শিরোনাম
◈ অবৈধ অভিবাসনের বিরুদ্ধে কড়াকড়ি, ১৭ মাসে ৪৬০০ ভারতীয়কে ফেরাল যুক্তরাষ্ট্র ◈ বিশ্বকাপ প্রস্তুতি ম্যাচে মিশরকে হারালো ব্রাজিল ◈ ডিজিটাল উদ্যোক্তাদের জন্য সুখবর: রেমিট্যান্স হিসেবে গণ্য হবে কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের বৈদেশিক আয়, থাকছে না উৎসে কর ◈ ১৬০ অর্থনীতিবিদের জরিপ: স্পেনকে হারিয়ে বিশ্বকাপ জিতবে ফ্রান্স ◈ টানা ১৬ দিনের ছুটি শেষে আজ খুলেছে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ◈ গ্রাহকের আস্থা ফিরিয়ে আনতে প্রিপেইড মিটারের ত্রুটি দূর করতে হবে ◈ ফারাক্কায় আপত্তি নেই, তবে পদ্মা ব্যারেজে কেন ভারতের অস্বস্তি? ◈ সীমান্তে একের পর এক পুশইন চেষ্টা, কী বার্তা দিতে চাইছে ভারত? ◈ বাংলাদেশকে ২৩ খাতে সহযোগিতার প্রস্তাব চীনের, প্রধানমন্ত্রীর সফরে হতে পারে চুক্তি ◈ যে কারণে হোটেলের বুকিং বাতিল করে কক্সবাজার ছাড়ছেন পর্যটকরা!

প্রকাশিত : ২৩ অক্টোবর, ২০২৫, ১০:৪৭ দুপুর
আপডেট : ০৬ জুন, ২০২৬, ০৫:০০ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

ইউক্রেন যুদ্ধ ঠেকাতে রাশিয়ার দুই তেল কোম্পানির ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা

ইউক্রেনের সঙ্গে শান্তিচুক্তি করতে চাপ বাড়াতে রাশিয়ার দুটি বৃহত্তম তেল কোম্পানি রসনেফট এবং লুকোয়েলের ওপর নতুন নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে যুক্তরাষ্ট্র। রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে বুদাপেস্টে পরিকল্পিত বৈঠকটি অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিতের বিষয়ে ট্রাম্পের ঘোষণার একদিন পর এই নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হল। এর আগে বুধবার, ইউক্রেনে রাশিয়ার বোমাবর্ষণে শিশুসহ অন্তত সাতজন নিহত হয়।

যুক্তরাষ্ট্রের অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট বলেন, ‘এই অযৌক্তিক যুদ্ধ শেষ করতে পুতিনের অস্বীকৃতি’ জানানোয় নতুন নিষেধাজ্ঞা দেওয়া প্রয়োজন ছিল।

তিনি বলেন, এসব তেল কোম্পানি ক্রেমলিনের ‘যুদ্ধ যন্ত্রকে’ অর্থায়ন করে।

বুধবার ওভাল অফিসে রুটের সঙ্গে যৌথ সংবাদ সম্মেলনে ট্রাম্প বলেন, পুতিন শান্তি প্রতিষ্ঠার বিষয়ে আন্তরিক নন। তিনি আশা করেন নতুন নিষেধাজ্ঞা এই প্রক্রিয়ায় কোনো অগ্রগতি আনতে সাহায্য করবে। 

তিনি নিষেধাজ্ঞার প্যাকেজটিকে ‘অসাধারণ’ উল্লেখ করে বলেন, রাশিয়া যদি যুদ্ধ বন্ধে রাজি হয়, তবে এই নিষেধাজ্ঞাগুলো দ্রুত প্রত্যাহার করা যেতে পারে।

গত সপ্তাহে যুক্তরাজ্যও রসনেফট ও লুকোয়েলের ওপর একই নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে। এই রাশিয়ান দুটি তেল কোম্পানি প্রতিদিন প্রায় ৩ দশমিক ১ মিলিয়ন (৩১ লাখ) ব্যারেল তেল রপ্তানি করে। যুক্তরাজ্য সরকারের হিসাব অনুযায়ী, রসনেফট একাই রাশিয়ার মোট তেল উৎপাদনের প্রায় অর্ধেকের দায়িত্বে, যা বৈশ্বিক উৎপাদনের ছয় শতাংশ।

তেল ও গ্যাস রাশিয়ার প্রধান রপ্তানি পণ্য এবং মস্কোর সবচেয়ে বড় ক্রেতাদের মধ্যে রয়েছে চীন, ভারত ও তুরস্ক।ক্রেমলিনের ওপর অর্থনৈতিক চাপ বাড়াতে ট্রাম্প এই দেশগুলোকেও রাশিয়ান তেল কেনা বন্ধের আহ্বান জানিয়েছেন।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়