শিরোনাম
◈ বাংলাদেশ-তুরস্ক সম্পর্ক জোরদারে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে হাকান ফিদানের বৈঠক ◈ বিদ্যুৎ খাতে হযবরল, অলস সক্ষমতার বিপুল ভার মানুষের ওপর  ◈ মূল্যবৃদ্ধির চাপ ধনীদের ওপর, ৬৫ শতাংশ সাধারণ মানুষ সুরক্ষিত: তথ্যমন্ত্রী ◈ জুয়া নিয়ন্ত্রণে গোয়েন্দাদের বাড়তি ক্ষমতা, সন্দেহ হলেই তল্লাশি ও গ্রেপ্তার করতে পারবে, অপব্যবহারের আশঙ্কা বিশেষজ্ঞদের ◈ অনলাইন ঝড় থেকে রাজপথে: শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ দাবিতে দিল্লিতে ‘ককরোচ জনতা পার্টি’র বিক্ষোভ, থাকছেন সোনম ওয়াংচুক-ও ◈ ১১ দলীয় জোটে আবার ভাঙনের গুঞ্জন, বেরিয়ে গেছে বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলন, ১০ জুন আসতে পারে ঘোষণা ◈ পোষা বিড়াল কি বাড়ায় মানসিক রোগের ঝুঁকি? নতুন গবেষণায় আলোচনার ঝড়! ◈ দেশের বাজারে টানা দুই দফায় স্বর্ণের দাম কমেছে ভরিপ্রতি ৮ হাজার ৭৪৮ টাকা ◈ প্রথম সফরে মালয়েশিয়া কেন বেছে নিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান? : ইন্ডিয়া টুডের প্রতিবেদন ◈ শত্রু দেশ যুক্তরা‌স্ট্রে খেলা ইরা‌নের, দেশের মানুষের মুখে হাসি ফোটা‌তে মনপ্রাণ উজাড় ক‌রে খেল‌বেন ইরানি ফুটবলাররা

প্রকাশিত : ২৪ নভেম্বর, ২০২৫, ০৩:২০ দুপুর
আপডেট : ২৯ মে, ২০২৬, ০৫:০০ বিকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

বাইরে দাঁড়িয়ে স্বামী, আইসিইউ-তে সেডেটিভ ইঞ্জেকশন দিয়ে রোগীকে ধর্ষণ!

রাজস্থানে চাঞ্চল্যকর একটি ঘটনা ঘটেছে। আইসিইউতে ভর্তি রোগীকে সেডেটিভ ইনজেকশন দিয়ে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে এক নার্সিং স্টাফের বিরুদ্ধে। ঘটনাটি ঘটেছে বুধবার, রাজস্থানের আলওয়ারে অবস্থিত ইএসআইসি মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে। তবে অভিযুক্তকে এখনো গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিশ।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, আইসিইউতে চিকিৎসাধীন ৩২ বছর বয়সী এক তরুণী হঠাৎ স্বামীর নাম ধরে কাতর স্বরে ডাকতে থাকেন। বাইরে অপেক্ষমাণ স্বজনরা আতঙ্কিত হয়ে পড়েন। কিছুক্ষণ পর আইসিইউ স্টাফরা তার স্বামীকে ডেকে নিয়ে যান। এসময় রোগীর বেডের চারপাশে পর্দা টানা ছিল এবং তরুণীকে অর্ধচেতন অবস্থায় পাওয়া যায়।

পরদিন তরুণী স্বামীর কাছে জানান, তাকে সেডেটিভ ইনজেকশন দিয়ে ধর্ষণ করা হয়েছে। আলওয়ারের সহকারী সাব-ইনস্পেক্টর মহাবীর সিং বলেন, “বেডের চারপাশে পর্দা টেনে তাকে ইনজেকশন দেওয়া হয় এবং ধর্ষণের চেষ্টা রোধ করতে গিয়ে তিনি স্বামীর নাম ডাকেন। কিন্তু ওষুধের কারণে তিনি ঠিক মতো কথা বলতে পারেননি।”

ঘটনার পর নির্যাতিতার স্বামী প্রথমে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের কাছে অভিযোগ করলে তারা বিষয়টি গোপন করার চেষ্টা করে বলে অভিযোগ ওঠে। পরে অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের সঙ্গে যোগাযোগ করলে প্রশাসন নড়েচড়ে বসে। এরই মধ্যে তদন্ত শুরু হয়েছে, সিসিটিভি ফুটেজও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

ইএসআইসি মেডিক্যাল কলেজের ডিন ড. অসীম দাস বলেন, “অভিযোগ পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। দোষী প্রমাণিত হলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়