শিরোনাম
◈ কর্ণফুলী টানেল: দৈনিক আয় ১১ লাখ কিন্তু ব্যয় সাড়ে ৩৭ লাখ, লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে যানবাহন চলাচল ৭ গুণ কম ◈ লেবানন ইস্যুতে নেতানিয়াহুর ওপর চরম ক্ষুব্ধ ট্রাম্প, ‘হাতাহাতি’র উপক্রম হয়েছিল বলে দাবি মার্কিন দূতের ◈ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে দমকা হাওয়াসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা ◈ ঢামেক মর্গের ফ্রিজার এক সপ্তাহ ধরে অচল, ছড়াচ্ছে লাশ পচা গন্ধ ◈ বাংলাদেশিদের জন্য আবার খুলছে মরিশাসের শ্রমবাজার ◈ এনসিটি পরিচালনায় প্রস্তাব দিল দুই এমপির মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠানের কনসোর্টিয়াম ◈ জামিনে মুক্তি পাচ্ছেন জনতা ব্যাংকের সাবেক চেয়ারম্যান আবুল বারকাত ◈ ৯ শতাংশ সুদে ঋণ দেবে বাংলাদেশ ব্যাংক, সুবিধা পাবেন উদ্যোক্তারা ◈ প্রতিযোগিতায় টিকতে টেকসই উৎপাদন পদ্ধতি গ্রহণের তাগিদ প্রধানমন্ত্রীর ◈ বাংলাদেশ ও অস্ট্রেলিয়ার ম‌ধ্যে ওয়ান‌ডে সিরিজের প্রথম ম‌্যাচ আজ

প্রকাশিত : ১৮ অক্টোবর, ২০২৫, ০৭:৩০ বিকাল
আপডেট : ১২ মে, ২০২৬, ০১:০০ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

১০৩ বছর বয়সে মারা গেলেন চীনের নোবেলজয়ী বিজ্ঞানী চেন নিং ইয়াং

আধুনিক পদার্থবিজ্ঞানের অন্যতম প্রভাবশালী বিজ্ঞানী, নোবেল পুরস্কার বিজয়ী চীনা পদার্থবিদ চেন নিং ইয়াং শনিবার (১৮ অক্টোবর) মারা গেছেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ১০৩ বছর।

মর্যাদাপূর্ণ সিংহুয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে তিনি পড়াশোনা করেছিলেন এবং অধ্যাপক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন। বিশ্ববিদ্যালয়টি এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, ইয়াং অসুস্থতার কারণে মারা গেছেন।

চীনের বৈজ্ঞানিক ও শিক্ষাগত উন্নয়নে তার অবদানের প্রশংসা করে বিবৃতিতে বলা হয়েছে, 'অধ্যাপক ইয়াং বিংশ শতাব্দীর অন্যতম সেরা পদার্থবিদ, আধুনিক পদার্থবিদ্যার বিকাশে বিপ্লবী অবদান রেখেছেন।'

নোবেল পুরস্কারের ওয়েবসাইট অনুসারে, সমতা সূত্রের বিষয়ে অবদানের জন্য ইয়াং ১৯৫৭ সালে সুং-দাও লির সঙ্গে নোবেল পুরস্কার পেয়েছিলেন। তারা ছিলেন পদার্থবিদ্যায় প্রথম চীনা বংশোদ্ভূত নোবেল বিজয়ী।

ওয়েবসাইটটি জানিয়েছে, ১৯২২ সালে জন্মগ্রহণকারী ইয়াং সিংহুয়া ক্যাম্পাসের আশেপাশে বেড়ে ওঠেন, যেখানে তার বাবা গণিতের অধ্যাপক ছিলেন। স্নাতক ডিগ্রি অর্জনের পর তিনি সিংহুয়া থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন।

তিনি ১৯৪৬ সালে ডক্টরেট ডিগ্রি অর্জনের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের শিকাগো বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হন এবং ১৯৩৮ সালে একই নোবেল পুরস্কার জয়ী ইতালীয়-আমেরিকান পদার্থবিদ এনরিকো ফার্মির দ্বারা প্রবলভাবে প্রভাবিত হন। পরে তিনি প্রিন্সটনের ইনস্টিটিউট ফর অ্যাডভান্সড স্টাডিতে অধ্যাপক হন। ১৯৮৬ সালে তিনি হংকংয়ের চাইনিজ ইউনিভার্সিটিতে একজন বিশিষ্ট অধ্যাপক-অ্যাট-লার্জ হন।

তিনি নোবেল পুরস্কারসহ তার অনেক পুরস্কার এবং নিবন্ধ উদারভাবে দান করেছেন। ১৯৯৯ সাল থেকে তিনি সিংহুয়াতে অধ্যাপক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

চীনের সরকারি সংবাদ সংস্থা সিনহুয়ার ২০১৭ সালের এক প্রতিবেদন অনুসারে, ইয়াং আমেরিকান নাগরিকত্ব লাভ করেছিলেন। কিন্তু এটি একটি বেদনাদায়ক সিদ্ধান্ত ছিল, যার জন্য তার বাবা তাকে ক্ষমা করেননি। ২০১৫ সালে তিনি মার্কিন নাগরিকত্ব ত্যাগ করেন। সূত্র: দৈনিক ইত্তেফাক 

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়