৫ জনের বিরুদ্ধে মামলার আবেদন ◈ ইসলামী ব্যাংকে আস্থার সংকট: পাঁচ দিনে ইসলামী ব্যাংক থেকে উত্তোলন ৩৫০০ কোটি টাকা ◈ মামলা দায়েরের জন্য ১০ হাজার টাকা দাবি, লাশ নিয়ে থানা ঘেরাওয়ের পর এসআই প্রত্যাহার ◈ অস্ট্রেলিয়ার ভিসা ও চাকরি পাইয়ে দেওয়ার নামে লাখো টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে প্রতারক চক্র, আবেদনকারীদের সতর্কবার্তা ◈ ব্যাংকিং খাতে নতুন শর্ত: নতুন ও পুরোনো হিসাবেও লাগবে টিআইএন, আসছে বাজেটে প্রস্তাব ◈ দেশের বিভিন্ন জেলায় ভুয়া কমিটি গঠন ও প্রচারের অভিযোগ, বিএনপির মিডিয়া সেলের সতর্কবার্তা ◈ ঘোড়ার মাংস খাওয়া নিয়ে জয়া আহসানের রিট, যে নির্দেশ দিলেন হাইকোর্ট ◈ প্রতি মাসেই কিছু কোম্পানি বন্ধ হয়ে যাচ্ছে, আমিই তো ১০ হাজার কর্মী ছাঁটাই করব : শিল্পোদ্যোক্তা একে আজাদ (ভিডিও) ◈ সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য সুখবর, আসছে নতুন বেতন কাঠামো, বাজেটে বরাদ্দ ৩৫ হাজার কোটি! ◈ বিশ্বকাপে নিয়ম না মেনে বাড়ির ছাদ, বারান্দা কিংবা জানালায় প্রিয় দেশের জাতীয় পতাকা উড়ালে ৪ লাখ টাকা জরিমানা!

প্রকাশিত : ২৯ নভেম্বর, ২০২৫, ১০:৫১ দুপুর
আপডেট : ৩১ মে, ২০২৬, ০৬:০০ বিকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

বিলুপ্তির পথে গভীর সমুদ্রের রহস্যময় 'গাল্পার হাঙর'

গভীর সমুদ্রের রহস্যময় ও প্রাগৈতিহাসিক প্রাণী গাল্পার হাঙর দ্রুত বিলুপ্তির দিকে ধাবিত হচ্ছে। কসমেটিক শিল্পে ব্যবহৃত স্ক্যুয়ালিন সংগ্রহের জন্য এদের লিভার তেলে ব্যাপক চাহিদা তৈরি হয়েছে। সাধারণত ২০০ থেকে ১,৫০০ মিটার গভীর পানিতে বসবাসকারী এই হাঙর এখন টিকে থাকার লড়াইয়ে নামছে বলে আশঙ্কা করছে আন্তর্জাতিক সংরক্ষণবাদী সংগঠনগুলো।

মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএন-এর এক প্রতিবেদন অনুযায়ী, যথাযথ সুরক্ষা ব্যবস্থা ও আন্তর্জাতিক নিয়ন্ত্রণ না নেওয়া হলে আগামী বছরগুলোতে গাল্পার হাঙরের সংখ্যা ভয়াবহভাবে কমে যেতে পারে।

গাল্পার হাঙরের লিভার তেল দীর্ঘদিন ধরে কসমেটিক পণ্য—যেমন মেকআপ, সানস্ক্রিন, আফটারশেভ—এ ব্যবহৃত হয়ে আসছে। এমনকি নিকোটিন প্যাচ ও হেমোরয়েড চিকিৎসাতেও এই তেলের ব্যবহার রয়েছে। গবেষণায় দেখা গেছে, গাল্পার হাঙরের লিভার তেলে থাকে ৭০% এর বেশি স্ক্যুয়ালিন, যা অন্যান্য হাঙর প্রজাতির তুলনায় সবচেয়ে বেশি। ফলে অতিরিক্ত শিকার হওয়ায় কিছু এলাকায় এই প্রজাতির সংখ্যা ৮০% এরও বেশি কমে গেছে।

ইন্টারন্যাশনাল ফান্ড ফর অ্যানিম্যাল ওয়েলফেয়ার (আইএফএডব্লিউ)-এর সিনিয়র পরিচালক ম্যাট কলিস জানান, গাল্পার হাঙর খুব ধীরে বংশবিস্তার করে এবং পরিপক্ব হতে দীর্ঘ সময় নেয়। তাই অতিরিক্ত শিকার শুরু হলে এদের পুনরুদ্ধার হতে বহু বছর লেগে যায়।

যদিও কসমেটিক শিল্পের কিছু প্রতিষ্ঠান উদ্ভিদ-ভিত্তিক বিকল্প স্ক্যুয়ালিন ব্যবহার শুরু করেছে, তবুও বিশ্বব্যাপী অনেক বিউটি পণ্যে এখনো হাঙরের তেল ব্যবহার করা হচ্ছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, আন্তর্জাতিক বাণিজ্য নিয়ন্ত্রণ ও কঠোর আইনই এই প্রজাতিকে রক্ষার একমাত্র কার্যকর পথ।

বিশেষজ্ঞদের মতে, বৈশ্বিক নিয়ন্ত্রণ জোরদার করা হলে গাল্পার হাঙরের সংখ্যা ভবিষ্যতে পুনরুদ্ধার করা সম্ভব। একদিকে শিল্পের তীব্র চাহিদা, অন্যদিকে পরিবেশবাদীদের সতর্কতা—এই দুইয়ের দ্বন্দ্বেই আজ বিলুপ্তির মুখে দাঁড়িয়ে এই বিরল গভীর সমুদ্রের প্রাণী।

সূত্র: জনকণ্ঠ

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়