শিরোনাম
◈ ১১ দলীয় জোটে আবার ভাঙনের গুঞ্জন, বেরিয়ে গেছে বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলন, ১০ জুন আসতে পারে ঘোষণা ◈ পোষা বিড়াল কি বাড়ায় মানসিক রোগের ঝুঁকি? নতুন গবেষণায় আলোচনার ঝড়! ◈ দেশের বাজারে টানা দুই দফায় স্বর্ণের দাম কমেছে ভরিপ্রতি ৮ হাজার ৭৪৮ টাকা ◈ প্রথম সফরে মালয়েশিয়া কেন বেছে নিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান? : ইন্ডিয়া টুডের প্রতিবেদন ◈ শত্রু দেশ যুক্তরা‌স্ট্রে খেলা ইরা‌নের, দেশের মানুষের মুখে হাসি ফোটা‌তে মনপ্রাণ উজাড় ক‌রে খেল‌বেন ইরানি ফুটবলাররা ◈ বিদেশি ফ্রাঞ্চাইজি লি‌গে খেলার জন‌্য অবসর নেয়া বন্ধ কর‌তে কড়া নিয়ম আনার পথে বিসিসিআই ◈ গভর্নর মোস্তাকুর রহমানের ১০০ দিন: স্থিতিশীলতা, সংস্কার ও প্রবৃদ্ধির নতুন সমীকরণ ◈ ভূমি কর্মকর্তাদের ২৫ জুনের মধ্যে সম্পদের হিসাব দেওয়ার নির্দেশ ভূমি মন্ত্রণালয়ের ◈ দ. এশিয়ার স্থিতিশীলতা ও শান্তির জন্য বাংলাদেশ ‘কৌশলগত গুরুত্বপূর্ণ’ দেশ: তুরস্ক ◈ ইউরোপের মাটিতে ইতিহাস, সান মারিনোর বিপক্ষে বাংলাদেশের জয়

প্রকাশিত : ২৫ নভেম্বর, ২০২৫, ১১:৩৫ দুপুর
আপডেট : ০২ জুন, ২০২৬, ০৬:০০ সকাল

প্রতিবেদক : এল আর বাদল

আগামী পাঁচ বছ‌রের মধ্যে তীব্র তাপপ্রবাহ ও বন্যার মারাত্মক ঝুঁকিতে পড়‌বে দক্ষিণ এশিয়া  

আন্তর্জা‌তিক ডেস্ক : দক্ষিণ এশিয়ার প্রায় ৯০ শতাংশ মানুষ আগামী ৫ বছ‌রের ম‌ধ্যে (২০৩০ সাল) চরম তাপপ্রবাহের ঝুঁকিতে পড়বে। একই সময়ে অঞ্চলের প্রায় এক-চতুর্থাংশ মানুষ মারাত্মক বন্যার মুখোমুখি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। বিশ্বব্যাংকের নতুন এক প্রতিবেদনে এ সতর্ক বার্তা দেওয়া হয়েছে। -------- আনাদোলু এজেন্সি

সোমবার প্রকাশিত “ফ্রম রিস্ক টু রেজিলিয়েন্স: হেল্পিং পিপল অ্যান্ড ফার্মস অ্যাডাপ্ট ইন সাউথ এশিয়া” শীর্ষক প্রতিবেদনে বাংলাদেশ, ভারত ও পাকিস্তান থেকে সংগৃহীত কেস স্টাডির ভিত্তিতে বলা হয়েছে—ঘনবসতি, তাপমাত্রা বৃদ্ধি এবং ভৌগোলিক অরক্ষিত অবস্থান দক্ষিণ এশিয়াকে পৃথিবীর সবচেয়ে জলবায়ু-ঝুঁকিপূর্ণ অঞ্চলের একটিতে পরিণত করেছে।

গবেষণায় বলা হয়, আগামী এক দশকে এই অঞ্চলটি আরও ঘনঘন ও আরও তীব্র আবহাওয়া–সম্পর্কিত ধাক্কার মুখোমুখি হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

বিশ্বব্যাংকের হিসাব অনুযায়ী, ২০৩০ সালের মধ্যে ১.৮ বিলিয়ন মানুষ—অর্থাৎ জনসংখ্যার ৮৯ শতাংশ—চরম তাপপ্রবাহের এবং ৪৬২ মিলিয়ন মানুষ মুখোমুখি হবে ভয়াবহ বন্যার।

প্রতিবেদনটি ঝুঁকি কমাতে শক্তিশালী আগাম সতর্কীকরণ ব্যবস্থা, ঝুঁকিপূর্ণ পরিবারগুলোর জন্য লক্ষ্যভিত্তিক সহায়তা এবং অভিযোজন–কেন্দ্রিক নীতিমালা গ্রহণের ওপর জোর দিয়েছে।

বিশ্বব্যাংক জানায়, উপকূলীয় ও নদীবেষ্টিত এলাকায় অধিকাংশ পরিবার ঘূর্ণিঝড় সতর্কতা পেলেও বন্যা বা অন্যান্য দুর্যোগের বিষয়ে অর্ধেকেরও কম মানুষ সময়মতো সতর্কবার্তা পান।

ফলাফল বিশ্লেষণে আরও বলা হয়, সঠিকভাবে ডিজাইন করা সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি তথ্য হালনাগাদ থাকলে দুর্যোগের সময় দ্রুত সম্প্রসারণ করা সম্ভব, যা দরিদ্র ও ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীকে সুরক্ষা দিতে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখতে পারে।

তবে প্রতিবেদনে সতর্ক করা হয়েছে, সীমিত সরকারি বাজেটের কারণে শুধু সরকারি উদ্যোগ যথেষ্ট হবে না; বেসরকারি খাতের অভিযোজন সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং নীতি-সহায়ক পরিবেশ তৈরি করাও জরুরি।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়